শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৪. উপহার ও সাদ্কা প্রদান সংক্রান্ত অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৮৪৫
উপহার ও সাদ্কা প্রদান সংক্রান্ত অধ্যায়
হেবা প্রত্যাহার প্রসঙ্গ
৫৮৪৫। সুলায়মান ইবন শুআয়ব তার পিতা হতে ..... হাম্মাদ ইবরাহীম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন : স্বামী ও স্ত্রী মাহরামের পর্যায়ে অবস্থিত। যখন তাদের একজন তার স্বামীকে হেবা করল, তখন তার জন্য তা রুজু করা জায়েয নয়।
এসব হাদীসে স্বামী-স্ত্রীকে মাহরামের মত বিবেচনা করা হয়েছে। অতএব তাদের প্রত্যেককেই ঐ হেবার মধ্যে রুজু করতে নিষেধ করা হয়েছে যা একে অন্যকে প্রদান করেছে। আমরাও এই মতই পোষণ করি।
হেবা সম্পর্কে আমরা যে মত অবলম্বন করি, এখানে তার বর্ণনা পেশ করছি। আর এসব রিওয়ায়াতের যে অনুসরণ করছি, তার বিবরণ পেশ করছি। কারন যাদের থেকে আমরা এসব রিওয়ায়াত বর্ণনা করছি, তাদের মত অন্য কারো নিকট হতে এসব রিওয়ায়াতের বিপরীত কোন রিওয়ায়াত আমরা জানি না। অতএব উল্লেখিত এ সব রিওয়ায়াতের প্রেক্ষিতে আমরা আমাদের যুক্তি ত্যাগ করে এসব রিওয়ায়াতের অনুকরণ করছি। অথচ আমাদের যুক্তি এর বিপরীত। আর তা হলো, হেবা প্রদানকারী মাহরামকে হেবা করে যেমন তা পুনরায় ফিরিয়ে নিতে পারে না, অনুরূপভাবে অন্যকে হেবা করেও ফেরত নিতে পারবে না। কারন হেবা করার কারণে তার মালিকানা অধিকারের অবসান ঘটেছে এবং যাকে সে হেবা করেছে, উক্ত হেবা করা মালে এখন তারই অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অতএব এখন তার সন্তুষ্টি ব্যতীত তার মালিকানার অবসান ঘটানোর ক্ষমতা তার (মালিকের) নেই। কিন্তু এসব রিওয়ায়াতের অনুসরণ করা এবং আইম্মা-ই কিরামের তাকলীদ করা এ ক্ষেত্রে অধিকতর শ্রেয়। আর এ কারনেই আমরা অনুসরণ ও অনুকরণ করছি।
এ অনুচ্ছেদে আমরা যে সব মন্তব্য পেশ করেছি, তা ইমাম আবু হানীফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ)।
এসব হাদীসে স্বামী-স্ত্রীকে মাহরামের মত বিবেচনা করা হয়েছে। অতএব তাদের প্রত্যেককেই ঐ হেবার মধ্যে রুজু করতে নিষেধ করা হয়েছে যা একে অন্যকে প্রদান করেছে। আমরাও এই মতই পোষণ করি।
হেবা সম্পর্কে আমরা যে মত অবলম্বন করি, এখানে তার বর্ণনা পেশ করছি। আর এসব রিওয়ায়াতের যে অনুসরণ করছি, তার বিবরণ পেশ করছি। কারন যাদের থেকে আমরা এসব রিওয়ায়াত বর্ণনা করছি, তাদের মত অন্য কারো নিকট হতে এসব রিওয়ায়াতের বিপরীত কোন রিওয়ায়াত আমরা জানি না। অতএব উল্লেখিত এ সব রিওয়ায়াতের প্রেক্ষিতে আমরা আমাদের যুক্তি ত্যাগ করে এসব রিওয়ায়াতের অনুকরণ করছি। অথচ আমাদের যুক্তি এর বিপরীত। আর তা হলো, হেবা প্রদানকারী মাহরামকে হেবা করে যেমন তা পুনরায় ফিরিয়ে নিতে পারে না, অনুরূপভাবে অন্যকে হেবা করেও ফেরত নিতে পারবে না। কারন হেবা করার কারণে তার মালিকানা অধিকারের অবসান ঘটেছে এবং যাকে সে হেবা করেছে, উক্ত হেবা করা মালে এখন তারই অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অতএব এখন তার সন্তুষ্টি ব্যতীত তার মালিকানার অবসান ঘটানোর ক্ষমতা তার (মালিকের) নেই। কিন্তু এসব রিওয়ায়াতের অনুসরণ করা এবং আইম্মা-ই কিরামের তাকলীদ করা এ ক্ষেত্রে অধিকতর শ্রেয়। আর এ কারনেই আমরা অনুসরণ ও অনুকরণ করছি।
এ অনুচ্ছেদে আমরা যে সব মন্তব্য পেশ করেছি, তা ইমাম আবু হানীফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ)।
كتاب الهبة والصدقة
5845 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، أَنَّهُ قَالَ: الزَّوْجُ وَالْمَرْأَةُ بِمَنْزِلَةِ ذِي الرَّحِمِ الْمُحَرَّمِ إِذَا وَهَبَ أَحَدُهُمَا لِصَاحِبِهِ لَمْ يَكُنْ لَهُ أَنْ يَرْجِعَ فَجُعِلَ الزَّوْجَانِ فِي هَذِهِ الْأَحَادِيثِ كَذِي الرَّحِمِ الْمَحْرَمِ فَمَنَعَ كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا مِنَ الرُّجُوعِ فِيمَا وَهَبَ لِصَاحِبِهِ فَهَكَذَا نَقُولُ. وَقَدْ وَصَفْنَا فِي هَذَا مَا ذَهَبْتَ إِلَيْهِ فِي الْهِبَاتِ وَمَا ذَكَرْنَا مِنْ هَذِهِ الْآثَارِ إِذْ لَمْ نَعْلَمْ عَنْ أَحَدٍ مِثْلِ مَنْ رَوَيْنَاهَا عَنْهُ خِلَافًا لَهَا. فَتَرَكْنَا النَّظَرَ مِنْ أَجْلِهَا وَقَلَّدْنَاهَا. وَقَدْ كَانَ النَّظَرُ لَوْ خَلَّيْنَا وَإِيَّاهُ خِلَافَ ذَلِكَ وَهُوَ أَنْ لَا يَرْجِعَ الْوَاهِبُ فِي الْهِبَةِ لِغَيْرِ ذِي الرَّحِمِ الْمَحْرَمِ ; لِأَنَّ مِلْكَهُ قَدْ زَالَ عَنْهَا بِهِبَةِ إِيَّاهَا وَصَارَ لِلْمَوْهُوبِ لَهُ دُونَهُ فَلَيْسَ لَهُ نَقْضُ مَا قَدْ مَلَكَ عَلَيْهِ إِلَّا بِرِضَاءِ مَالِكِهِ. وَلَكِنِ اتِّبَاعُ الْآثَارِ وَتَقْلِيدُ أَئِمَّةِ أَهْلِ الْعِلْمِ أَوْلَى فَلِذَلِكَ قَلَّدْنَاهَا وَاقْتَدَيْنَاهَا. وَجَمِيعُ مَا بَيَّنَّا فِي هَذَا الْبَابِ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ وَأَبِي يُوسُفَ وَمُحَمَّدٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمْ أَجْمَعِينَ