আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
১৮- বিবিধ প্রসঙ্গ।
হাদীস নং: ৯৬৪
- বিবিধ প্রসঙ্গ।
বিভিন্ন কাজের বর্ণনা।
৯৬৪ । আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ নারী, বাড়ি ও ঘোড়ার মধ্যে অশুভ লক্ষণ রয়েছে।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
ان كان الشوم في شيئ ففي الدار والمرأة والفرس
“কোন জিনিসের মধ্যে যদি অশুভ লক্ষণ থাকতো, তবে তা নারী, বাড়ি ও ঘোড়ার মধ্যেই থাকতো।”**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
ان كان الشوم في شيئ ففي الدار والمرأة والفرس
“কোন জিনিসের মধ্যে যদি অশুভ লক্ষণ থাকতো, তবে তা নারী, বাড়ি ও ঘোড়ার মধ্যেই থাকতো।”**
الابواب الجامعة
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، وَحَمْزَةَ ابْنَيْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِنَّ الشُّؤْمَ فِي الْمَرْأَةِ وَالدَّارِ وَالْفَرَسِ» .
قَالَ مُحَمَّدٌ: إِنَّمَا بَلَغَنَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنْ كَانَ الشُّؤْمُ فِي شَيْءٍ فَفِي الدَّارِ وَالْمَرْأَةِ وَالْفَرَسِ
قَالَ مُحَمَّدٌ: إِنَّمَا بَلَغَنَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنْ كَانَ الشُّؤْمُ فِي شَيْءٍ فَفِي الدَّارِ وَالْمَرْأَةِ وَالْفَرَسِ
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
** আবু হাসান আল-আরাজ (র) বলেন, দুই ব্যক্তি হযরত আয়েশা (রা)-র কাছে এসে বললো, আবু হুরায়রা (রা) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলতেনঃ “ কুলক্ষণ শুধু স্ত্রীলোক, ঘোড়া ও ঘরের মধ্যে রয়েছে।” একথার উপর আয়েশা (রা) বলেন, সেই সত্তার শপথ, যিনি আবুল কাসিম (মুহাম্মাদ)-এর উপর কুরআন নাযিল করেছেন। তিনি তো একথা বলতেন না। বরং তিনি বলতেনঃ “জাহিলী যুগের লোকেরা স্ত্রীলোক, ঘোড়া এবং ঘরের মধ্যে কুলক্ষণ রয়েছে বলে বিশ্বাস করতো"। অতঃপর আয়েশা (রা) নিম্নোক্ত আয়াত পাঠ করেনঃ
مَآ أَصَابَ مِن مُّصِيبَةٍۢ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَا فِىٓ أَنفُسِكُمْ إِلَّا فِى كِتَٰبٍۢ مِّن قَبْلِ أَن نَّبْرَأَهَآ ۚ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٌ
“এমন কোন বিপদ নেই যা পৃথিবীতে কিংবা তোমাদের নিজেদের উপর আপতিত হয়, আর আমরা তা সৃষ্টি করার পূর্বে একটি কিতাবে লিখে রাখিনি। নিশ্চয় এটা আল্লাহর কাছে খুবই সহজ" (সূরা হাদীদঃ ২২) (মুসনাদে আহমাদ)। আয়েশা (রা)-র বর্ণনা থেকে জানা যায়, রাসূলুল্লাহ ﷺ জাহিলী যুগের লোকদের এই অমূলক ধারণা-বিশ্বাসের মূলোচ্ছেদ করেছেন। অন্যথায় তিনি মহিলাদের যে মর্যাদা দিয়েছেন তাতে তাদের সম্পর্কে তাঁর বিরূপ মন্তব্য কল্পনা করা যায় না। তিনি তো কন্যা সন্তানদের লালন-পালনকে বেহেশতে যাওয়ার উপায় হিসাবে ঘোষণা করেছেন। ঘোড়া সম্পর্কে তিনি বলেছেনঃ “ঘোড়ার কপালে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ লিপিবদ্ধ রয়েছে।” অতএব কোন নারী, বাড়ী বা পশুর মধ্যে ক্ষতিকর কিছু দৃষ্টিগোচর হলে তার ভিন্নতর কারণ থাকতে পারে। যেমন কোন বাড়ির মাটির মধ্যে এমন কোন পদার্থ মিশ্রিত থাকতে পারে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অনুরূপভাবে কোন নারীর দেহে এমন কোন উপাদান থাকতে পারে যা কোন পুরুষলোকের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর (অনুবাদক)।
مَآ أَصَابَ مِن مُّصِيبَةٍۢ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَا فِىٓ أَنفُسِكُمْ إِلَّا فِى كِتَٰبٍۢ مِّن قَبْلِ أَن نَّبْرَأَهَآ ۚ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٌ
“এমন কোন বিপদ নেই যা পৃথিবীতে কিংবা তোমাদের নিজেদের উপর আপতিত হয়, আর আমরা তা সৃষ্টি করার পূর্বে একটি কিতাবে লিখে রাখিনি। নিশ্চয় এটা আল্লাহর কাছে খুবই সহজ" (সূরা হাদীদঃ ২২) (মুসনাদে আহমাদ)। আয়েশা (রা)-র বর্ণনা থেকে জানা যায়, রাসূলুল্লাহ ﷺ জাহিলী যুগের লোকদের এই অমূলক ধারণা-বিশ্বাসের মূলোচ্ছেদ করেছেন। অন্যথায় তিনি মহিলাদের যে মর্যাদা দিয়েছেন তাতে তাদের সম্পর্কে তাঁর বিরূপ মন্তব্য কল্পনা করা যায় না। তিনি তো কন্যা সন্তানদের লালন-পালনকে বেহেশতে যাওয়ার উপায় হিসাবে ঘোষণা করেছেন। ঘোড়া সম্পর্কে তিনি বলেছেনঃ “ঘোড়ার কপালে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ লিপিবদ্ধ রয়েছে।” অতএব কোন নারী, বাড়ী বা পশুর মধ্যে ক্ষতিকর কিছু দৃষ্টিগোচর হলে তার ভিন্নতর কারণ থাকতে পারে। যেমন কোন বাড়ির মাটির মধ্যে এমন কোন পদার্থ মিশ্রিত থাকতে পারে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অনুরূপভাবে কোন নারীর দেহে এমন কোন উপাদান থাকতে পারে যা কোন পুরুষলোকের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর (অনুবাদক)।