শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ

৬. হজ্বের অধ্যায়

হাদীস নং: ৪১৩৯
হজ্বের অধ্যায়
হজ্জব্রত পালনে অবরুদ্ধ ব্যক্তির বিধান
৪১৩৯। ইউনুস (রাহঃ) ….. ইব্‌ন উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, বাধাগ্রস্ত ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত ইহরাম খুলে হালাল হতে পারবে না যতক্ষণ না বায়তুল্লাহ্ শরীফের তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করবে। যদি সে পােশাক পরিধান কিংবা ঔষধ ব্যবহারে বাধ্য হয় তবে তা করবে এবং ফিদয়া আদায় করবে।

রাসূলুল্লাহ(ﷺ)-এর সাহাবীগণ থেকে বর্ণিত এই সমস্ত রিওয়ায়াত থেকেও সেই বিষয়টি-ই প্রমাণিত হয়েছে, যা আমরা হাজ্জাজ (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াতের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বর্ণনা করেছি।

তারপর (আলিমগণ) ঐ বাধাগ্রস্ত হওয়ার উল্লিখিত হুকুম সম্পর্কে মত বিরােধ করেছেন যে, এর কারণ কি? কোন্ জিনিসের দ্বারা বা কোন্ অর্থে বাধাগ্রস্ততা সাব্যস্ত হয় ? একদল ('আলিম) বলেন, যে ব্যক্তির মধ্যে রােগ ইত্যাদির কারণে বাধাগ্রস্ততা সৃষ্টি হয় (সেই হল বাধাগ্রস্ত ব্যক্তি)। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ), ইমাম আবু ইউসুফ (রাহঃ) ও ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ)-এর এটাই অভিমত। আর আমরা এই বিষয়টি ইতিপূর্বে এই অনুচ্ছেদেই ইব্‌ন মাস্উদ (রাযিঃ) ও ইব্‌ন আব্বাস (রাযিঃ) থেকেও বর্ণনা করেছি। অন্য একদল ('আলিম) বলেন যে, আমরা যে বাধাগ্রস্ততার হুকুম বর্ণনা করেছি, তা শুধু শক্র'র কারণে হয়ে থাকে, রােগের কারণে হয় না। আর এটা-ই হল ইব্‌ন উমার (রাযিঃ)-এর অভিমত।
كتاب مناسك الحج
4139 - حَدَّثَنَا يُونُسُ , قَالَ أنا ابْنُ وَهْبٍ , أَنَّ مَالِكًا , حَدَّثَهُ , عَنِ ابْنِ شِهَابٍ , عَنْ سَالِمٍ , عَنِ ابْنِ عُمَرَ , أَنَّهُ قَالَ: " [ص:252] الْمُحْصَرِ لَا يَحِلُّ حَتَّى يَطُوفَ بِالْبَيْتِ , وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ , وَإِنِ اضْطُرَّ إِلَى شَيْءٍ مِنْ لُبْسِ الثِّيَابِ الَّتِي لَا بُدَّ لَهُ مِنْهَا , وَالدَّوَاءِ , صَنَعَ ذَلِكَ وَافْتَدَى فَقَدْ ثَبَتَ بِهَذِهِ الرِّوَايَاتِ أَيْضًا , عَنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , مَا يُوَافِقُ مَا تَأَوَّلْنَا عَلَيْهِ حَدِيثَ الْحَجَّاجِ الَّذِي ذَكَرْنَاهُ. ثُمَّ اخْتَلَفَ النَّاسُ بَعْدَ هَذِهِ فِي الْإِحْصَارِ الَّذِي هَذَا حُكْمُهُ , بِأَيِّ شَيْءٍ هُوَ؟ أَوْ بِأَيِّ مَعْنًى يَكُونُ. فَقَالَ قَوْمٌ: يَكُونُ بِكُلِّ حَابِسٍ يَحْبِسُهُ مِنْ مَرَضٍ أَوْ غَيْرِهِ , وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ وَأَبِي يُوسُفَ وَمُحَمَّدٍ رَحِمَهُمُ اللهُ وَقَدْ رَوَيْنَا ذَلِكَ أَيْضًا فِيمَا تَقَدَّمَ مِنْ هَذَا الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمْ. وَقَالَ آخَرُونَ: لَا يَكُونُ الْإِحْصَارُ الَّذِي حُكْمُهُ مَا وَصَفْنَا , إِلَّا بِالْعَدُوِّ خَاصَّةً , وَلَا يَكُونُ بِالْأَمْرَاضِ وَهُوَ قَوْلُ ابْنِ عُمَرَ
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান
ত্বহাবী শরীফ - হাদীস নং ৪১৩৯ | মুসলিম বাংলা