মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১১১৫
নামাযের অধ্যায়
(২) তারাবীহর সালাতের কারণ এবং মসজিদে তা জামায়াতে আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(১১১১) জুবাইর ইবন্ নুফাইর আল খাদরামী থেকে বর্ণিত, তিনি আবূ যার (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা রমযান মাসে রাসূল (সা)-এর সাথে রোযা রাখতাম, তিনি আমাদের নিয়ে গোটা মাস কোন সালাত আদায় করলেন না। অতঃপর রমযানের সাত দিন বাকি থাকলে তিনি (সা) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। প্রায় রাত্রির এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত অতঃপর চব্বিশ তারিখে আর এমনটি করলেন না। তৎপরবর্তী রাত্রে প্রায় অর্ধরাত্র পর্যন্ত সালাত আদায় করে কাটিয়ে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কতই না সুন্দর হত যদি গোটা রাতটাই এভাবে নফল ইবাদতে কাটিয়ে দিতেন। রাসূল (সা) বললেন, যখন কোন ব্যক্তি ইমামের সাথে নফল সালাত আদায়ে ব্যস্ত থেকে অবশেষে ফিরে তখন পুরারাত্রি দাঁড়িয়ে ইবাদত করার সাওয়াব তার আমলনামায় লিপিবদ্ধ করা হয়, অতঃপর ছাব্বিশ তারিখে তিনি আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন নি। আবার সাতাশ তারিখে আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি গোত্রে গোত্রে প্রতিনিধি পাঠিয়ে দিলেন। জনগণ একত্রিত হল, তখন তিনি আমাদের নিয়ে এত দীর্ঘক্ষণ সালাত আদায় করলেন। যে আমরা আশঙ্কা করতে থাকলাম যে, কল্যাণ হারিয়ে ফেলব, আমি বললাম, কল্যাণ কি? তিনি বলেন, সাহরী।
(মুস্তাদরাকে হাকেম, বায়হাকী ও চার সুনান গ্রন্থে বর্ণিত। হাফেয ও তিরমিযী হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
(মুস্তাদরাকে হাকেম, বায়হাকী ও চার সুনান গ্রন্থে বর্ণিত। হাফেয ও তিরমিযী হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى سببها وجواز فعلها جماعة فى المسجد
(1115) عن جبير بن نفير الحضرمىِّ عن أبى ذرّ رضى الله عنه قال صمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم رمضان فلم يقم بنا شيئًا من الشَّهر حتَّى بقى سبع فقام بنا حتَّى ذهب نحو ثلث اللَّيل ثمَّ، لم يقم بنا اللَّيلة الرَّابعة وقام بنا اللَّيلة التى تليها حتَّى ذهب نحو من شطر اللَّيل، قال فقلنا يا رسول الله لو نفَّلتنا بقيَّة ليلتنا هذه، قال إن الرَّجل إذا قام مع الإمام حتى ينصرف حسب له بقيَّة ليلته، ثمَّ لم يقم بنا السَّادسة وقام بنا السَّابعة، وقال: وبعث إلى أهله واجتمع النَّاس فقام بنا حتَّى خشينا أن يفوتنا الفلاح قال قلت وما الفلاح؟ قال السُّحور