আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৪১৪৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম, (১#)আসরের চার রাকাত নামাজে ইমাম সাব, যদি ভুলে পাচঁ রাকাত নামাজ পরে ফেলে,তাহলে সাহু সেজদা দিলে কি নামাজ হয়ে যাবে।অথবা এর করনীয় কী?
(২#)সাহু সেজদাহ মনে ভুলে, না দিয়ে নামাজ শেষে যদি সন্দেহ বা লোকজন বলাবলি করে যে,পাচঁ রাকাত নামাজ পরেছেন,তখন ইমাম সাব এবং মাসবুক(যে সম্পুর্ন নামাজ জামাত এ হাজির ছিলনা)এর করনীয় কী? বা নামাজ আবার নতুন করে পরতে হবে কী?
একটু বিস্তারিত বললে উপকৃত হতাম। আর, ভাই দয়া করে দলিল সহ এবং আরবির বাংলা তরজমা করে দিলে বুঝতে সহজ হতো।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ, মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
৭ জানুয়ারী, ২০২১
কেরাণীগঞ্জ
৯৮২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমরা তো জানি, যে সমস্ত নামাযে নিম্নস্বরে কেরাত পড়তে হয়, সেগুলোতে ইমাম সাহেব ভুলে ছোট তিন আয়াত বা বড় এক আয়াত সশব্দে পড়লে সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়। এমনিভাবে যে সমস্ত নামাযে সশব্দে কেরাত পড়তে হয় সেগুলোতে ঐ পরিমাণ কেরাত নিম্নস্বরে পড়লে সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়।

একজন বললেন, সূরা ফাতিহার ক্ষেত্রে হুকুম একটু ভিন্ন। আমি জানতে চাচ্ছি, এক্ষেত্রে সূরা ফাতিহা ও অন্যান্য সূরার মাঝে হুকুমে কোনো পার্থক্য আছে কি না?

একজনের কাছে শুনেছি, বেহেশতী জেওরে বলা হয়েছে, এক্ষেত্রে ভুলে দুই-তিন শব্দ সশব্দে বা নিম্নস্বরে পড়ে ফেললেও সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়ে যায়।

বেহেশতী জেওরের এ মাসআলা কি সঠিক? সঠিক হলে কি তা শুধু সূরা ফাতেহার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, না সকল সূরার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০