শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৩. যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৫৪৭
আন্তর্জাতিক নং: ৫৫৪৮
যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
৪. প্রসঙ্গ ক্রেতা-বিক্রেতার ইখতিয়ার যাবত না তারা প্রথক হয়
৫৫৪৭-৪৮। সুলাইমান ইবন শুআইব বলেন, বিশর ইবন বকর... হযরত ইবন উমার বলেন, ক্রয় বিক্রয়ের যে মুআমালা কোন প্রাণীকে জীবিত অবস্থায় পায়, সেটা হালাক হয়ে গেলে তা ক্রোতর মাল হতেই হালাক হবে।
ইউনুস বলেন,ইবন ওয়াহব ..... ইবন শিহাব তার সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
আবু জা’ফার তাহাবী (রাহঃ)বলেনঃ এ রিওয়ায়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, জীবিত অবস্থায় কোন প্রাণী ক্রয় করার পর ক্রেতার নিকট হালাক হলে তা ক্রেতার মাল হালাক হবে বলে হযরত ইবন উমার (রাযিঃ) এই যে মত প্রকাশ করেন, এটা একথাই প্রমাণ করে যে,عقد بيع মজলিসে হতে বিচ্ছিন্ন হবার পূর্বেই কথার মাধমেই (ইজাব দ্বরই কবূল) পূর্ন হয়ে যায়। আর এই কথার মাধ্যমেই বিক্রেতার মালিকানা হতে ক্রেতার মালিাকনায় স্থানান্তরিত হয়ে যায়। এমন কি তা হালাক হলে ক্রেতার মাল হতেই হালাক হবে।এই যে রিওয়াত আমরা উল্লেখ করলাম, অধিক فرقة-এর ব্যাপারে হযরত ইবন উমার (রাযিঃ)-এর মাযহাব যে কি, যা তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)হতে শুনেছেন, তা তাদের উল্লেখিত রিওয়ায়াত অপেক্ষা অধিক বেশী প্রমাণ করেন।
আর হযরত আবু বারযা (রাযিঃ) হতে তারা রাসূলুল্লাহ (সা.) এর যে হাদীস উল্লেখ করেছেন, আমাদের মতে তার মধ্যে তাদের দলীল পেশ করার মত কিছুই নেই। কারণ উক্ত হাদীসটি হাম্মাদ ইবন যায়িদ জামীল ইবন মুররা এর মাধ্যমে এরূপ বর্ণনা করেছেনঃ এক ব্যাক্তি তার সাথীর নিকট হতে একটা ঘোড়া বিক্রয় করে রাতের বেলা উক্ত মনযিলে রাত যাপন করে। যখন ভোর হলো তখন লোকটি দাড়িয়ে ঘোড়ায় যীন বাধতে লাগল। তখন সে বললো, তুমি না আমার নিকট ঘোড়াটি বিক্রয় করেছ?(এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদ হলে)তখন হযরত আবু বারযা বললেন, তোমারা ইচ্ছা করলে এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ(সা.) যে সমাধান পেশ করেছেন আমি তোমাদের মাঝে সেই সমাধান পেশ করব । রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ক্রেতাও বিক্রেতার ইখতিয়ার থাকবে, যাবত না তারা পৃথক হবে। আমার ধারনা তোমরা এখন পর্যন্ত পৃথক হওনি । তো এই হাদীসে এমন কথা রয়েছে যা প্রমাণ করে যে, তারা মজলিস হতে শারীরিকভাবে পৃথক হয়ে গিয়েছিলো। কারণ ঘোড়ায় যীন লাগানোর জন্য স্থান পরিবর্তন অনিবার্য; কিন্তু হযরত আবু বারযা (রাযিঃ)তার বক্তব্যে এ দিকটা এড়িয়ে গিয়ে বলেছেন, আমি তো তোমাদেরকে মনে করিনা যে, তোমরা পৃথক হয়েছ। অর্থাৎ তোমরা যখন বিরোধ করেছিলে, একজন দাবী করছ, বিক্র হবার, আর অন্যজন তা অস্বীকার করছ। অতএব তোমরা এমনভাবে পৃথক হওনি, যা দ্বারা ক্রয়-বিক্রয়ের চুক্তি সম্পন্ন হয় । এটা কিন্তু সশরীরে তাদের মজলিস ত্যাগ করার বিপরীত।
