আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১০৫১৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ হযরত মাওলানা আকরাম গান আমার প্রশ্ন হল কোন ইমাম সব যদি মসজিদে জুমার বয়ানে জুমার নামাজের সঠিক সময় 1:30 সেখানে বয়ন শেষ করে যদি কেউ কালেকশনের কারণে যদি :50 কিংবা 54 নামাজে দাঁড়ায় এই ক্ষেত্রে যদি কোন মুসলিম মনোমালিন্য হয় সেক্ষেত্রে ইমাম সাহেবের করণীয় কি এবং মুসল্লিদের করণীয় কি এবং এটা জায়েজ কিনা এবং কারো যদি জুমার নামাজ জুমার ফরজ নামায শেষ করার পরপরই যদি কারো কোন কারো কোনো কঠিন জরুরাত আছে কিন্তু সে কবলাল জুমা পড়তে পারল না জরুরতের কারণে এই এই ক্ষেত্রে শেখ প্লাজমা পড়তে পারল না এই ক্ষেত্রে কি করণীয় আমার মূল প্রশ্ন হল যেকোনো টাকা কালেকশন এর কারণে মুসল্লীদেরকে কষ্ট দিয়ে নামাজে দেরি করা যাবে কিনা
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২৫ নভেম্বর, ২০২১
ঢাকা
৯৮৯৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমি একজন ডেন্টাল চিকিৎসক। আমি একটি ডেন্টাল ক্লিনিক এ কাজ করি।এখানে কাজের সময় বিকেল ৩ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত। আমাদের এখানে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ভালোভাবে দেখা হয়, এখানে এসে আমাদেরকে ক্লিনিক এর নির্ধারিত পোশাক পরতে হয়।এমতাবস্থায় আমাদের ক্লিনিক এর বাহিরে বের হওয়া কঠিন কারণ ক্লিনিক এর মালিক বের হতে দেয় না। মসিজদে যাওয়া আসা নামাজ পড়া সব মিলিয়ে এক ওয়াক্ত নামাজের জন্য ৩০ মিনিট সময় লাগে। আর এসময় রোগীও এসে বসে থাকে। এজন্য ৩ বা ৪ জন মিলে ক্লিনিকের একটি নির্দিষ্ট স্থানে জামাত করে সালাত আদায় করা হয়।এটা নিয়মিত করা হয়।আমাদের এভাবে সালাত আদায় করা জায়েজ হবে কিনা?আমরা জামাতে সালাত আদায়ের সওয়াব পাব কিনা??? নাকি গুনাহ হবে???? আবার অনেক সময় রোগীর চাপ বেশি থাকায় জামাত করা হয় না, আমাদের জমাত করার ইচ্ছে আছে কিন্তু রোগীর চাপে করা হয় না এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কি হবে??আমরা জামাত তরক করার জন্য গুনাহগার হবো কিনা??
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২ নভেম্বর, ২০২১
ঢাকা ১২১২
৮৫৬৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, প্রশ্ন : আমরা জানি জামাত সহিহ হওয়ার জন্য ইমাম এবং মুক্তাদীর জায়গা এক হওয়া শর্ত । এবং এটাও জানি যে,যদি মূল কাতার আর ঐ ব্যক্তির মাঝে দুই কাতার পরিমাণ বা তার চেয়ে বেশি ফাঁকা থাকে তাহলেও জামাত সহিহ হয় না।
এখন প্রশ্ন হলো এই মূলনীতিটা কি মসজিদের ভিতর এবং বাহির উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ? নাকি মসজিদের বাহিরের জন্য প্রযোজ্য ? কোনো ব্যক্তি যদি বড় কোনো মসজিদের এমন কোনো জায়গায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ে যেখান থেকে মূল জামাতের কাতারের দূরত্ব তার থেকে দুই কাতার বা তার চেয়ে বেশি ।

তাহলে কি নামাজ হবে ? নাকি হবেনা ? অনেকে তো প্রশ্ন করে যে কাবা শরীফে অনেক দূরে দূরে দাঁড়িয়ে মানুষ ইমামের সাথে ইকতিদা করে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করে থাকে। তাহলে কি তাঁদের নামায হবে না? দলিলসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস,
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
মাধবদী