মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
১৮- শরীআতের দন্ড বিধি অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৬৫৩
- শরীআতের দন্ড বিধি অধ্যায়
৬. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - মদের বর্ণনা ও মধ্যপায়ীকে ভীতিপ্রদর্শন করা
৩৬৫৩। হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলিয়াছেনঃ মাতা-পিতার সঙ্গে নাফরমানী (দুর্ব্যবহার)-কারী, জুয়াড়ি, উপকার করিয়া খোঁটাদানকারী ও হামেশা মদ্যপায়ী বেহেশতে প্রবেশ করিবে না। — দারেমী, দারেমীর অন্য আরেক রেওয়ায়তে জুয়াড়ির পরিবর্তে আছে, জারজ সন্তান বেহেশতে প্রবেশ করিবে না।
كتاب الحدود
وَعَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ عَاقٌّ وَلَا قَمَّارٌ وَلَا مَنَّانٌ وَلَا مُدْمِنُ خَمْرٍ» . رَوَاهُ الدَّارِمِيُّ وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ: «وَلَا وَلَدَ زِنْيَةٍ» بَدَلَ «قمار»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
১. ‘জারজ সন্তান জান্নাতে প্রবেশ করিবে না' অর্থ, যদি সে তাহার পিতা-মাতার ন্যায় এই এই কাজে লিপ্ত হয়। এই শব্দের দ্বারা ইঙ্গিত করা হইয়াছে যে, হারাম বীর্যে যেই সন্তান জন্ম লাভ করে, সেও সাধারণতঃ হারাম কাজে লিপ্ত থাকে। অথবা স্বয়ং ব্যভিচারীকে জারজ সন্তান বলা হইয়াছে। যেন তাহার কুকর্মের দ্বারা প্রমাণ করিতেছে যে, সে এই পদার্থ হইতে জন্মিয়াছে।
২. প্রতারণা, কৃপণতা এবং দানের প্রচার তিনটি মন্দ অভ্যাস। এগুলো মানুষকে জান্নাতের রাস্তা থেকে দূরে নিয়ে যায়। জান্নাতী মানুষের লক্ষণ হল যিনি মানুষের কল্যাণ করেন এবং অন্যের জন্য এমন জিনিস পসন্দ করেন, যা নিজের জন্য পসন্দ করেন। প্রতারক মানুষের লোকসান করে এবং নিজের জন্য যা অপসন্দ করে তা অন্যের জন্য পসন্দ করে। জান্নাতী ব্যক্তি দানশীল। আল্লাহর পথে দান-খয়রাত করে সর্বদা তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিল করেন। কিন্তু কৃপণ ব্যক্তি মনে করে আল্লাহর পথে সম্পদ ব্যয় করলে সম্পদ হ্রাস পাবে। জান্নাতী ব্যক্তি দান-খয়রাত গোপনে করেন। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করেন। তিনি কখনো তার দান-খয়রাতের প্রচার করেন না। ইহসান বা অনুগ্রহ প্রচারক ব্যক্তি আল্লাহর সন্তষ্টির জন্য মানুষের উপকার করে না। সে মানুষের বাহবা কুড়ানো ও সম্মান লাভের জন্য দান-খয়রাত, সাহায্য-সহযোগিতা করে, আল্লাহর রাব্বুল আলামীন এ ধরনের কাজ খুব অপসন্দ করেন এবং যে কাজ তাঁর জন্য করা হয়নি তিনি তার প্রতিদান দিবেন না। তাই প্রতারক, কৃপণ এবং ইহসান প্রচারক জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
২. প্রতারণা, কৃপণতা এবং দানের প্রচার তিনটি মন্দ অভ্যাস। এগুলো মানুষকে জান্নাতের রাস্তা থেকে দূরে নিয়ে যায়। জান্নাতী মানুষের লক্ষণ হল যিনি মানুষের কল্যাণ করেন এবং অন্যের জন্য এমন জিনিস পসন্দ করেন, যা নিজের জন্য পসন্দ করেন। প্রতারক মানুষের লোকসান করে এবং নিজের জন্য যা অপসন্দ করে তা অন্যের জন্য পসন্দ করে। জান্নাতী ব্যক্তি দানশীল। আল্লাহর পথে দান-খয়রাত করে সর্বদা তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিল করেন। কিন্তু কৃপণ ব্যক্তি মনে করে আল্লাহর পথে সম্পদ ব্যয় করলে সম্পদ হ্রাস পাবে। জান্নাতী ব্যক্তি দান-খয়রাত গোপনে করেন। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করেন। তিনি কখনো তার দান-খয়রাতের প্রচার করেন না। ইহসান বা অনুগ্রহ প্রচারক ব্যক্তি আল্লাহর সন্তষ্টির জন্য মানুষের উপকার করে না। সে মানুষের বাহবা কুড়ানো ও সম্মান লাভের জন্য দান-খয়রাত, সাহায্য-সহযোগিতা করে, আল্লাহর রাব্বুল আলামীন এ ধরনের কাজ খুব অপসন্দ করেন এবং যে কাজ তাঁর জন্য করা হয়নি তিনি তার প্রতিদান দিবেন না। তাই প্রতারক, কৃপণ এবং ইহসান প্রচারক জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
২. ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)