আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৩৪৫৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমি একটা গার্মেন্টসে চাকরি করি। আমি সন্ধায় বাসায় আসি এবং বাসায় আসার পরে আমি আমার সন্তানকে নিয়ে বাসার নিচে হাঁটতে যাই। আমার স্ত্রীর উপর মাঝে একটু সন্দেহ বসত আমি আমার মোবাইল সাউন্ড রেকর্ডিং অন করে মোবাইল বাসায় লুকায় রেখে যাই পর পর তিন দিন। আমি টিন দিনের রেকর্ডিং এ যেটা সুনতে পাই যে আমার বাসায় আমার অবর্তমানে কেও আসে এবং অনৈতিক কিছু হচ্ছে। যেটা আমি আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করি এবং তাতে সে অস্বীকার করে এবং আমার সাথে নানা ভাবে ঝগড়া বিবাদ করে অতঃপর আমার গায়েও হাত তোলে। পরবর্তিতে আমিও তার গায়ে হাত তুলি। পরের দিন আমার স্ত্রী সকালে তার মাকে ডেকে আনে এবং আমার মা কেও আমার বাসায় ডেকে আনে। তার পর আমার স্ত্রী এবং তার মা আমাকে ও আমার মা কে অনেক অপমান করে এবং আমার স্ত্রী তার মায়ের সাথে তাদের বাসায় চলে যায়। পরে আমি সাউন্ড রেকর্ডিং এর মাঝে এই কোথাও সুনতে পারি যে আমার স্ত্রী টাকার বিনিময়ে ওই লোকের সাথে সম্পর্ক করেছে এবং তাকে বলে আমাকে ঠিক মত টাকা দিবা। কিন্তু সে কোনো ভাবেই শিকার করে না। নামাজ পড়ানোর পরেও জায়নামাজে বসেও সে মিথ্যা কথা বলে যে বাসায় কেও আসে নাই।
আমাদের একটা ছেলে সন্তান আছে যার বয়স দুই বছর তিন মাস। এমত অবস্থায় আমি শরীয়তের দিক দিয়ে কি সিদ্ধান্ত নিতে পারি?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
Dhaka
১৩১৪৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমার স্বামী আমি নামাজ পড়ে না তার জন্য আমার খুব রাগ হয় মাঝে মাঝে আমি ওর সাথে রাগারাগি করি আর মাঝে মাঝে কিছু বলি না সব সময় ঝগড়া করতে ভালো লাগেনা তো উনি মাঝে মধ্যে আমার সাথে সামান্য বিষয় নিয়ে খুব বাড়াবাড়ি করে এক্ষেত্রে কি আমি ওনার সাথে তর্ক করতে পারব যেমন: আমি মশারির ভিতর বসে উনি মশারির বাহিরে বসে সিগারেট খাবে এজন্য আমাকে ম্যাচ আনতে বলতেছে আমি বলছি তুমি তো বাহিরে এনে খাও আর উনার সিগারেট খাওয়াটাও আমার পছন্দ না আর আমি এনে দিলাম না কেন এ নিয়ে আমার সাথে ঝগড়া করে এসব বিষয় যখন করে তখন কি আমি ওনার সাথে ঝগড়া করলে সমস্যা মানে গুনাহ হবে কি? জানাবেন দয়া করে
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
ঢাকা ১২১২
১৩০৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
হুজুর আমার বিয়ের বয়স 10 বছর 2 মাস, আমাদের কোন সন্তান নেই, ডাক্তার দেখাতে চাইলে উনি দেখাতে চায় না,
বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে উনাকে বিভিন্ন মেয়েদের সাথে ফোনালাপ করতে আমি দেখতে পেয়েছি॥এই নিয়ে প্রায়ই উনার সাথে কোলাহল হয়ে থাকে ॥ উনি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরেন, সুন্নতি ভাবে দাড়ি রেখেছেন, নিজের ছোট ভাই কে আলেমী লাইনে পড়াশোনার খরচ দেন, নিজের ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর হাফেজী পড়ার খরচো দিচ্ছেন.
তারপর ও উনার এই মহিলাদের সাথে কথা বলা, ছবি আদান প্রদান করা এমনকি ফোনে শারিরীক সম্পর্ক করা বন্ধ হচ্ছে না ॥ আমার প্রতিটা দিন রাত শুধু কান্না করে যাচ্ছে
উনার এই সব দেখে আমার ইসলামের প্রতি আস্থা চলে যাচ্ছে (আস্তাগফিরুল্লাহ), আমার নামাজ পড়তে ইচ্ছে করে না, কুরআন পড়তে ইচ্ছে করে না, ইদানিং মনে হয় আল্লাহ আমার দিলে সিল মেরে দিয়েছেন এই জন্য আমি এমন হয়ে যাচ্ছি আমি ইসলামের পথ থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছি, আমার জন্য একটু দোয়া করবেন আমি ইমানহারা হয়ে মারা যেতে চাই না
মনে হয় আল্লাহ আমার সাথে এমন কেন করছে, আমি ছোট থেকে একা, বাবার আদর ভালোবাসা পাই নাই(৬বছর বয়সে মারা গেছেন জীবিত থাকতেও আমাদের সাথে ছিলেন না) , ভাই ছিলেন উ্নিও ছোট বেলায় মারা গেছেন(আমার ৮ বছর বয়সে) ॥
মা জীবিকার তাগিদে উপার্জন করতে যেয়ে সময় দিতে পারেন নাই, আর স্বামী হিসেবে এমন একজন কে পেয়েছি, উনাকে ছাড়তে পারছি না কারন আমি খুবই দরিদ্র পরিবারের মেয়ে
আমার জন্য একটু দোয়া করবেন আমি যেনো ইসলামের পথে ফেরত আসতে পারি
আসসালামুয়ালাইকুম
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২৮ জানুয়ারী, ২০২২
নওগাঁ
১২৩৯৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আল্লাহ তায়ালা এই প্রতিষ্ঠানের পরিচালকগণের উত্তম জাযায়ে খায়ের দান করুন। সম্ভবত প্রায় এক দেড় বছর ধরে এটার দ্বারা আমি উপকৃত হচ্ছি আলহামদুলিল্লাহ।..

হযরত! একবার এক হাদিসে পড়েছিলাম, হাদিসের ভাষ্য অনেকটা এমন যে, একবার উম্মে সালামাহ রাঃ হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করেছিলেন যে, কোনো নেককার মহিলা যদি দুনিয়াতে পরপর দুজন স্বামীকে বিবাহ করে এবং উভয় স্বামীই জান্নাতি হয় আর ঐ মহিলাও জান্নাতি হয়, তাহলে তাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি জান্নাতে ঐ মহিলাকে পাবে.? উত্তরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, তাদের মধ্যে যে ব্যাক্তি অধিক উত্তম আখলাকের অধিকারী, সেই সে মহিলাকে পাবে! এরপর আরো কিছু কথা আছে কিন্তু মূল বক্তব্য এটাই। কিন্তু আজকে অথবা গতকাল এক জায়গায় দেখলাম যে এ ক্ষেত্রে নাকি সর্বশেষ স্বামীর সাথে জান্নাতে থাকবে। এজন্যই নাকি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার স্ত্রীগণকে অন্যত্র বিয়ের অনুমতি দেননি।
এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে সাধারণ মানুষদের ক্ষেত্রে কোনটা প্রযোজ্য.? উত্তম আখলাক্ব নাকি শেষ স্বামী..??
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
৮ জানুয়ারী, ২০২২
Panchagarh
১১৯৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার ইস্ত্রিকে বারবার নামাজ এর জন্য বলি কিন্তু সে আমার কথা শোনে না ঠিক মত। একদিন বললে ২-১ দিন নামাজ পড়ে কোনোরকম, পড়ে আবার নামাজ একদম ই পড়ে না। নামাজ এর জন্য ফজরের সময় ডাক দিলে সে আমার সাথে জিদ দেখায়। এছাড়া সে প্রতিনিয়তই আমার সাথে জিদ দেখায়, তার ভুল থাকা সত্ত্বেও সে উল্টো আমার উপর জিদ করে থাকে। সে ভুল করে কিন্তু দেখা যায় আমার ই তাকে ঠিক করতে হয়। আমি শুধুমাত্র আল্লাহর জন্যই এমনটা সহ্য করে যাচ্ছি।

প্রশ্নঃ এমতাবস্থায় আমার করনিয় কি? তার নামাজের জন্য কি আল্লাহর কাছে আমার জবাবদিহি করতে হবে? এই সমস্যার সমাধান কি?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২৯ ডিসেম্বর, ২০২১
কেরানীগঞ্জ