মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সংযম, দুনিয়ার প্রতি কম আকর্ষণ ও অল্পে তুষ্ট থাকা অধ্যায়
হাদীস নং: ২২
সংযম, দুনিয়ার প্রতি কম আকর্ষণ ও অল্পে তুষ্ট থাকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: নবী করীম (ﷺ) ও তাঁর সাথীগণ যে সব বিষয়ে দুনিয়ার প্রতি কম আকর্ষণ ও অল্পে তুষ্ট থাকতেন, সে বিষয় সম্পর্কে
২২. খালিদ ইবনে উমায়র আদাবী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন 'উতবা ইবন গাযওয়ান (রা) একদা আমাদের মাঝে ভাষণ দিলেন, তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করে বললেন, দুনিয়া ধ্বংস হলে যাবে। দুনিয়ার সামান্য কিছু বাকী রয়েছে, যেমন খানার পর বরতনে কিছু খাদ্য উচ্ছিষ্ট থাকে, যা ভক্ষণকারী রেখে দেয়। একদিন এ দুনিয়া ছেড়ে তোমরা অবিনশ্বর জগতের দিকে রওয়ানা হবে। সুতরাং তোমরা ভবিষ্যতের জন্য কিছু নেকী নিয়ে রওয়ানা হও। কেননা, আমার সামনে আলোচনা করা হয়েছে যে, জাহান্নামের এক কোন্ থেকে একটি পাথর নিক্ষেপ করা হবে এবং তা সত্তর বছর পর্যন্ত ক্রমাগতভাবে নিচে যেতে থাকবে, তথাপি তা তার তলদেশে পৌঁছতে পারবে না। আল্লাহর শপথ! জাহান্নাম পূর্ণ হয়ে যাবে। তোমরা কি এতে বিস্ময় বোধ করছো? আর আমার নিকট এও বর্ণনা করা হয়েছে যে, জান্নাতের এক প্রান্ত হতে অপর প্রান্ত পর্যন্ত চল্লিশ বছরের পথ, অচিরেই এমন দিন আসবে, যখন তা মানুষের ভীড়ে পরিপূর্ণ থাকবে, আমি আমার প্রতি লক্ষ্য করেছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথী সাত ব্যক্তির মধ্যে সপ্তম ছিলাম, তখন আমাদের নিকট গাছের পাতা ব্যতিত আর কোন খাদ্যই ছিল না। ফলে আমাদের চোয়ালে ঘা হয়ে যায়। এ সময় আমি একটি চাদর পেয়েছিলাম। এরপর আমি আমার ও সা'দ ইবন মালিকের জন্য তা দুটুকরা করে নেই, এক টুকরা দিয়ে আমি লুঙ্গি বানাই এবং অপর টুকরা দিয়ে সা'দ ইবন মালিক লুঙ্গি বানায়। অথচ আজ আমাদের সকলেই কোন না কোন শহরের আমীর। এরপর তিনি বলেন, আমি আমার নিকট বড় এবং আল্লাহর নিকট ছোট হওয়া থেকে পানাহ চাই। সমস্ত নবীদের নবুয়্যাতই এক পর্যায়ে নির্বাপিত হয়ে পড়েছে। অবশেষে যা বাদশাহীর রূপ পরিগ্রহ করেছে। আমার পর আগমনকারী আমীর-উমারাদের সংবাদ তোমরা পাবে এবং তাদেরকে পরীক্ষা করতে পারবে।
(তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায়) খালিদ ইবন উমায়র (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উতবা ইবন গাযওয়ান (রা) কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, (অন্য বর্ণনায় উতবা ইবন গাযওয়ান মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুতবায় বলেছিলেন:) তিনি বলেন, এক সময় আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাত জন সাথীর সপ্তম ব্যক্তি ছিলাম, তখন হুবলা বৃক্ষের পাতা ব্যতীত আমাদের কোন খাদ্য ছিল না। পাতা খেতে খেতে অবশেষে আমাদের চোয়ালে ঘা হয়ে যায়।
(তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায়) খালিদ ইবন উমায়র (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উতবা ইবন গাযওয়ান (রা) কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, (অন্য বর্ণনায় উতবা ইবন গাযওয়ান মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুতবায় বলেছিলেন:) তিনি বলেন, এক সময় আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাত জন সাথীর সপ্তম ব্যক্তি ছিলাম, তখন হুবলা বৃক্ষের পাতা ব্যতীত আমাদের কোন খাদ্য ছিল না। পাতা খেতে খেতে অবশেষে আমাদের চোয়ালে ঘা হয়ে যায়।
كتاب الزهد والتقليل من الدنيا والرضا بالكفاف
باب الترغيب فيما كان عليه النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه من التقليل في الدنيا والرضا منها بالكفاف
عن خالد بن عمير قال خطب عتبة بن غزوان فحمد الله وأثنى عليه ثم قال أما بعد فان الدنيا قد آذنت (1) بصرهم وولت حذاء ولم يبق منها إلا صبابة (2) كصبابة الاناء يتصابها صاحبها وانكم منتقلون منها إلى دار لا زوال لها فانتقلوا بخير ما بحضرتكم (3) فإنه قد ذكر لنا ان الحجر يلقى من شفير جهنم فيهوى فيها سبعين عاما ما يدرك لها قعرا (4) والله لتملؤنه (5) فعجبتم والله لقد ذكر لنا ان ما بين مصارع (6) الجنة مسيرة أربعين عاما وليأتين عليه يوم كظيظ (7) الزحام ولقد رأيتني سابع سبعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم مالنا طعام إلا ورق الشجر حتى قرحت (8) أشداقنا واني التقطت بردة فشققتها بيني وبين سعد (9) فائتزر بنصفها وائتزت بنصفها فما اصبح منا أحد اليوم إلا أصبح أمير مصر من الامصار (10) واني أعوذ بالله أن اكون في نفسي عظيما وعند الله صغيرا (11) وانها لم تكن نبوة قط إلا تناسخت (12) حتى يكون عاقبتها ملكا وستبلون أو ستخبرون الأمراء (13) بعدنا وعنه من طريق ثان) (14) قال سمعت عتبة بن غزوان يقول (وفي لفظ خطبنا عتبة بن غزوان على المنبر) لقد رأيتني سابع سبعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لنا طعام إلا ورق الحبلة (15) حتى قرحت أشداقنا