শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৩. যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৫১৪
যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
৩. আমদানি মাল ধরা
৫৫১৪। রাবী' আল-জীযী বলেন, হাসসান ইবনে গালিব ..... হযরত ইবন উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তারা (সাহাবা-ই কিরাম) রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) -এর যুগে কাফেলার নিকট হতে খাদ্য ক্রয় করতেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাদের নিকট এমন কিছু লোক পাঠিয়ে দিতেন, যারা তাদেরকে তাদের ক্রয়ের স্থানে বিক্রয় করতে বাধা দিতাে। যাবত না তারা খাদ্য বিক্রয়ের স্থানে (বাজারে) পৌঁছতাে।
মােট কথা, এসকল হাদীসে পণ্য ধরে ফেলার বৈধতা রয়েছে, আর প্রথমােক্ত হাদীসগুলােতে রয়েছে এর নিষিদ্ধতা। অতএব দু' প্রকার হাদীসের মধ্যে বিরােধ মীমাংসা করে উভয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হলাে উত্তম ব্যবস্থা। সুতরাং শহরে বসবাসকারী নাগরিকদের জন্য যে ক্ষেত্রে ক্ষতিকর হবে, সে ক্ষেত্রে তাে তা নিষিদ্ধ হবে। আর যে ক্ষেত্রে ক্ষতিকর হবে না সে ক্ষেত্রে জায়িয হবে। আমাদের মতে হাদীসসমূহের ব্যাখ্যা এটাই والله اعلم
বহিরাগত ব্যবসায়ীদেরকে পথেই ধরে ফেলা নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও তাদের নিকট হতে মাল ক্রয় করা যে জায়িয, একথা তারা নিমের হাদীস দ্বারা প্রমাণ করেনঃ
মােট কথা, এসকল হাদীসে পণ্য ধরে ফেলার বৈধতা রয়েছে, আর প্রথমােক্ত হাদীসগুলােতে রয়েছে এর নিষিদ্ধতা। অতএব দু' প্রকার হাদীসের মধ্যে বিরােধ মীমাংসা করে উভয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হলাে উত্তম ব্যবস্থা। সুতরাং শহরে বসবাসকারী নাগরিকদের জন্য যে ক্ষেত্রে ক্ষতিকর হবে, সে ক্ষেত্রে তাে তা নিষিদ্ধ হবে। আর যে ক্ষেত্রে ক্ষতিকর হবে না সে ক্ষেত্রে জায়িয হবে। আমাদের মতে হাদীসসমূহের ব্যাখ্যা এটাই والله اعلم
বহিরাগত ব্যবসায়ীদেরকে পথেই ধরে ফেলা নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও তাদের নিকট হতে মাল ক্রয় করা যে জায়িয, একথা তারা নিমের হাদীস দ্বারা প্রমাণ করেনঃ
كتاب البيوع و الصرف
5514 - وَحَدَّثَنَا رَبِيعٌ الْجِيزِيُّ , قَالَ: ثنا حَسَّانُ بْنُ غَالِبٍ , قَالَ: ثنا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ , عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ , عَنِ ابْنِ عُمَرَ , أَنَّهُمْ كَانُوا يَشْتَرُونَ الطَّعَامَ مِنَ الرُّكْبَانِ , عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَبْعَثُ عَلَيْهِمْ مَنْ يَمْنَعُهُمْ أَنْ يَبِيعُوهُ حَيْثُ اشْتَرَوْهُ , حَتَّى يُبَلِّغُوهُ إِلَى حَيْثُ يَبِيعُونَ الطَّعَامَ فَفِي هَذِهِ الْآثَارِ إِبَاحَةُ التَّلَقِّي , وَفِي الْأَوَّلِ , النَّهْيُ عَنْهُ , فَأَوْلَى بِنَا أَنْ نَجْعَلَ ذَلِكَ عَلَى غَيْرِ التَّضَادِّ وَالْخِلَافِ. فَيَكُونُ مَا نُهِيَ عَنْهُ مِنَ التَّلَقِّي , لَمَا فِي ذَلِكَ مِنَ الضَّرَرِ عَلَى غَيْرِ الْمُتَلَقِّينَ الْمُقِيمِينَ فِي الْأَسْوَاقِ. وَيَكُونُ مَا أُبِيحَ مِنَ التَّلَقِّي , هُوَ الَّذِي لَا ضَرَرَ فِيهِ عَلَى الْمُقِيمِينَ فِي الْأَسْوَاقِ. فَهَذَا وَجْهُ هَذِهِ الْآثَارِ عِنْدَنَا وَاللهُ أَعْلَمُ
وَاحْتَجُّوا فِي إِجَازَةِ الشِّرَاءِ مَعَ التَّلَقِّي الْمَنْهِيِّ عَنْهُ بِمَا
وَاحْتَجُّوا فِي إِجَازَةِ الشِّرَاءِ مَعَ التَّلَقِّي الْمَنْهِيِّ عَنْهُ بِمَا