মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ১১১৪
নামাযের অধ্যায়
(২) তারাবীহর সালাতের কারণ এবং মসজিদে তা জামায়াতে আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(১১১০) শুরাইহ ইবন উবাইদ, হাদরামী থেকে বর্ণিত, তিনি বর্ণনা সূত্রকে আবূ যার (রা) পর্যন্ত প্রত্যার্পণ করেছেন। তিনি বলেন যখন রমযানের শেষ দশক সমাগত হল তখন রাসূল (সা) মসজিদে (নববীতে) ই'তিকাফ করলেন। রমযানের বাইশ তারিখে আসরের সালাত সমাপনান্তে রাসূল (সা) বললেন, ইনশাআল্লাহ আজ রাতে আমরা (তারাবীহর) সালাত আদায় করব। অতএব, তোমাদের মধ্যে যারা ইবাদাতে মাশগুল থাকতে চায় তারা থাকতে পারে। এটি ছিল রমযানের তেইশ তারিখের (পূর্ব) রাত্রি, অতঃপর তিনি (সা) এশার সালাতের পর জামায়াতবদ্ধভাবে (নফল) সালাত আদায় করলেন, এমনিভাবে রাত্রির ত্রি প্রহরের এক প্রহর কেটে গেল। এরপর তিনি সালাত থেকে বিরত হলেন। এরপর চব্বিশ তারিখ এল সেদিন তিনি কিছুই বললেন না এবং সালাতও আদায় করলেন না। অতঃপর পঁচিশ তারিখের রাত যখন এল তিনি চব্বিশই রমযান আসরের সালাতান্তে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেন, ইনশাআল্লাহ আজ রাতে অর্থাৎ পঁচিশ তারিখের রাতে আমরা নফল সালাত আদায় করব, অতএব, তোমাদের মধ্যে যারা চায় তারা সালাতে শামিল হতে পারে। অতঃপর তিনি মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করতে থাকলেন, এভাবেই রাত্রের তিন প্রহরের এক প্রহর কেটে গেল। এরপর তিনি সালাত থেকে বিরত হলেন, এরপর ছাব্বিশ তারিখের রাত হল তিনি কিছুই বললেন না এবং কোন সালাতও আদায় করলেন না। অতঃপর ছাব্বিশ রমযানের আসরের সালাত শেষে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেন, ইনশাআল্লাহ্ আজ রাতেও অর্থাৎ সাতাশ তারিখেও আমরা সালাত আদায় করব। অতএব তোমাদের মধ্যে যারা তা করতে চায় তারা তা করতে পারে। আবূ যার বলেন, আমরা সালাত আদায় করে রাতযাপনের উদ্দেশ্যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হলাম এবং নবী (সা) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন এমনি করে রাত্রের তিন প্রহরের দুই প্রহর কেটে গেল। অতঃপর তিনি মসজিদে নববীতে তৈরীকৃত তাঁর ই'তিকাফকালীন অবস্থানস্থলে ফিরে গেলেন। তখন আমি তাঁকে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। আমরা প্রত্যাশা করছিলাম যে, আপনি আমাদের নিয়ে সুবহে সাদিক পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকবেন। তিনি জবাবে বললেন, হে আবূ যার। যখন তুমি তোমার ইমামের সাথে সালাত আদায় কর অতঃপর তিনি সালাত শেষ করলে তুমিও তখন সালাত শেষ কর, তখন পুরা রাত্রিতে ইবাদতের সাওয়াব তোমার আমলনামায় লিখা হয়। আবু আব্দুর রাহমান বলেন, আমি হাদীসটি আমার পিতার কিতাবে তাঁর স্বহস্তে লিখিত পেয়েছি।
(নাসায়ী, ইবন মাজাহ, হাকেম, তিরমিযী, মুহাম্মদ ইবন্ নাছর ও ত্বাহাবী ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى سببها وجواز فعلها جماعة فى المسجد
(1114) خط عن شريح بن عبيد الحضرمىِّ يردُّه إلى أبى ذر رضى الله عنه قال لماَّ كان العشر الأواخر اعتكف رسول الله صلى الله عليه وسلم فى المسجد فلمَّا صلَّى النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم صلاة العصر من يوم اثنين وعشرين قال إنَّا قائمون اللَّيلة إن شاء الله، فمن شاء منكم أن يقوم فليقم، وهى ليلة ثلاث وعشرين، فصلاَّها
النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم جماعةً بعد العتمة حتَّى ذهب ثلث اللَّيل ثم انصرف، فلمَّا كان ليلة أربع وعشرين لم يقل شيئًا ولم يقم، فلمَّا كان ليلة خمس وعشرين قام بعد صلاة العصر يوم أربع وعشرين فقال إنَّا قائمون اللَّيلة إن شاء الله يعنى ليلة خمس وعشرين فمن شاء فليقم، فصلَّى بالنَّاس حتَّى ذهب ثلث اللَّيل ثمَّ انصرف، فلمَّا كان ليلة ست وعشرين لم يقل شيئًا ولم يقم، فلمَّا كان عند صلاة العصر من يوم ست وعشرين قام فقال إنَّا قائمون إن شاء الله يعنى ليلة سبع وعشرين فمن شاء أن يقوم فليقم، قال أبو ذرّ فتجلَّدنا للقيام فصلَّى بنا النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم حتّى ذهب ثلثا اللَّيل ثمَّ انصرف إلى قبَّته فى المسجد فقلت له إن كنَّا لقد طمعنا يا رسول الله أن تقوم بنا حتى تصبح، فقال يا أبا ذرّ إنَّ إذا صلَّيت مع إمامك وانصرفت إذا انصرف كتب لك قنوت ليلتك قال أبو عبد الرَّحمن وجدت هذا الحديث فى كتاب أبى بخطِّ يده
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান