শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৩. যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৭০৯
যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
১২. কুকুর বিক্রয়ের মূল্য প্রসঙ্গ
৫৭০৯। আহমদ ইবন দাউদ বলেন, ..... আবুয যুবাইর বলেন, একবার আমি হযরত জাবির (রাযিঃ)-এর নিকট কুকুর ও বিড়ালের বিক্রয় মূল্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এ থেকে নিষেধ করেছেন।
আলোচনা
আবু জা'ফর (রাযিঃ) বলেনঃ এক দল উলামা-ই কিরাম* কুকুরের বিক্রয় মূল্যকে হারাম বলে মন্তব্য করেন এবং তারা উল্লেখিত এসব হাীসকে দলীল হিসেবে পেশ করেন। অপর পক্ষে উলামা-ই কিরামের অন্য একটি দল** এর বিপরীত মত পোষণ করেন। তারা বলেন, সব ধরনের কুকুর, যার দ্বারা উপকৃত হওয়া যায়, তার বিক্রয়মূল্য গ্রহণ করায় কোন অসুবিধা নেই। প্রথম মতের অনুসারীদের বিরুদ্ধে তারা যে দলীল পেশ করেন তা হলো, আমাদের ঐসব রিওয়ায়াত যার মধ্যে একথা রয়েছে যে, এক সময় সর্ব প্রকার কুকুর হত্যা করার নির্দেশ ছিল। কোন ধরনের কুকুর রাখা জায়িয ছিলনা। আর সে সময় কুকুর বিক্রয় করা জায়িয ছিলনা এবং তার বিক্রয় মূল্যও হালাল ছিলনা। আর এ বিষয়ে যে মত হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তা হলোঃ
আলোচনা
আবু জা'ফর (রাযিঃ) বলেনঃ এক দল উলামা-ই কিরাম* কুকুরের বিক্রয় মূল্যকে হারাম বলে মন্তব্য করেন এবং তারা উল্লেখিত এসব হাীসকে দলীল হিসেবে পেশ করেন। অপর পক্ষে উলামা-ই কিরামের অন্য একটি দল** এর বিপরীত মত পোষণ করেন। তারা বলেন, সব ধরনের কুকুর, যার দ্বারা উপকৃত হওয়া যায়, তার বিক্রয়মূল্য গ্রহণ করায় কোন অসুবিধা নেই। প্রথম মতের অনুসারীদের বিরুদ্ধে তারা যে দলীল পেশ করেন তা হলো, আমাদের ঐসব রিওয়ায়াত যার মধ্যে একথা রয়েছে যে, এক সময় সর্ব প্রকার কুকুর হত্যা করার নির্দেশ ছিল। কোন ধরনের কুকুর রাখা জায়িয ছিলনা। আর সে সময় কুকুর বিক্রয় করা জায়িয ছিলনা এবং তার বিক্রয় মূল্যও হালাল ছিলনা। আর এ বিষয়ে যে মত হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তা হলোঃ
كتاب البيوع و الصرف
5709 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ دَاوُدَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: ثنا ابْنُ لَهِيعَةَ، قَالَ: ثنا أَبُو الزُّبَيْرِ، قَالَ: سَأَلْتُ جَابِرًا , عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ، وَالسِّنَّوْرِ، فَقَالَ: زَجَرَ عَنْ ذَلِكَ، رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أَبُو جَعْفَرٍ: فَذَهَبَ قَوْمٌ إِلَى تَحْرِيمِ أَثْمَانِ الْكِلَابِ كُلِّهَا , وَاحْتَجُّوا فِي ذَلِكَ بِهَذِهِ الْآثَارِ. وَخَالَفَهُمْ فِي ذَلِكَ آخَرُونَ فَقَالُوا: لَا بَأْسَ بِأَثْمَانِ الْكِلَابِ كُلِّهَا , الَّتِي يُنْتَفَعُ بِهَا. وَكَانَ مِنَ الْحُجَّةِ لَهُمْ فِي ذَلِكَ , عَلَى أَهْلِ الْمَقَالَةِ الْأُولَى , فِيمَا احْتَجُّوا بِهِ عَلَيْهِمْ , مِنَ الْآثَارِ الَّتِي ذَكَرْنَا , أَنَّ الْكِلَابَ , قَدْ كَانَ حُكْمُهَا أَنْ تُقْتَلَ كُلُّهَا , وَلَا يَحِلُّ لِأَحَدٍ إِمْسَاكُ شَيْءٍ مِنْهَا , فَلَمْ يَكُنْ بَيْعُهَا حِينَئِذٍ بِجَائِزِ , وَلَا ثَمَنُهَا بِحَلَالٍ. فَمِمَّا رُوِيَ فِي ذَلِكَ ,
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
* আল্লামা আইনী (র) বলেন, এ সমস্ত উলামা-ই কিরাম দ্বারা হাসান বছরী, রাবীআহ সামাদ ইবন আবী সুলায়মান, আওয়াঈ শাফেঈ, আহমদ, দাউদ এক রিওয়ায়াত মুতাবিক ইমাম মালেক (র) কে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। ইবন কুদামাহ (র) বলেন, কুকুর বিক্রয় করা যে সর্বাস্থায় বাতিল, এ ব্যাপারে কোন মাযহাবে কোন পার্থক্য নেই। হযরত আবূ হুরায়রা (রা) কুকুরে মূল্যকে মাকরূহ বলেন। আর হযরত জাবির (রা) শুধু শিকারী কুকুরের মূল্য গ্রহণ করার অনুমতি প্রদান করেন। আতা ও নখই (র) ও এমত পোষণ করেন।
** আল্লামা আইনী (র) বলেন, এসব উলামা-ই কিরাম দ্বারা আতা ইবন আবী রাবাহ, ইব্রাহীম নাখই, আবূ হানীফা, আবূ ইউসুফ, মুহাম্মদ ও ইবন কানানা (র) প্রমুখ উদ্দেশ্য।
** আল্লামা আইনী (র) বলেন, এসব উলামা-ই কিরাম দ্বারা আতা ইবন আবী রাবাহ, ইব্রাহীম নাখই, আবূ হানীফা, আবূ ইউসুফ, মুহাম্মদ ও ইবন কানানা (র) প্রমুখ উদ্দেশ্য।