মা'আরিফুল হাদীস
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
হাদীস নং: ৩০১
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
মুসলমানদের কোনো বৈঠকই আল্লাহর জিকির এবং নবী ﷺ–এর ওপর দরুদ পাঠ থেকে খালি হওয়া উচিত নয়
৩০১. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যেখানে কিছুসংখ্যক লোক বসে এবং সে বৈঠকে তারা আল্লাহর স্মরণ অথবা তাদের নবীর প্রতি দরূদ পাঠ করে না (অর্থাৎ তাদের সে মজলিস যিকরুল্লাহ ও নবীর প্রতি দরূদ পাঠ থেকে সম্পূর্ণ শূন্য হয়) তাহলে (কিয়ামতে) তা তাদের জন্যে আক্ষেপ ও ক্ষতির কারণ হবে। আল্লাহ চাইলে এ জন্যে তাদেরকে শাস্তিও দিতে পারেন আবার তিনি চাইলে তাদের সে অপরাধ ক্ষমাও করতে পারেন। - (জামে' তিরমিযী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا جَلَسَ قَوْمٌ مَجْلِسًا لَمْ يَذْكُرُوا اللَّهَ فِيهِ، وَلَمْ يُصَلُّوا عَلَى نَبِيِّهِمْ، إِلَّا كَانَ عَلَيْهِمْ تِرَةً فَإِنْ شَاءَ عَذَّبَهُمْ وَإِنْ شَاءَ غَفَرَ لَهُمْ» (رواه الترمذى)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীস থেকে বুঝা গেল যে, মুসলমানদের কোন মজলিসই এমন হওয়া চাই না, যাতে আল্লাহর যিকর বা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি দরূদ ও সালাম একেবারেই হবে না। জীবনের কোন একটি মজলিসও এরূপ গিয়ে থাকলে কিয়ামতের দিন এ জন্যে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং এ জন্যে সেখান অত্যন্ত লজ্জিত ও অনুতপ্ত হতে হবে। তারপর ইচ্ছে করলে আল্লাহ তা'আলা এ জন্যে তাকে শাস্তিও দিতে পারেন আবার ক্ষমাও করে দিতে পারেন।
ঐ একই বক্তব্য প্রায় একই শব্দমালা যোগে ১. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) ছাড়াও ২. হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রা), ৩. হযরত আবূ উমামা বাহেলী (রা), ৪. হযরত ওয়াছেলা ইবনুল আসকা (রা) প্রমুখ সাহাবীর যবানীতে বিভিন্ন হাদীসের কিতাবে বর্ণিত হয়েছে।
ঐ একই বক্তব্য প্রায় একই শব্দমালা যোগে ১. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) ছাড়াও ২. হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রা), ৩. হযরত আবূ উমামা বাহেলী (রা), ৪. হযরত ওয়াছেলা ইবনুল আসকা (রা) প্রমুখ সাহাবীর যবানীতে বিভিন্ন হাদীসের কিতাবে বর্ণিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)