আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২৭০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের ভার্সিটির ছাত্রাবাসে যেসব সহপাঠী নামাযী, তারা মসজিদে যেতে না পারলে অনেক সময়ই নিজেরা জামাত করে নেয়। একদিন নামাযের জন্য কাতার করে দাঁড়ানোর সময় এক সাথী বললেন, প্রথম কাতারে যারা আছি তাদের ইমামের পিছনেই দাঁড়াতে হবে এটা আবশ্যক না। ইমামের পাশে ডানে বামে দাঁড়ালেও চলবে। আরেক সাথী বললেন, না, এভাবে দাঁড়ালে হবে না। ইমামকে সামনে এগিয়েই দাঁড়াতে হবে। যাই হোক আমরা আর কথা না বাড়িয়ে প্রথমোক্ত সাথীর কথামতো ইমামের থেকে এক কদম সরে ডানে ও বামে তিনজন করে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করি। আর বাকি সাথীরা আমাদের পিছনে আরেক কাতারে। এখন জানার বিষয় হল, এইভাবে কাতার করে দাঁড়ালে কি নামায শুদ্ধ হবে? নাকি ইমামের একদম পিছনে কাতার করা বাধ্যতামূলক? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৩২৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের গ্রামের বাজার মসজিদে নামাযের জামাত দাঁড়াতে প্রায়ই পাঁচ-দশ মিনিট দেরি হয়। জামাত নির্ধারিত সময়ে দাঁড়াবার নিশ্চয়তা না থাকায় অনেক মুসল্লীই জামাতের অপেক্ষা না করে একাকী নামায পড়তে দাঁড়িয়ে যায়। যেহেতু দোকানদারি ফেলে আসতে হয় তাই দ্রুত ফেরার তাগাদা থাকে। কিন্তু দেখা যায়, অনেক সময়ই নামাযের বেশ কিছু অংশ; যেমন, এক রাকাত, দুই রাকাত, কখনো বা তিন রাকাত পড়ে ফেলার পর জামাত আরম্ভ হয়ে গেছে। আমার কথাই বলি, কয়েক দিন নিয়ত বেঁধে দাঁড়িয়ে গেলাম। এশার নামায ছিল সেটা। এক রাকাত শেষ করে দ্বিতীয় রাকাতে যখন কেরাত আরম্ভ করেছি তখন জামাত আরম্ভ হয়ে যায়। এ অবস্থায় আমি বুঝতে পারছিলাম না- আমার কী করণীয়। আমি কি নামায ছেড়ে দিয়ে জামাতে অংশগ্রহণ করব, নাকি পুরো নামায একাকী শেষ করে ফেলব- যেমনটা সাধারণত করে থাকে এখানকার অন্য মুসল্লীরা- নাকি দুই রাকাত পূর্ণ করে জামাতে অংশ নেব। অবশেষে চিন্তা করে দ্বিতীয় রাকাত সমাপ্ত করে জামাতে শরীক হয়ে গেলাম। প্রশ্ন হচ্ছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে আসলে কী করা উচিত? তাছাড়া আমি যা করেছি তা কি ঠিক হয়েছে? জানিয়ে বাধিত করবেন। বিস্তারিত বললে ভালো হয়।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০