মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
১০- যাবতীয় দোয়া-যিক্র
হাদীস নং: ২৩৫২
- যাবতীয় দোয়া-যিক্র
২. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - ক্ষমা ও তাওবাহ্
২৩৫২। হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) বলেন, আমি একই মজলিসে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর এস্তেগফার একশত বার গুণিতাম — তিনি বলিতেছেনঃ 'রাব্বিগ্-ফিরলী, ওয়াতুব আলাইয়্যা, ইন্নাকা আস্তাত্ তাওয়্যাবুল গাফূর', – পরওয়ারদেগার! তুমি আমাকে মাফ কর এবং আমার তওবা কবুল কর। কেননা, তুমি হও তওবা কবুল করনেওয়ালা ও মাফ করনেওয়ালা। —আহমদ, তিরমিযী, আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ্
كتاب الدعوات
وَعَن ابْن عمر قَالَ: إِنْ كُنَّا لَنَعُدُّ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْمَجْلِسِ يَقُولُ: «رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُورُ» مِائَةَ مَرَّةٍ. رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা)-এর এ বর্ণনার অর্থ এটা নয় যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ ওজীফাস্বরূপ এক এক বৈঠকে একশ'বার করে তাওবা ইস্তিগফার সূচক এ দু'আটি পাঠ করতেন, বরং তিনি যা বুঝাতে চেয়েছেন তা হলো, তিনি মজলিসে বসে স্বাভাবিকভাবে কথাবার্তা বলতেন। আমরা সে মজলিসে হাযির থাকতাম। কথার ফাঁকে ফাঁকে তিনি বার বার আল্লাহ্ দিকে নিবিষ্ট হয়ে এ কালিমাগুলোর মাধ্যমে তাওবা ইস্তিগফারও করতে থাকতেন। আমরা নিজেদের মত তা গুণে গুণে দেখতাম, একই মজলিসে আল্লাহর দরবারে তাঁর এ ইস্তিগফার শতবার হয়ে গেছে! আল্লাহই বেহতর জানেন!
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)