আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২৩৫৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

ক) এ বিভাগের মাধ্যমে আমরা জেনেছি, খতম তারাবীহর বিনিময়ে টাকা দেয়া-নেয়া নাজায়েয। কোনো কোনো মসজিদে এশার নামায ও বিতর নামায আদায় করার শর্ত রেখে হাফেয সাহেবগণকে টাকা দেওয়া হয় এবং এ পদ্ধতিকে জায়েয মনে করা হয়। প্রশ্ন হচ্ছে, এভাবে হাদিয়া/টাকা দেওয়া জায়েয হবে কি? আর যে সমস্ত মসজিদে সূরা তারাবীহ হয় সে সমস্ত মসজিদেও তারাবীর হাদিয়া স্বরূপ টাকা পয়সা কালেকশন করা এবং টাকা দেওয়া হলে তা কি জায়েয হবে?

খ) মসজিদে ঘড়ি থাকলে এবং সময়সূচিতে জামাতের সময় নির্ধারিত থাকলে ঐ সময় অনুযায়ী নামায না পড়িয়ে ইমাম ২/৩ মিনিট দেরিতে নামায শুরু করার অথবা ইমামের জন্য ২/৫ মিনিট অপেক্ষা করার সুযোগ কি শরীয়তে আছে? একজন ইমাম সাহেব বলেছেন, ইমামের জন্য ৩/৫ মিনিট অপেক্ষা করার নিয়ম রয়েছে। কথাটি কি ঠিক?

 

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৯ অক্টোবর, ২০২০
২১৩১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

ক) কোনো ব্যক্তি শরয়ী মুসাফির হবে কোন জায়গা থেকে? নিজ ইউনিয়ন অথবা ওয়ার্ড থেকে বের হলে, নাকি শহর থেকে বের হলে? উদাহরণ স্বরূপ আমার বাড়ি ঢাকার জুরাইনে ৮৯ নং ওয়ার্ডে। এখানে যাবতীয় নাগরিক সুবিধা পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান। যথা-বাজার-ঘাট, চেয়ারম্যান-মেম্বার, সালিশ ও বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসনিক সকল সুবিধা ইত্যাদি। এ অবস্থায় আমি জুরাইন থেকে বের হলেই মুসাফির হব, নাকি জুরাইন থেকে আবদুল্লাহপুর (উত্তর দিকে ঢাকার শেষ প্রান্ত) পর্যন্ত প্রায় ৩০ কি.মি. পার হওয়ার পর ঢাকার বাইরে বের হলে মুসাফির হব?

খ) আমরা তাবলীগ জামাতে যাই। কাকরাইল থেকে আমাদেরকে ১টি ইউনিয়নে রোখ দেয় এবং আমরা ঐ ইউনিয়নে পৌঁছার পর স্থানীয় যিম্মাদার সাথীরা ঐ ইউনিয়নের ১৩টি মসজিদে (৩ দিন ঢ ১৩ দিন = ৩৯ দিন) ঠিক করে দেন। তখন সকল সাথী পূর্ণ ইতমিনানের সাথে ঐ মসজিদগুলোতে ৪০ দিন পূর্ণ করেন। কখনো মনে আসে না যে, আমাদেরকে কাকরাইল থেকে ডেকে নিবে এবং আমাদেরকে এমন হেদায়াত দেওয়াও হয় না যে, যে কোনো মুহূর্তে ডেকে আনা হবে। আর কখনো এমন দেখা যায়নি যে, কাকরাইল কোনো জামাতকে ফিরিয়ে এনেছে। আর যদি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা ঘটেও যায় তাহলে তা ধর্তব্য নয়। সুতরাং এ অবস্থায় কি চিল্লার জামাতে কসর পড়তে হবে নাকি পূর্ণ নামায পড়তে হবে? দয়া করে সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০
৯৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

তারাবীর নামায সংক্রান্ত দুটো বিষয় জানতে চাচ্ছি-

১. তারাবীর নামাযে চার রাকাত পর পর মুসল্লীরা নিম্নোক্ত দুআ-

سُبْحَانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ، سُبْحَانَ ذِي الْعِزّةِ وَالْعَظمَةِ ...

পড়ে থাকেন। এ সময় আসলে কী করণীয়? এ দুআ পড়বে নাকি ভিন্ন কোনো দুআ পড়বে? এ দুআ পড়ার অবকাশ আছে কি?

২. মাঝে মাঝে এমন হয় যে, দেরি করে আসার কারণে ইশার নামায শেষ করে তারাবীতে শরীক হতে হতে ৪/৬ রাকাত হয়ে যায়। ২০ রাকাত পড়ানোর পর ইমাম সাহেব বিতিরের জন্য দাঁড়িয়ে যান। তখন আমার কী করণীয়? তারাবীর বাকি রাকাতগুলো পড়তে গেলে বিতির ছুটে যাওয়ার আশংকা হয়। জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৬০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

১) নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে হাদীসে  নিষেধ করা হয়েছে। প্রশ্ন হল এই সামনের দূরত্ব কতটুকু বা সামনের কতটুকু দূরত্ব দিয়ে নামাযীকে অতিক্রম করা যাবে।

২) নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করার সময় সুতরার ব্যবস্থা করে অতিক্রম করা যাবে কি না। যদি সুতরার ব্যবস্থা করে অতিক্রম করা যায়, তবে কোন ধরনের জিনিষ দ্বারা করা যাবে। যেমন কাঠের বা প্লাস্টিকের বিশেষ ধরনের স্ট্যান্ড, চেয়ার, টুল ইত্যাদি।

৩) একজন সামনের কাতারের নামাযী, পিছনের কাতারের মুসল্লির নামায শেষ হওয়ার পূর্বেই উঠে যেতে চাইলে তার করণীয় কী।

উক্ত বিষয়ে কুরআন ও সুন্নাহ্র আলোকে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০