এর পর আমরা রাসূলুল্লাহ হতে এমন হাদীসও পয়েছি, যা প্রমাণ করে যে , ক্রেতা বিক্রয় করা বস্তুর মালিক হয়ে যায়, শুধু কবুল করার মাধ্যমে, মজলিস ত্যাগ করার মাধমে নয়। এর প্রমাণ হলো, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, مَنِ ابْتَاعَ طَعَامًا فَلَا يَبِعْهُ حَتَّى يَقْبِضَهُ অর্থাৎ যে ব্যক্তি খাদ্য ক্রয় করল, সে যেন তা কবযা করার আগে তা বিক্রয় না করে। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর এ বক্তব্য একথাই প্রমাণ করে, ক্রেতা ক্রয় করার পর কাবযা করলেই তার পক্ষে বিক্রয় করা হালাল । ।অথচ কখনও এমনও হয় যে, ক্রেতা/বিক্রেতার মজলিস হতে পৃথক হবার পূবেই ক্রেতা তা কবযা করে। অথচ, রাসূলুল্লাহ (সা.)ইরশাদ করেছেন, مَنِ ابْتَاعَ طَعَامًا فَلَا يَبِيعُهُ حَتَّى يَسْتَوْفِيَهُ অর্থাৎ যে ব্যাক্তি খাদ্য ক্রয় করল, সে যেন কবজা করার পূর্বে তা বিক্রয় না করে। ইনশাআল্লাহ আমরা এই গ্রন্থেই যথা স্থানে এসব হাদীস বর্ণনা করব।
ইউনুস বলেন,ইবন ওয়াহব ..... ইবন শিহাব তার সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
আবু জা’ফার তাহাবী (রাহঃ)বলেনঃ এ রিওয়ায়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, জীবিত অবস্থায় কোন প্রাণী ক্রয় করার পর ক্রেতার নিকট হালাক হলে তা ক্রেতার মাল হালাক হবে বলে হযরত ইবন উমার (রাযিঃ) এই যে মত প্রকাশ করেন, এটা একথাই প্রমাণ করে যে,عقد بيع মজলিসে হতে বিচ্ছিন্ন হবার পূর্বেই কথার মাধমেই (ইজাব দ্বরই কবূল) পূর্ন হয়ে যায়। আর এই কথার মাধ্যমেই বিক্রেতার মালিকানা হতে ক্রেতার মালিাকনায় স্থানান্তরিত হয়ে যায়। এমন কি তা হালাক হলে ক্রেতার মাল হতেই হালাক হবে।এই যে রিওয়াত আমরা উল্লেখ করলাম, অধিক فرقة-এর ব্যাপারে হযরত ইবন উমার (রাযিঃ)-এর মাযহাব যে কি, যা তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)হতে শুনেছেন, তা তাদের উল্লেখিত রিওয়ায়াত অপেক্ষা অধিক বেশী প্রমাণ করেন।
আর হযরত আবু বারযা (রাযিঃ) হতে তারা রাসূলুল্লাহ (সা.) এর যে হাদীস উল্লেখ করেছেন, আমাদের মতে তার মধ্যে তাদের দলীল পেশ করার মত কিছুই নেই। কারণ উক্ত হাদীসটি হাম্মাদ ইবন যায়িদ জামীল ইবন মুররা এর মাধ্যমে এরূপ বর্ণনা করেছেনঃ এক ব্যাক্তি তার সাথীর নিকট হতে একটা ঘোড়া বিক্রয় করে রাতের বেলা উক্ত মনযিলে রাত যাপন করে। যখন ভোর হলো তখন লোকটি দাড়িয়ে ঘোড়ায় যীন বাধতে লাগল। তখন সে বললো, তুমি না আমার নিকট ঘোড়াটি বিক্রয় করেছ?(এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদ হলে)তখন হযরত আবু বারযা বললেন, তোমারা ইচ্ছা করলে এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ(সা.) যে সমাধান পেশ করেছেন আমি তোমাদের মাঝে সেই সমাধান পেশ করব । রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ক্রেতাও বিক্রেতার ইখতিয়ার থাকবে, যাবত না তারা পৃথক হবে। আমার ধারনা তোমরা এখন পর্যন্ত পৃথক হওনি । তো এই হাদীসে এমন কথা রয়েছে যা প্রমাণ করে যে, তারা মজলিস হতে শারীরিকভাবে পৃথক হয়ে গিয়েছিলো। কারণ ঘোড়ায় যীন লাগানোর জন্য স্থান পরিবর্তন অনিবার্য; কিন্তু হযরত আবু বারযা (রাযিঃ)তার বক্তব্যে এ দিকটা এড়িয়ে গিয়ে বলেছেন, আমি তো তোমাদেরকে মনে করিনা যে, তোমরা পৃথক হয়েছ। অর্থাৎ তোমরা যখন বিরোধ করেছিলে, একজন দাবী করছ, বিক্র হবার, আর অন্যজন তা অস্বীকার করছ। অতএব তোমরা এমনভাবে পৃথক হওনি, যা দ্বারা ক্রয়-বিক্রয়ের চুক্তি সম্পন্ন হয় । এটা কিন্তু সশরীরে তাদের মজলিস ত্যাগ করার বিপরীত।
এর পর আমরা রাসূলুল্লাহ হতে এমন হাদীসও পয়েছি, যা প্রমাণ করে যে , ক্রেতা বিক্রয় করা বস্তুর মালিক হয়ে যায়, শুধু কবুল করার মাধ্যমে, মজলিস ত্যাগ করার মাধমে নয়। এর প্রমাণ হলো, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, مَنِ ابْتَاعَ طَعَامًا فَلَا يَبِعْهُ حَتَّى يَقْبِضَهُ অর্থাৎ যে ব্যক্তি খাদ্য ক্রয় করল, সে যেন তা কবযা করার আগে তা বিক্রয় না করে। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর এ বক্তব্য একথাই প্রমাণ করে, ক্রেতা ক্রয় করার পর কাবযা করলেই তার পক্ষে বিক্রয় করা হালাল । ।অথচ কখনও এমনও হয় যে, ক্রেতা/বিক্রেতার মজলিস হতে পৃথক হবার পূবেই ক্রেতা তা কবযা করে। অথচ, রাসূলুল্লাহ (সা.)ইরশাদ করেছেন, مَنِ ابْتَاعَ طَعَامًا فَلَا يَبِيعُهُ حَتَّى يَسْتَوْفِيَهُ অর্থাৎ যে ব্যাক্তি খাদ্য ক্রয় করল, সে যেন কবজা করার পূর্বে তা বিক্রয় না করে। ইনশাআল্লাহ আমরা এই গ্রন্থেই যথা স্থানে এসব হাদীস বর্ণনা করব।
كتاب البيوع و الصرف
5547 - وَذَلِكَ أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ شُعَيْبٍ قَدْ حَدَّثَنَا , قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ بَكْرٍ , قَالَ: حَدَّثَنِي الْأَوْزَاعِيُّ , قَالَ: حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ , عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللهِ " أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ: مَا أَدْرَكَتِ الصَّفْقَةُ حَيًّا فَهُوَ مِنْ مَالِ الْمُبْتَاعِ "
5548 - حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ. قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ: فَهَذَا ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا , قَدْ كَانَ يَذْهَبُ فِيمَا أَدْرَكَتِ الصَّفْقَةُ حَيًّا , فَهَلَكَ بَعْدَهَا , أَنَّهُ مِنْ مَالِ الْمُشْتَرِي. فَدَلَّ ذَلِكَ أَنَّهُ كَانَ يَرَى أَنَّ الْبَيْعَ يَتِمُّ بِالْأَقْوَالِ قَبْلَ الْفُرْقَةِ , الَّتِي تَكُونُ بَعْدَ ذَلِكَ , وَأَنَّ الْبَيْعَ يَنْتَقِلُ بِتِلْكَ الْأَقْوَالِ مِنْ مِلْكِ الْبَائِعِ إِلَى مِلْكِ الْمُبْتَاعِ , حَتَّى يَهْلِكَ مِنْ مَالِهِ إِنْ هَلَكَ. فَهَذَا الَّذِي ذَكَرْنَا , أَدَلُّ عَلَى مَذْهَبِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا , فِي الْفُرْقَةِ الَّتِي سَمِعَهَا مِنَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِمَّا ذَكَرُوا. وَأَمَّا مَا ذَكَرُوا , عَنْ أَبِي بَرْزَةَ , عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَا حُجَّةَ لَهُمْ فِيهِ أَيْضًا عِنْدَنَا لِأَنَّ ذَلِكَ الْحَدِيثَ إِنَّمَا هُوَ فِيمَا رَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ , عَنْ جَمِيلِ بْنِ مُرَّةَ , أَنَّ رَجُلًا بَاعَ صَاحِبَهُ فَرَسًا , فَبَاتَا فِي مَنْزِلٍ , فَلَمَّا أَصْبَحَا , قَامَ الرَّجُلُ يُسْرِجُ فَرَسَهُ , فَقَالَ لَهُ: بِعْتَنِي، فَقَالَ أَبُو بَرْزَةَ: إِنْ شِئْتُمَا قَضَيْتُ بَيْنَكُمَا بِقَضَاءِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «الْبَيِّعَانِ بِالْخِيَارِ , حَتَّى يَتَفَرَّقَا» وَمَا أَرَاكُمَا تَفَرَّقْتُمَا. فَفِي هَذَا الْحَدِيثِ , مَا يَدُلُّ عَلَى أَنَّهُمَا قَدْ كَانَا تَفَرَّقَا بِأَبْدَانِهِمَا , لِأَنَّ فِيهِ أَنَّ الرَّجُلَ قَامَ يُسْرِجُ فَرَسَهُ , فَقَدْ تَنَحَّى بِذَلِكَ مِنْ مَوْضِعٍ إِلَى مَوْضِعٍ. فَلَمْ يُرَاعِ أَبُو بَرْزَةَ ذَلِكَ , وَقَالَ: مَا أَرَاكُمَا تَفَرَّقْتُمَا، أَيْ لَمَّا كُنْتُمَا مُتَشَاجِرَيْنِ أَحَدُكُمَا يَدَّعِي الْبَيْعَ , وَالْآخَرُ يُنْكِرُهُ , لَمْ تَكُونَا تَفَرَّقْتُمَا الْفُرْقَةَ , الَّتِي يَتِمُّ بِهَا الْبَيْعُ , وَهِيَ خِلَافُ مَا قَدْ تَفَرَّقَا بِأَبْدَانِهِمَا. ثُمَّ بَعْدَ هَذَا , فَقَدْ وَجَدْنَا عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا يَدُلُّ عَلَى أَنَّ الْمَبِيعَ يَمْلِكُهُ الْمُشْتَرِي بِالْقَوْلِ , دُونَ التَّفَرُّقِ بِالْأَبْدَانِ. وَذَلِكَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ «مَنِ ابْتَاعَ طَعَامًا فَلَا يَبِعْهُ حَتَّى يَقْبِضَهُ» . فَكَانَ ذَلِكَ دَلِيلًا عَلَى أَنَّهُ إِذَا قَبَضَهُ , حَلَّ لَهُ بَيْعُهُ , وَقَدْ يَكُونُ قَابِضًا لَهُ قَبْلَ افْتِرَاقِ بَدَنِهِ وَبَدَنِ بَائِعِهِ. وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «مَنِ ابْتَاعَ طَعَامًا فَلَا يَبِيعُهُ حَتَّى يَسْتَوْفِيَهُ» وَسَنَذْكُرُ هَذِهِ الْآثَارَ فِي مَوَاضِعِهَا مِنْ كِتَابِنَا هَذَا , إِنْ شَاءَ اللهُ تَعَالَى
