আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
২২. অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
হাদীস নং: ৪৩৫২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৫২. হযরত সাহল ইবন সা'দ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুই চোয়ালের মধ্যভাগ এবং দুই পায়ের মধ্যভাগের ব্যাপারে যিম্মাদার হবে আমি তার জান্নাতের যিম্মাদার হব।
(বুখারী ও তিরমিযী বর্ণিত।)
(বুখারী ও তিরমিযী বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4352- وَعَن سهل بن سعد رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من يضمن لي مَا بَين لحييْهِ وَمَا بَين رجلَيْهِ أضمن لَهُ الْجنَّة
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَالتِّرْمِذِيّ
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَالتِّرْمِذِيّ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
জিহবা এবং লজ্জাস্থানের অপপ্রয়োগ এবং অবৈধ প্রয়োগ মানুষকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বান্দা তার জিহবা এবং লজ্জাস্থানের দ্বারা অপরাধ করে এবং সমাজ-জীবনে বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে। তাই নবী করীম ﷺ এ দুটো জিনিস সম্পর্কে খুব সতর্ক থাকতে উপদেশ দিয়েছেন। যদি কোন ব্যক্তি তার জিহ্বা এবং লজ্জাস্থানের সঠিক হিফাযত করতে সক্ষম হয়, তাহলে আশা করা যায়, সে জান্নাতে স্থান লাভ করতে পারবে।
এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য, এসব হাদীস নবী করীম ﷺ যাঁদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তাঁরা ছিলেন পাকা ঈমানদার। ইসলামের ফরয-ওয়াজিব বিধান তাঁরা অবশ্যই পালন করতেন। সুতরাং ফরয-ওয়াজিব বিধান বাদ দিয়ে শুধু রসনা ও লজ্জাস্থানের হিফাযত করলেই জান্নাত লাভ করা যাবে মনে করা ভুল হবে।
এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য, এসব হাদীস নবী করীম ﷺ যাঁদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তাঁরা ছিলেন পাকা ঈমানদার। ইসলামের ফরয-ওয়াজিব বিধান তাঁরা অবশ্যই পালন করতেন। সুতরাং ফরয-ওয়াজিব বিধান বাদ দিয়ে শুধু রসনা ও লজ্জাস্থানের হিফাযত করলেই জান্নাত লাভ করা যাবে মনে করা ভুল হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)