আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৫৯৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আলহামদুলিল্লাহ, এ বছর আমি হজ্ব করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। কিন্তু অনাকাংক্ষিতভাবে তাওয়াফে যিয়ারাতের সময় হায়েয এসে যায়। বুঝতে না পারার কারণে ঐ অবস্থাতেই আমি পূর্ণ তাওয়াফ সম্পন্ন করি। অবশ্য পরবর্তীতে ১৫ যিলহজ্ব পবিত্র হওয়ার পর তা পুনরায় আদায় করি।

হুযুরের নিকট আবেদন এই যে, এক্ষেত্রে আমার উপর কোনো জরিমানা ওয়াজিব হয়েছে কি না? মক্কায় আমাদের কাফেলার একজনকে জিজ্ঞাসা করার পর তিনি বলেছিলেন, একটি দুম্বা জবাই করলেই চলবে। তার কথামতো হারামে একটি দুম্বা জবাই করেছি। কিন্তু দেশে ফিরে আসার পর আরেকজন বললেন, একটি উট জবাই করা ওয়াজিব ছিল। সঠিক সমাধান ও এখন আমার করণীয় কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২১৯১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

কিছুদিন পূর্বে একটি মাসিক পত্রিকায় একটি হাদীস পড়েছিলাম যে, এক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করল ইয়া রাসূলাল্লাহ! দুনিয়া আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং আমার নিকট আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি ফেরেশতাদের দরুদ এবং মানবজাতির এই তাসবীহ দ্বারা কেন কল্যাণ অর্জন কর না, যার মাধ্যমে মানুষকে রিযিক প্রদান করা হয়? লোকটি নিবেদন করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কি? তিনি এরশাদ করেন, ‘‘তুমি সুবহে সাদিক হতে ফজরের নামায আদায় করা পর্যন্ত একশত বার

سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم

পাঠ করিও। দেখবে দুনিয়া তোমার পায়ে লুটিয়ে পড়বে। এর  প্রত্যেকটি শব্দ দ্বারা আল্লাহ তাআলা একজন করে ফেরেশতা সৃষ্টি করবেন, যে কিয়ামত পর্যন্ত তার তসবীহ পাঠ করতে থাকবে এবং তুমি এর সওয়াব পেতে থাকবে।

আমার জানার বিষয় হল, এই হাদীসটি কোন কিতাবে আছে এবং তা আমল যোগ্য কি না জানিয়ে বাধিত করবেন।


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৮ আগস্ট, ২০২১