আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৯৫৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একজন সাবালক, হাফেজে কুরআন। গত রমযান মাসে আমার বোনের বাড়িতে বোনের উপস্থিতিতে মহিলাদেরকে নিয়ে আমি তারাবির নামায পড়াই। আমি দাঁড়াতাম বাহিরে। মহিলারা থাকত পর্দার ভেতরে। উল্লেখ্য যে, বোনের বাড়িতে জামাতের আয়োজন থাকায় এমন কিছু মহিলা তারাবীর নামাযে অংশগ্রহণ করেছে যারা একাকী ফরয নামাযও পড়ে না। অন্যান্য ক্ষেত্রে পর্দার বিষয়ে যেভাবেই থাকুক না কেন নামাযে আসা-যাওয়ার সময় মহিলারা যথাসাধ্য পর্দার প্রতি গুরুত্বারোপ করত। এভাবে দূর দূরান্ত থেকেও কিছু মহিলা জামাতে হাজির হত। পরবর্তীতে এলাকার আলেমদের মাঝে এ নিয়ে মতানৈক্য শুরু হয়। কেউ বলেন, মহিলাদের জন্য জামাতের আয়োজন করা মাকরূহ। কেউ বলেন, মাকরূহ নয়; জায়েয। আমার জানার বিষয় হল, উক্ত বিষয়ে শরীয়তের সঠিক সমাধান কী? দলীল-প্রমাণসহ জানালে চিরকৃতজ্ঞ হব।
 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৮ অক্টোবর, ২০২০
২৯৩২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

ক) আমি শৈশবে গ্রামের বাড়িতে কাচারি ঘরের হুজুরের কাছে কুরআন তিলাওয়াত শিখেছিলাম। অতঃপর গত চার-পাঁচ বছর ঢাকায় সহীহ নূরানী পদ্ধতির সাথে পরিচিত হয়ে উক্ত পদ্ধতিতে কুরআন তিলাওয়াত করতে শিখি। এরপর হতে নামাযে ও নামাযের বাইরে নূরানী পদ্ধতিতে কুরআন তিলাওয়াত করি। আমি বুঝতে পারছি যে, পূর্বের পদ্ধতি অশুদ্ধ ছিল। এখন আমার প্রশ্ন এই যে, পূর্বের পদ্ধতিতে আমি যে তেলাওয়াত করেছি সে বিষয়ে আমার কী করণীয়? সেভাবে পড়ার কারণে আমার নামায কি নষ্ট হয়েছে? জানালে উপকৃত হব। খ) আলহামদুলিল্লাহ, আমি যথাসাধ্য পর্দার বিধান মেনে চলতে চেষ্টা করি। কিন্তু গ্রামে গেলে চাচাতো বা মামাতে ভাইরা (বিশেষত যারা বয়সে ছোট) খোঁজ খবর নিতে আসে এবং কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে। আবার কখনো কখনো (বছরে হয়তো ২/১বার) তাদের কেউ কেউ ঢাকায় বেড়াতে আসে। তখনও একই অবস্থার উদ্ভব হয়। এ সকল অবস্থায় তাদের সাথে দেখা না করলে হয়তো আত্মীয়তার সম্পর্কই ছিন্ন হয়ে যায়। এক্ষেত্রে ঘরে নামাযের সময় যেভাবে সতর ঢাকি সেভাবে কাপড় পরা অবস্থায় তাদের সাথে দেখা করা জায়েয কি না জানালে কৃতজ্ঞ হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৮ অক্টোবর, ২০২০
৬০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

১) নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে হাদীসে  নিষেধ করা হয়েছে। প্রশ্ন হল এই সামনের দূরত্ব কতটুকু বা সামনের কতটুকু দূরত্ব দিয়ে নামাযীকে অতিক্রম করা যাবে।

২) নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করার সময় সুতরার ব্যবস্থা করে অতিক্রম করা যাবে কি না। যদি সুতরার ব্যবস্থা করে অতিক্রম করা যায়, তবে কোন ধরনের জিনিষ দ্বারা করা যাবে। যেমন কাঠের বা প্লাস্টিকের বিশেষ ধরনের স্ট্যান্ড, চেয়ার, টুল ইত্যাদি।

৩) একজন সামনের কাতারের নামাযী, পিছনের কাতারের মুসল্লির নামায শেষ হওয়ার পূর্বেই উঠে যেতে চাইলে তার করণীয় কী।

উক্ত বিষয়ে কুরআন ও সুন্নাহ্র আলোকে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৬১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একদিন ফজরের নামায পড়তে পারি নাই। সূর্য উদয় হলে পড়ে নিব ভাবছিলাম। কিন্তু আমার মনে ছিল না। তারপর যোহরের নামায পড়ার পর আমি ফজরের কাযা নামায আদায় করি। এখন কি আমার যোহরের ফরয নামায বাতিল হয়ে যাবে?

বিশেষ দ্রষ্টব্য : আমি মালা-বুদ্দা মিনহু কিতাবে সালাতের অধ্যায়ে পেয়েছি যে, কোনো ব্যক্তির এক ওয়াক্ত নামায তার জিম্মা থেকে ছুটে গেল পরবর্তী ওয়াক্তের পরে তা কাযা আদায় করলে পূর্ববর্তী নামাযের ফরযিয়াত বাতিল হয়ে যাবে। (মালা-বুদ্দা মিনহু, সালাত অধ্যায়)

অতএব, হুজুরের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার উক্ত বিষয়ের ব্যাখ্যাটি মাসিক আলকাউসারেপ্রকাশ করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।

পুনশ্চ : আমার অনেক ওয়াক্তের নামায কাযা আছে।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৮৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন আগে আমার পরিচিত একজন গাড়ী এক্সিডেন্ট করে এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। তখন তার মাথায় অপারেশন করা লাগে। এরপর মাথায় ব্যান্ডেজ অবস্থায় ছিল কিছুদিন। প্রথম কয়েকদিন বিছানায় পুরো শায়িত ছিল। মাথা নাড়ানো সম্ভব ছিল না। ডাক্তাররাও কয়েকদিন মাথা না নাড়ানোর কথা বলেছিলেন। এখন সে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছে। প্রশ্ন হল, সে যে কয়দিন পুরো শায়িত ছিল ওই দিনগুলোর নামাযের হুকুম কী? একজন বলেছে, মাথা না নাড়াতে পারলেও যেহেতু তার জ্ঞান ছিল তাই ওই কয়দিনের নামায তার চোখের ইশারায় পড়া জরুরি ছিল। তাই ওই কয়দিন নামায না পড়া অন্যায় হয়েছে। তার একথা কি ঠিক? এখন সে ওই নামাযগুলোর জন্য কী করবে? বিস্তারিত জানতে চাই।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০