আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৩৯০১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আস্সালামু আলাইকুম, হযরত কেমন আছেন?
১/ আমি বিয়ে করেছি ২মাস আগে, এখন কিছুটা সমস্যা থাকার কারনে অন্ততপক্ষে ২ বছরের মধ্যে আমি বাচ্চা নিতে পারবোনা, তারপর ইনশাআল্লাহ নিবো,
এমন অবস্থায় আমার স্ত্রী ঔষধ খেয়ে থাকে, এখন এটার বিষয় দয়া করে জানাবেন,
২/ পিরিয়ড অবস্থায় স্ত্রীর লজ্জাস্থান দেখা যাবে কিনা?
৩/ স্ত্রীর পিরিয়ড অবস্থায় আমার স্ত্রী অন্য কোন উপায় যদি আমার বীর্য বের দেয়, এ বিষয় জানাবেন,
৪/ আমার স্ত্রী জেনারেল শিক্ষিত, তার ক্লাসের একজন ঘনিষ্ঠ ফ্রেন্ড আছে যে হিন্দু, এখন আমার স্ত্রীর মধ্যে দ্বীনের অনেকটা বুঝ আসার কারনে আল্লাহর রহমতে আগের সব কিছু ছেড়ে আল্লাহর পথে অনেক ধাবিত হচ্ছে, কিন্তু কোন ভাবেই তার সেই হিন্দু ফ্রেন্ডকে ভুলতে পারছেনা, এখন কি করার?
যদিও আমি বলার কারনে কিছুটা পিছু হটছে কিন্তু আমি ভালো করে বুঝাতে পারছিনা,
৫/ আমরা একজন অন্যজন কে অনেক ভালোবাসি, তারপরও কম মনে হচ্ছে এটার মধ্যে আরো উন্নতি চাই এটাও জানাবেন,

অগ্রীম ধন্যবাদ 🙏
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ, মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
৭ ডিসেম্বর, ২০২০
Barisal, Bangladesh
৩৫৭৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম। বেয়াদবি মাফ করবেন।
আমি একটা ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে জানতে চাচ্ছি।
আমি মোটামোটামুটি ইসলাম মেনে চলার চেষ্টা করি আর নিজেকে গুনাহ করা থেকে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করি।আলহামদুলিল্লাহ।
কিন্তু যখন আমার পিরিয়ড চলে, ওই অবস্থায় নামাজ,কুরআন থেকে দূরে সরে যাই আর তখনই কি যে হয় আমার, আমি নানান রকম গুনাহে লিপ্ত হয়ে পরি। দুনিয়ামুখি হয়ে যায়। না চায়তেও পাপ করে ফেলি। তওবা করে ফিরে এসেছি যেসব পাপ হতে,নিজেকে গুটিয়ে রেখেছি অনেক দিন ধরে, এমন পাপ ও ওই সময় হয়ে যায়।
যা আমাকে পেরেশান করে দিচ্ছে।মানসিক ভাবে অশান্তিতে থাকি।
এর থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায় আছে? এমক্ন কোনো আমল আছে যা পিরিয়ড অবস্থায় করলে আমার ঈমান ঠিক রাখতে পারব???
ভুল কিছু বলে থাকলে ক্ষমার চোখে দেখবেন।
জাজাকাল্লাহ খাইরান।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ, মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
৩ জানুয়ারী, ২০২১
ঢাকা
৭৮৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

বর্তমানে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে সাময়িকভাবে মাসিক স্রাব বন্ধ করে রাখা যায়। তাই অনেক মহিলা রমযান মাসের সবগুলো রোযা রাখার জন্য ঔষধ সেবনের মাধ্যমে স্রাব বন্ধ করে রাখে। বিশেষত হজ¦ চলাকালীন হায়েয আসলে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। তাই অধিকাংশ মহিলা হজে¦র সময়গুলোতে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে স্রাব বন্ধ করে রাখে, যেন হজে¦র আমলগুলো কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই সম্পাদন করা যায়। এজন্য হুযুরের কাছে জানতে চাচ্ছি-

ক. ঔষধ সেবনের মাধ্যমে এভাবে ঋতুস্রাব বন্ধ করে রাখা কি জায়েয আছে?

খ. এ অবস্থায় কি সে নামায, রোযা ও তাওয়াফ ইত্যাদি আদায় করতে পারবে? যদি পারে তাহলে পরবর্তীতে এগুলো কাযা করা লাগবে কি না?

দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৫ আগস্ট, ২০২১