5548 - حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ. قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ: فَهَذَا ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا , قَدْ كَانَ يَذْهَبُ فِيمَا أَدْرَكَتِ الصَّفْقَةُ حَيًّا , فَهَلَكَ بَعْدَهَا , أَنَّهُ مِنْ مَالِ الْمُشْتَرِي. فَدَلَّ ذَلِكَ أَنَّهُ كَانَ يَرَى أَنَّ الْبَيْعَ يَتِمُّ بِالْأَقْوَالِ قَبْلَ الْفُرْقَةِ , الَّتِي تَكُونُ بَعْدَ ذَلِكَ , وَأَنَّ الْبَيْعَ يَنْتَقِلُ بِتِلْكَ الْأَقْوَالِ مِنْ مِلْكِ الْبَائِعِ إِلَى مِلْكِ الْمُبْتَاعِ , حَتَّى يَهْلِكَ مِنْ مَالِهِ إِنْ هَلَكَ. فَهَذَا الَّذِي ذَكَرْنَا , أَدَلُّ عَلَى مَذْهَبِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا , فِي الْفُرْقَةِ الَّتِي سَمِعَهَا مِنَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِمَّا ذَكَرُوا. وَأَمَّا مَا ذَكَرُوا , عَنْ أَبِي بَرْزَةَ , عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَا حُجَّةَ لَهُمْ فِيهِ أَيْضًا عِنْدَنَا لِأَنَّ ذَلِكَ الْحَدِيثَ إِنَّمَا هُوَ فِيمَا رَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ , عَنْ جَمِيلِ بْنِ مُرَّةَ , أَنَّ رَجُلًا بَاعَ صَاحِبَهُ فَرَسًا , فَبَاتَا فِي مَنْزِلٍ , فَلَمَّا أَصْبَحَا , قَامَ الرَّجُلُ يُسْرِجُ فَرَسَهُ , فَقَالَ لَهُ: بِعْتَنِي، فَقَالَ أَبُو بَرْزَةَ: إِنْ شِئْتُمَا قَضَيْتُ بَيْنَكُمَا بِقَضَاءِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «الْبَيِّعَانِ بِالْخِيَارِ , حَتَّى يَتَفَرَّقَا» وَمَا أَرَاكُمَا تَفَرَّقْتُمَا. فَفِي هَذَا الْحَدِيثِ , مَا يَدُلُّ عَلَى أَنَّهُمَا قَدْ كَانَا تَفَرَّقَا بِأَبْدَانِهِمَا , لِأَنَّ فِيهِ أَنَّ الرَّجُلَ قَامَ يُسْرِجُ فَرَسَهُ , فَقَدْ تَنَحَّى بِذَلِكَ مِنْ مَوْضِعٍ إِلَى مَوْضِعٍ. فَلَمْ يُرَاعِ أَبُو بَرْزَةَ ذَلِكَ , وَقَالَ: مَا أَرَاكُمَا تَفَرَّقْتُمَا، أَيْ لَمَّا كُنْتُمَا مُتَشَاجِرَيْنِ أَحَدُكُمَا يَدَّعِي الْبَيْعَ , وَالْآخَرُ يُنْكِرُهُ , لَمْ تَكُونَا تَفَرَّقْتُمَا الْفُرْقَةَ , الَّتِي يَتِمُّ بِهَا الْبَيْعُ , وَهِيَ خِلَافُ مَا قَدْ تَفَرَّقَا بِأَبْدَانِهِمَا. ثُمَّ بَعْدَ هَذَا , فَقَدْ وَجَدْنَا عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا يَدُلُّ عَلَى أَنَّ الْمَبِيعَ يَمْلِكُهُ الْمُشْتَرِي بِالْقَوْلِ , دُونَ التَّفَرُّقِ بِالْأَبْدَانِ. وَذَلِكَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ «مَنِ ابْتَاعَ طَعَامًا فَلَا يَبِعْهُ حَتَّى يَقْبِضَهُ» . فَكَانَ ذَلِكَ دَلِيلًا عَلَى أَنَّهُ إِذَا قَبَضَهُ , حَلَّ لَهُ بَيْعُهُ , وَقَدْ يَكُونُ قَابِضًا لَهُ قَبْلَ افْتِرَاقِ بَدَنِهِ وَبَدَنِ بَائِعِهِ. وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «مَنِ ابْتَاعَ طَعَامًا فَلَا يَبِيعُهُ حَتَّى يَسْتَوْفِيَهُ» وَسَنَذْكُرُ هَذِهِ الْآثَارَ فِي مَوَاضِعِهَا مِنْ كِتَابِنَا هَذَا , إِنْ شَاءَ اللهُ تَعَالَى