আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ

১৮- বিবিধ প্রসঙ্গ।

হাদীস নং: ৯৭৪
- বিবিধ প্রসঙ্গ।
বিভিন্ন কাজের বর্ণনা।
৯৭৪। ইবনে শিহাব (রাহঃ) বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) এবং উছমান (রাযিঃ)-ও তাই করতেন।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, এরূপ শোয়ায় আমরা দোষ মনে করি না। ইমাম আবু হানীফারও এই মত।
الابواب الجامعة
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا ابْنُ شِهَابٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، وَعُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا «كَانَا يَفْعَلانِ ذَلِكَ»
قَالَ مُحَمَّدٌ: لا نَرَى بِهَذَا بَأْسًا، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

** ইমাম খাত্তাবী (র) বলেন, এভাবে শোয়া যে জায়েয, তা দেখানো ছিল রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর উদ্দেশ্য। অন্যথায় সহীহ মুসলিমে হযরত জাবের (রা) -র সূত্রে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ “এক হাতের উপর অপর হাত রেখে চিৎ হয়ে শয়ন করতে নিষেধ করেছেন।" ইমাম বায়হাকী ও মুহিউস সুন্নাহ বাগাবী (র) বলেন, সতর আনাবৃত হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকলে এভাবে শয়ন করবে না, আর এই আশংকা না থাকলে এভাবে শোয়ায় দোষ নেই। দু'টি হাদীসের যে কোন একটিকে মানসূখ (রহিত) সাব্যস্ত করার চেয়ে এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করাই উত্তম। দুই পায়ের একটি অপরটির উপর রেখে এভাবে শোয়ার ক্ষেত্রেও একই হুকুম। ইবনে মাসউদ, ইবনে উমার, উসামা, উছমান, আনাস (রা), হাসান বসরী, ইবনুল মুসাইয়্যাব, শাবী (র) প্রমুখের মতে এভাবে শোয়ায় কোন দোষ নেই। অরপদিকে ইবনে আব্বাস, কাব ইবনে উজরা (রা) ইবনে সীরীন, মুজাহিদ, তাউস, নাখঈ প্রমুখ এভাবে শোয়া মাকরূহ বলেছেন (উমদাতুল কারী) (অনুবাদক)।
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান