মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১২৩৩
নামাযের অধ্যায়
(১২) অনুচ্ছেদ: কসর সালাতের সময়সীমা। মুসাফির কখন সালাত পূর্ণ করবে এবং যে ইকামাতের নিয়্যত করেন তার হুকুম প্রসঙ্গে।
(১২২৯) আবূ নাদরাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা ইমরান ইবন্ হুসাইন যাচ্ছিলেন, তখন আমরা বসা ছিলাম, এমতাবস্থায় লোকদের মধ্য হতে এক যুবক তাঁর কাছে গেল, এবং তাকে যুদ্ধ, হজ্জ ও উমরাহ্ সময় রাসূল (সা)-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। তখন তিনি আমাদের সামনে দাঁড়ালেন। অতঃপর বললেন, এ লোক আমাকে এক বিষয়ে জিজ্ঞেসা করেছে, আমি চাই যে, তোমরাও উত্তরটি শুনাে অথবা তিনি যেমনটি বলেছেন। আমি রাসূল (সা) এর সাথে যুদ্ধ করেছি তখন তিনি মদীনায় ফিরে না আসা পর্যন্ত কেবল দুই রাকাত করেই সালাত আদায় করেছেন। আমি তাঁর সাথে হজ্জও করেছি তিনি মদীনায় ফিরে না আসা পর্যন্ত দুই রাকাত বৈ বেশী সালাত আদায় করেন নি। আমি মক্কা বিজয় অভিযানে তাঁর সাথে ছিলাম। সেবারে তিনি মক্কায় আঠার দিন অবস্থান করেছিলেন। তখনও তিনি দুই রাকাতের বেশী সালাত আদায় করেন নি এবং তিনি নগরবাসীকে বলেছিলেন, তোমরা চার রাকাত করে সালাত আদায় কর। কেননা আমরা সফর অবস্থায় আছি। আমি তাঁর সাথে তিনবার উমরাহ্ করেছি তখনও তিনি দুই রাকাতের বেশী সালাত আদায় করেন নি। আমি আবূ বকর ও উমর (রা)-এর সাথে একাধিক বার হজ্জ করেছি তাঁরা উভয়েই মদীনা ফিরে না আসা পর্যন্ত দুই রাকাতের বেশী সালাত আদায় করেন নি।
(উক্ত আবু নাদরাহ্ থেকে দ্বিতীয় সূত্রেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে, সেখানে আরও রয়েছে) রাসূল (সা) যখনই সফরে যেতেন তখন সফর হতে না ফেরা পর্যন্ত দুই রাকাতের বেশী সালাত আদায় করতেন না। আর তিনি মক্কা বিজয়কালে মক্কায় আঠার দিন অবস্থান করেছিলেন সেখানে তিনি মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন দুই রাকাত দুই রাকাত করে। আমার পিতা বলেন, তাঁকে ইউনুস ইবন্ মুহাম্মাদও এই সনদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। সেখানে অতিরিক্ত রয়েছে তবে "মাগরিবের সালাত ব্যতীত"। অতঃপর তিনি (রাসূল) বলেন, হে মক্কাবাসী! তোমরা দাড়াও আরো দুই রাকাত সালাত আদায় কর কেননা আমরা মুসাফির। অতঃপর তিনি হুনাইনে ও তায়েফের যুদ্ধ করেছেন, সেখানেও তিনি দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করেছেন। অতঃপর তিনি ফিরে জিরানায় এসেছেন সেখান থেকে জুলক্বাদা মাসে উমরাহ্ করলেন। অতঃপর আমি আবু বকরের সাথে যুদ্ধ করেছি। তাঁর সাথে হজ্জ ও উমরাহ করেছি তিনিও দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন। আমি উমর (রা)-এর সাথেও ছিলাম তিনিও দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন (ইউনুস বলেন,) মাগরিব ব্যতীত। আমি উসমানের সাথেও তাঁর খিলাফতের প্রথম দিকে তাঁর সাথে সফরে ছিলাম। ইউনুস বলেন, তিনিও দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন, মাগরিবের সালাত ব্যতীত। এরপর থেকে উসমান (রা) চার রাকাত করে সালাত আদায় করতেন।
(আবু দাউদ ও তিরমিযীতে সংক্ষেপে বর্ণিত, তিনি হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
(উক্ত আবু নাদরাহ্ থেকে দ্বিতীয় সূত্রেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে, সেখানে আরও রয়েছে) রাসূল (সা) যখনই সফরে যেতেন তখন সফর হতে না ফেরা পর্যন্ত দুই রাকাতের বেশী সালাত আদায় করতেন না। আর তিনি মক্কা বিজয়কালে মক্কায় আঠার দিন অবস্থান করেছিলেন সেখানে তিনি মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন দুই রাকাত দুই রাকাত করে। আমার পিতা বলেন, তাঁকে ইউনুস ইবন্ মুহাম্মাদও এই সনদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। সেখানে অতিরিক্ত রয়েছে তবে "মাগরিবের সালাত ব্যতীত"। অতঃপর তিনি (রাসূল) বলেন, হে মক্কাবাসী! তোমরা দাড়াও আরো দুই রাকাত সালাত আদায় কর কেননা আমরা মুসাফির। অতঃপর তিনি হুনাইনে ও তায়েফের যুদ্ধ করেছেন, সেখানেও তিনি দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করেছেন। অতঃপর তিনি ফিরে জিরানায় এসেছেন সেখান থেকে জুলক্বাদা মাসে উমরাহ্ করলেন। অতঃপর আমি আবু বকরের সাথে যুদ্ধ করেছি। তাঁর সাথে হজ্জ ও উমরাহ করেছি তিনিও দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন। আমি উমর (রা)-এর সাথেও ছিলাম তিনিও দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন (ইউনুস বলেন,) মাগরিব ব্যতীত। আমি উসমানের সাথেও তাঁর খিলাফতের প্রথম দিকে তাঁর সাথে সফরে ছিলাম। ইউনুস বলেন, তিনিও দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন, মাগরিবের সালাত ব্যতীত। এরপর থেকে উসমান (রা) চার রাকাত করে সালাত আদায় করতেন।
(আবু দাউদ ও তিরমিযীতে সংক্ষেপে বর্ণিত, তিনি হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(12) باب مدة القصر ومتى يتم المسافر وحكم من لم يجمع اقامة
(1233) عن أبى نضرة قال مرَّ عمران بن حصين فجلسنا فقام إليه فتىً من القوم فسأله عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فى الغزو والحجِّ والعمرة، فجاء فوقف علينا فقال إن هذا سألنى عن أمر فأردت أن تسمعوه أو كما قال، غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يصلِّ إلاَّ ركعتين حتَّى رجع إلى المدينة، وحججت معه فلم يصلِّ إلاَّ ركعتين حتَّى رجع إلى المدينة، وحججت معه فلم يصلِّ إلا ركعتين حتَّى رجع إلى المدينة، وشهدت معه الفتح فأقام بمكَّة ثمان عشرة لا يصلِّى إلاَّ ركعتين، ويقول لأهل البلد صلُّوا
أربعًا فإنَّا سفر، واعتمرت معه ثلاث عمر فلم يصلِّ إلاَّ ركعتين، وحججت مع أبى بكر وعمر رضي الله تعالى عنهما حجَّات فلم يصلِّيا إلاَّ ركعتين حتَّى رجعا إلى المدينة (وعنه من طريق ثان بنحوه وفيه) ما سافر رسول الله صلى الله عليه وسلم سفرًا إلاَّ صلَّى ركعتين ركعتين حتَّى يرجع، وإنّه أقام بمكَّة زمان الفتح ثمانى عشرة ليلةً يصلِّى بالنَّاس ركعتين ركعتين، قال أبى وحدَّثناه يونس بن محمَّد بهذا الإسناد وزاد فيه إلاَّ المغرب، ثمَّ يقول يا أهل مكَّة قوموا فصلُّوا ركعتين أخريين فإنَّا سفر، ثمَّ غزا حنينًا والطَّائف فصلَّي ركعتين ركعتين، ثمَّ رجع إلى جعرانة فاعتمر منها فى ذى القعدة، ثمَّ غزوت مع بى بكر رضى الله تعالى عنه وحججت واعتمرت فصلَّى ركعتين ركعتين، ومع عمر رضى الله فصلَّى ركعتين ركعتين، قال يونس إلاَّ المغرب،
ومع عثمان رضي الله عنه صدر إمارته قال يونس ركعتين إلاَّ المغرب، ثمَّ إنَّ عثمان رضى الله عنه صلَّي بعد ذلك أربعًا
أربعًا فإنَّا سفر، واعتمرت معه ثلاث عمر فلم يصلِّ إلاَّ ركعتين، وحججت مع أبى بكر وعمر رضي الله تعالى عنهما حجَّات فلم يصلِّيا إلاَّ ركعتين حتَّى رجعا إلى المدينة (وعنه من طريق ثان بنحوه وفيه) ما سافر رسول الله صلى الله عليه وسلم سفرًا إلاَّ صلَّى ركعتين ركعتين حتَّى يرجع، وإنّه أقام بمكَّة زمان الفتح ثمانى عشرة ليلةً يصلِّى بالنَّاس ركعتين ركعتين، قال أبى وحدَّثناه يونس بن محمَّد بهذا الإسناد وزاد فيه إلاَّ المغرب، ثمَّ يقول يا أهل مكَّة قوموا فصلُّوا ركعتين أخريين فإنَّا سفر، ثمَّ غزا حنينًا والطَّائف فصلَّي ركعتين ركعتين، ثمَّ رجع إلى جعرانة فاعتمر منها فى ذى القعدة، ثمَّ غزوت مع بى بكر رضى الله تعالى عنه وحججت واعتمرت فصلَّى ركعتين ركعتين، ومع عمر رضى الله فصلَّى ركعتين ركعتين، قال يونس إلاَّ المغرب،
ومع عثمان رضي الله عنه صدر إمارته قال يونس ركعتين إلاَّ المغرب، ثمَّ إنَّ عثمان رضى الله عنه صلَّي بعد ذلك أربعًا