মা'আরিফুল হাদীস
হজ্ব অধ্যায়
হাদীস নং: ১৭০
হজ্ব অধ্যায়
হজ্বের গুরুত্বপূর্ণ কার্যসমূহ
বিদায় হজ্বের আলোচনায় হজ্বের প্রায় সকল আমল ও কর্মকাণ্ডের উল্লেখ ঘটনার রূপে এসে গিয়েছে। এখন পৃথক পৃথকভাবে এর গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও রুকনসমূহের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নির্দেশাবলী ও তাঁর কর্মপদ্ধতি জানার জন্য নিম্নের হাদীসগুলো পাঠ করে নিন।
মক্কায় প্রবেশ ও প্রথম তাওয়াফ
মক্কা শরীফকে আল্লাহ্ তা'আলা কাবা শরীফ সেখানে অবস্থিত হওয়ার কারণে যে বিশেষ মর্যাদা দান করেছেন এবং এটাকে আল্লাহর নিরাপদ শহর ও হজ্বের কেন্দ্র বানিয়েছেন, এর অনিবার্য দাবী হচ্ছে যে, এখানে প্রবেশ করতে গেলে সতর্কতা ও সম্মানের সাথে প্রবেশ করতে হবে। তারপর কাবা শরীফের দাবী হচ্ছে যে, সর্বপ্রথম এর তাওয়াফ করতে হবে। তারপর এ কাবার এক কোণে স্থাপিত যে একটি পাথর (হাজরে আসওয়াদ) রয়েছে, এর দাবী হচ্ছে যে, তাওয়াফের সূচনা এটাকে আদব ও সম্মানের সাথে স্পর্শ করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর রীতি এটাই ছিল এবং সাহাবায়ে কেরাম তাঁর কাছ থেকে এটাই শিখেছিলেন।
বিদায় হজ্বের আলোচনায় হজ্বের প্রায় সকল আমল ও কর্মকাণ্ডের উল্লেখ ঘটনার রূপে এসে গিয়েছে। এখন পৃথক পৃথকভাবে এর গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও রুকনসমূহের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নির্দেশাবলী ও তাঁর কর্মপদ্ধতি জানার জন্য নিম্নের হাদীসগুলো পাঠ করে নিন।
মক্কায় প্রবেশ ও প্রথম তাওয়াফ
মক্কা শরীফকে আল্লাহ্ তা'আলা কাবা শরীফ সেখানে অবস্থিত হওয়ার কারণে যে বিশেষ মর্যাদা দান করেছেন এবং এটাকে আল্লাহর নিরাপদ শহর ও হজ্বের কেন্দ্র বানিয়েছেন, এর অনিবার্য দাবী হচ্ছে যে, এখানে প্রবেশ করতে গেলে সতর্কতা ও সম্মানের সাথে প্রবেশ করতে হবে। তারপর কাবা শরীফের দাবী হচ্ছে যে, সর্বপ্রথম এর তাওয়াফ করতে হবে। তারপর এ কাবার এক কোণে স্থাপিত যে একটি পাথর (হাজরে আসওয়াদ) রয়েছে, এর দাবী হচ্ছে যে, তাওয়াফের সূচনা এটাকে আদব ও সম্মানের সাথে স্পর্শ করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর রীতি এটাই ছিল এবং সাহাবায়ে কেরাম তাঁর কাছ থেকে এটাই শিখেছিলেন।
১৭০. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি.-এর খাদেম নাফে' থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর যখনই মক্কায় আসতেন, তখন এখানে প্রবেশ করার পূর্বে তিনি 'যি-তুওয়া' নামক স্থানে রাত্রি যাপন করতেন। (এটা মক্কার নিকটবর্তী একটি জনপদ ছিল।) এখানে তিনি সকাল হলে গোসল করতেন ও নামায পড়তেন। তারপর দিনের বেলা মক্কায় প্রবেশ করতেন। আর তিনি যখন মক্কা থেকে ফেরত যেতেন, তখনও যি-তুওয়ায় রাত্রি যাপন করে সকাল বেলা ফিরে যেতেন। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর বলতেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমনই করতেন। -বুখারী, মুসলিম
کتاب الحج
عَنْ نَافِعٍ قَالَ : أَنَّ ابْنَ عُمَرَ : « كَانَ لَا يَقْدَمُ مَكَّةَ إِلَّا بَاتَ بِذِي طَوًى ، حَتَّى يُصْبِحَ وَيَغْتَسِلَ فَيَدْخُلُ مَكَّةَ نَهَارًا ، وَإِذَا نَفَرَ مِنْهَا مَرَّ بِذِىْ طُوًى وَبَاتَ بِهَا حَتَّى يُصْبِحَ وَيَذْكُرُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ فَعَلَهُ » (رواه البخارى ومسلم)