আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৮৯৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

বিভিন্ন মসজিদে দেখা যায়, ইমাম সাহেব জুমার খুতবা দেওয়ার সময় মুসল্লিরা বসে বসে গল্প করে। আবার অনেককে দেখা যায়, যখন ইমাম সাহেব খুতবায়

إن اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا 

  আয়াতটি পড়েন তখন তারা উচ্চস্বরে দরূদ পাঠ করে। আর আমাদের মসজিদে ছোটকাল থেকেই লক্ষ্য করছি যে, ঈদের নামাযের খুতবায় ইমাম সাহেব যখন তাকবীরে তাশরীক বলেন তখন সকল মুসলিস্ন একসঙ্গে উচ্চস্বরে ইমাম সাহেবের সাথে সাথে তাকবীর বলতে থাকেন। তাই এ বিষয়গুলো সম্পর্কে শরীয়তের বিধান জানালে কৃতজ্ঞ হব। 


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
২১৮৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের সূরা-কেরাত শুদ্ধ নয়। মাদরাসার ছাত্র হিসেবে আমি তা বুঝতে পারি। তাই এ ব্যাপারে তাকে একদিন বললে তিনি আমাকে নামায পড়াতে দেন। কিন্তু গোপনে মুসল্লিদের কাছে তার ঐ অযোগ্যতার কথা অস্বীকার করেন। আর আমি তাদেরকে অনেকবার বলা সত্ত্বেও তারা ইমাম সাহেবকেই প্রাধান্য দেয় এবং আমার কথাকে গ্রাহ্য করে না। এখন আমি ঐ ইমামের পিছনে ইক্তিদা করলে আমার নামায অশুদ্ধ হবে এ ভয়ে আমি মসজিদে না গিয়ে বাড়িতেই একাকী নামায পড়ি। প্রশ্ন হল, এ অবস্থায় আমার বাড়িতে একাকী নামায পড়া সহীহ হচ্ছে কি? যদি না হয় তাহলে কী করণীয়? দলিল-প্রমাণ ও উপদেশসহ জানিয়ে উপকৃত করবেন।

 

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর | মুসলিম বাংলা