মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ১১১৬
নামাযের অধ্যায়
(২) তারাবীহর সালাতের কারণ এবং মসজিদে তা জামায়াতে আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(১১১২) নু'আইম ইবন যিয়াদ আবু তালহা আল আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নু'মান ইবন বশির (রা)-কে হিমছ-এর মিম্বারে বলতে শুনেছেন যে, আমরা রমযান মাসের তেইশ তারিখ রাসূল ((সা)-এর সাথে রাত্রির প্রায় প্রথম এক তৃতীয়াংশ সালাত আদায় করেছিলাম। অতঃপর পঁচিশ তারিখের রাত্রে প্রায় অর্ধরাত্রি সালাত আদায় করলাম। অতঃপর সাতাশ তারিখের রাত্রিতে এত বেশী সালাত আদায় করলাম যে, কল্যাণ হারিয়ে ফেলবার আশঙ্কা করলাম। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা সাহরীকে কল্যাণ বলতাম। আমরা সাতাশের রাত্রিকে সপ্তম রাত্রি বলি আর তোমরা তেইশের রাত্রিকে সপ্তম রাত্রি বলে থাক। আসলে কোনটি বেশি সঠিক? তোমরা না আমরা?
(নাসায়ী। ইত্যাদি।)
(কোন কোন হাদীসে বর্ণিত হয়েছে কদরের রাত্রি সপ্তম তারিখে হয়। এ কারণে কেউ কেউ রমযানের সাতাশ তারিখের রাত্রিকে সপ্তম রাত্রি আর কেউ কেউ পিছনের দিক থেকে গণনা করে তেইশ তারিখের রাত্রিকে সপ্তম রাত্রি মনে করেন, এর মধ্যে কোনটি সঠিক? আল্লাহই ভাল জানেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى سببها وجواز فعلها جماعة فى المسجد
(1116) عن نعيم بن زياد أبى طلحة الأنمارىِّ أنَّه سمع النُّعمان بن بشير رضي الله عنه يقول على منبر حمص قمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة ثلاث وعشرين فى شهر رمضان إلى ثلث اللَّيل الأوَّل، ثمَّ قمنا معه ليلة خمس وعشرين إلى نصف اللَّيل، ثمَّ قام بنا ليّلة سبع وعشرين حتَّى ظننَّا أن لا ندرك الفلاح، قال وكنَّا ندعوا السُّحور الفلاح، فأمَّا نحن فنقول ليلة السَّابعة ليلة سبع وعشرين وأنتم تقولون ليلة ثلاث وعشرين السَّابعة فمن أصوب؟ نحن أو أنتم؟
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান