শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৩. যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৪৯১
যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
১. পরস্পরে অতিরিক্ত লেন-দেন করে গমের বিনিময়ে যব বিক্রয় প্রসঙ্গ
৫৪৯১। আলী ইবনে শায়বা বলেন, ইয়াযীদ ইবন হারুন ..... উবাদা ইবনে ছামিত হতে বর্ণিত। একবার তিনি দাঁড়িয়ে বললেন, হে লোক সকল, তােমরা বহু রকমের ক্রয়-বিক্রয় নব উদ্ভাবন করেছ। আমি জানিনা সেগুলাের বৈধতা কী? তবে সােনাকে সােনার সমান ওযন করে বিক্রয় করবে। মুদ্রাকৃতির নয় সেটাকে যেমন, মুদ্রাকৃতি যেটা সেটাকেও তেমন। আর রূপাকে রূপার বিনিময়ে সমান ওযন করে বিক্রয় করবে। হােক মুদ্রা বা অমুদ্রা। আর সােনাকে রূপার বিনিময়ে নগদ বেশ-কম পরিমাণে বিক্রয় করায় কোন অসুবিধা নেই। তবে বাকী বিক্রয় করা যাবে না। আর গমকে গমের বিনিময়ে এক ‘মুদ্দ’ এক ‘মুদ্দের’ বিনিময়ে নগদ বিক্রয় করবে। যবকে যবের বিনিময়ে এক মুদ্দ এক মুদ্দের বিনিময়ে নগদ বিক্রয় করবে। তবে যবকে গমের বিনিময়ে যে ক্ষেত্রে যবের পরিমাণ অধিক হয়, নগদ ক্রয়-বিক্রয়ে কোন ক্ষতি নেই। তবে এ ক্ষেত্রে বাকী বিক্রয় করা সঠিক নয়। আর খেজুরকে খেজুরের বিনিময়ে সমান সমান নগদ বিক্রয় করবে। এমন কি তিনি লবণের কথাও উল্লেখ করলেন। এসব ক্ষেত্রে যে বেশ-কমে লেনদেন করালাে, সে সুদী কারবার করল।
আবু জাফর তাহাবী (রাহঃ) বলেনঃ এই যে হযরত উবাদা ইবন ছামিত (রাযিঃ) তাে হযরত মা'মার (রাযিঃ)-এর ঐ মতের বিরােধিতা করেছেন, যা আমরা প্রথম হাদীসের আলােচনায় উল্লেখ করেছি। আর হযরত উবাদা ইবন ছামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত বক্তব্যটি খােদ রাসূলুল্লাহ হতেও বর্ণিতঃ
আবু জাফর তাহাবী (রাহঃ) বলেনঃ এই যে হযরত উবাদা ইবন ছামিত (রাযিঃ) তাে হযরত মা'মার (রাযিঃ)-এর ঐ মতের বিরােধিতা করেছেন, যা আমরা প্রথম হাদীসের আলােচনায় উল্লেখ করেছি। আর হযরত উবাদা ইবন ছামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত বক্তব্যটি খােদ রাসূলুল্লাহ হতেও বর্ণিতঃ
كتاب البيوع و الصرف
5491 - فَإِذَا عَلِيُّ بْنُ شَيْبَةَ قَدْ حَدَّثَنَا , قَالَ: ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ , قَالَ: أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ , عَنْ قَتَادَةَ , عَنْ مُسْلِمِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي الْأَشْعَثِ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ أَنَّهُ قَامَ فَقَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ , إِنَّكُمْ قَدْ أَحْدَثْتُمْ بُيُوعًا , لَا أَدْرِي مَا هِيَ؟ وَإِنَّ الذَّهَبَ بِالذَّهَبِ , وَزْنًا بِوَزْنٍ , تِبْرَهُ وَعَيْنَهُ , وَالْفِضَّةَ بِالْفِضَّةِ , وَزْنًا بِوَزْنٍ , تِبْرَهَا وَعَيْنَهَا , وَلَا بَأْسَ بِبَيْعِ الذَّهَبِ بِالْفِضَّةِ , وَالْفِضَّةُ أَكْثَرُهُمَا , يَدًا بِيَدٍ , وَلَا يَصْلُحُ نَسِيئًا , وَالْبُرُّ بِالْبُرِّ , مُدًّا بِمُدٍّ , يَدًا بِيَدٍ , وَالشَّعِيرُ بِالشَّعِيرِ , مُدًّا بِمُدٍّ , يَدًا بِيَدٍ , وَلَا بَأْسَ بِبَيْعِ الشَّعِيرِ بِالْبُرِّ , وَالشَّعِيرُ أَكْثَرُهُمَا , يَدًا بِيَدٍ , وَلَا يَصِحُّ نَسِيئَةً , وَالتَّمْرُ بِالتَّمْرِ , حَتَّى عَدَّ الْمِلْحَ , مِثْلًا بِمِثْلٍ , مَنْ زَادَ أَوِ اسْتَزَادَ , فَقَدْ أَرْبَى» قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ: فَهَذَا عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ رِضْوَانُ اللهِ عَلَيْهِ قَدْ خَالَفَ مَعْمَرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ فِيمَا ذَهَبَ إِلَيْهِ , عَلَى مَا ذَكَرْنَا عَنْهُ فِي الْحَدِيثِ الْأَوَّلِ. وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ هَذَا الْكَلَامُ , عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