মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)

৮- রোযার অধ্যায়

হাদীস নং: ২০২১
- রোযার অধ্যায়
৪. প্রথম অনুচ্ছেদ - মুসাফিরের সওম
২০২১। হযরত জাবের (রাঃ) বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সফরে ছিলেন। (এক স্থানে) লোকের ভীড় দেখিলেন এবং দেখিলেন, এক ব্যক্তির উপর ছায়া দেওয়া হইয়াছে। তিনি জিজ্ঞাসা করিলেন, এ কি? লোকেরা বলিল, এক রোযাদার। হুযুর বলিলেনঃ সফরে রোযা রাখা নেকীর কাজ নহে। —মোত্তাঃ
كتاب الصوم
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفَرٍ فَرَأَى زِحَامًا وَرَجُلًا قَدْ ظُلِّلَ عَلَيْهِ فَقَالَ: «مَا هَذَا؟» قَالُوا: صَائِمٌ. فَقَالَ: «لَيْسَ مِنَ الْبِرِّ الصَّوْمُ فِي السَّفَرِ»

হাদীসের ব্যাখ্যা:

হুযুর (ﷺ)-এর উদ্দেশ্য এ ছিল যে, যেহেতু সফরের অবস্থায় আল্লাহ্ তা'আলা রোযা না রাখার অনুমতি ও অবকাশ দিয়েছেন, আর আমি নিজেও এর উপর আমল করি। তাই মুসলমানদের কারো জন্য এ অবস্থায় রোযা রাখা যে, নিজেও পড়ে যায় আর অন্যরাও তার খেদমতে ব্যস্ত হতে বাধ্য হয়ে যায়, এটা তো কোন পুণ্যের কাজ নয়। এমন অবস্থায় তো আল্লাহর দেওয়া অবকাশের উপর আমল করে রোযা ছেড়ে দেওয়াই উচিত। আর এতেই থাকবে আল্লাহর সন্তুষ্টি।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান