ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার

৩৫. বৈধ-অবৈধ বিষয়াদি ও বিভিন্ন আদব

হাদীস নং: ২৩৬১
বৈধ-অবৈধ বিষয়াদি ও বিভিন্ন আদব
পুরুষের আবরণীয় অঙ্গ (সতর)
(২৩৬১)যুরআ ইবন আব্দুর রহমান ইবন জারহাদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন- জারহাদ ছিলেন সুফ্ফাবাসী সাহাবিগণের একজন- তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট বসে ছিলেন, এবং আমার উরু অনাবৃত ছিল । তখন তিনি বললেন, তুমি কি জান না যে, উরু গুপ্তাঙ্গ (সতর)?
كتاب الحظر والإباحة وآداب متفرقة
عن زرعة بن عبد الرحمن بن جرهد عن أبيه قال: كان جرهد رضي الله عنه هذا من أصحاب الصفة قال: جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم عندنا وفخذي منكشفة فقال: أما علمت أن الفخذ عورة.

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

(আবু দাউদ । তিরমিযি হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। হাকিম ও যাহাবি হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। ইবনুল কাত্তান হাদীসটির দুর্বলতার কথা উল্লেখ করেছেন)। [সুনান আবু দাউদ, হাদীস-৪০১৪; সুনান তিরমিযি, হাদীস-২৭৯৫; মুসনাদ আহমাদ, হাদীস-১৫৯২৬]

হাদীসের ব্যাখ্যা:

মানুষের দেহের যে অংশগুলোকে সাধারণ পরিভাষায় লজ্জাস্থান বলা হয়, এগুলোর ব্যাপারে তো প্রত্যেক ব্যক্তি-এমনকি যারা আল্লাহ্ এবং কোন ধর্মকেও স্বীকার করে না- তারাও এটা বুঝে যে, এগুলো ঢেকে রাখা জরুরী। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এ বাণী দ্বারা জানা গেল যে, মনুষ্য দেহে কেবল লজ্জাস্থান ও এর নিকটবর্তী অংশই নয়; বরং রান (উরু) পর্যন্ত সতরের অন্তর্ভুক্ত, যা ঢেকে রাখা জরুরী। সতর সম্পর্কে এটা যেন পরিপূরক শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা।

এ হাদীসে فخذ (রান) কে عورة বলা হয়েছে। عورة এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ঢেকে রাখার জিনিস- যা প্রকাশ করা লজ্জা ও শরমের পরিপন্থী।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান