আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২১৯৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

এক বইয়ে পেয়েছি, কোনো মহিলার যদি শুধু দুই ভরি স্বর্ণ থাকে (যার মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার অধিক) তবে সে নেসাবের মালিক হিসেবে গণ্য হবে না। কিন্তু সেই মহিলার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত অল্প টাকাও থাকে তবে সেই টাকা দুই ভরি স্বর্ণের মূল্যের সাথে যোগ হয়ে নেসাব পূর্ণ হবে। সেই হিসেবে বছরান্তে যদি ওই মহিলার কাছে দুই ভরি স্বর্ণের সাথে অল্প টাকাও অতিরিক্ত থাকে তবে তাকে পুরো মূল্যের উপর যাকাত আদায় করতে হবে। মাসআলাটি কি সহীহ?

যদি উপরোক্ত মাসআলাটি সঠিক হয়। তবে ঈদের সময় মহিলারা হাদিয়া হিসেবে যে টাকা পায় এবং সেই টাকা জমিয়ে না রেখে খরচ করার নিয়ত থাকে, তবে কি সেটা ‘‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত ’’ টাকা হিসেবে স্বর্ণের মূল্যের সাথে যুক্ত হয়ে নেসাব  হিসেবে ধর্তব্য হবে? এবং বছরান্তে তার যাকাত দিতে হবে? বিস্তারিত উদাহরণসহ জানালে খুবই উপকৃত হব।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
২৪৩৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

তিন বছর পূর্বে জনৈক দালালের সাথে আমার এই মর্মে চুক্তি হয়, তিন লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমার জন্য মালোশিয়ায় একটি চাকুরির ব্যবস্থা করে দিবে। আর এই চুক্তির ভিত্তিতে আমি তাকে ২৫০০০/- টাকা প্রদান করি। কিন্তু এ পর্যন্ত সে আমার জন্য মালয়েশিয়া যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা করেনি। তাই আমি তাকে বললাম আমার বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, তুমি আমার টাকা দিয়ে দাও। সে এতেও গড়িমসি করে অবশেষে কিছুদিন পূর্বে ঐ ২৫০০০/- টাকা ফেরত দেয়। জানার বিষয় হল, ঐ টাকা যে তিন বছর দালালের নিকট ছিল সে বছরগুলোর কি যাকাত আমাকে আদায় করতে হবে?


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০