আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১০৭২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার পাঁচ বছরের একটা ছোট্ট ছেলে ছিল। তার নাম ছিল সালমান। সে পরিবারের সবাইকে মাতিয়ে রাখত। প্রায় সারাদিন সে আমার সাথেই থাকত। আমি তাকে অনেক বেশি মুহাব্বত করতাম। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা হঠাৎ করে সে অসুস্থ হয়ে মারা যায়। দাফন কাফন হয়েছে আজ চার পাঁচ দিন। কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই আমি ও তার আম্মু স্বপ্নে দেখি, সে বলছে, আব্বু আমি জীবিত। তুমি আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও। এখন আমরা সন্দেহে পড়ে গেছি, আসলে সে জীবিত না মৃত। এখন হুযুরের নিকট জানতে চাচ্ছি, আমি কি তার কবর খনন করে দেখে নিতে পারব আসলে জীবিত না মৃত? শরীয়ত কি আমাকে এটার অনুমতি দেয়?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৮২১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

সাবেরা খাতুন নামে একজন মহিলা নিঃসন্তান অবস্থায় ১৯৯৭ ঈ. সালে ইন্তেকাল করেন। তার স্বামী পূর্বেই ইন্তেকাল করেছেন। তার মা, বাবা, দাদা, দাদী, নানা, নানী ও তাদের উর্ধ্বতন নারী-পুরুষ এবং তার চাচা, ফুফু সকলেই পূর্বে মারা গেছেন।

সাবেরা খাতুনরা দুই ভাই, দুই বোন। বোন হাজেরা খাতুন। বড় ভাই ইউনুস আলী ও ছোট ভাই দানিশ। বোন হাজেরা খাতুন ও বড় ভাই ইউনুস আলী সাবেরা খাতুনের পূর্বেই মারা গেছেন। মৃত্যুকালে হাজেরা খাতুন এক ছেলে এবং ইউনুস আলী তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে যান। এরা সবাই বর্তমানে জীবিত রয়েছেন।

ছোট ভাই দানিশ সাবেরা খাতুনের পর মারা যান। দানিশের স্ত্রী স্বামীর পূর্বেই মারা গেছেন। দানিশ দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে যান। ছেলেমেয়ে সকলেই জীবিত রয়েছে। এখন সাবেরা খাতুনের সম্পদের বণ্টন কীভাবে হবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৯১২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের গ্রামের মসজিদের আর্থিক প্রয়োজন পূরণের জন্য বেশ কিছু ওয়াক্ফকৃত জমি আছে। এতে চাষাবাদ হয় এবং ভালো ফলন হয়। মসজিদ কমিটির একজন প্রভাবশালী সদস্য  (সেক্রেটারী) এই ওয়াক্ফকৃত জমির একটি অংশ মুতাওয়াল্লীকে না জানিয়ে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। ক্রেতা এই জায়গাটিকে পারিবারিক কবরস্থান বানিয়েছে। তবে এতে এখনো কোনো মুর্দা দাফন করা হয়নি। বিনিময় হিসেবে সে অন্যত্র সমপরিমাণ জায়গা ও কিছু নগদ টাকা দিয়েছে। জানার বিষয় হল, এই বিক্রি সহীহ হয়েছে কি না? সহীহ না হলে এখন কী করণীয়? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।
 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৬১৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার ভগ্নিপতি ছোটবেলাতেই পিতা-মাতার সাথে সৌদিআরব চলে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। চার-পাঁচ বছর পর পর বাংলাদেশে এসে দু’-এক মাস থেকে যেতেন। তিনি গত বছর সৌদিতেই হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হন। তিনি তখন বলেছিলেন, আমি পূর্ণ সুস্থ হলে আমার ফরয হজ্ব পালন করে নেব। আর না পারলে তোমরা আমার পক্ষ থেকে হজ্ব করে নিবে। কিন্তু কিছুদিন পর তিনি দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হয়ে ইন্তিকাল করেন। পরে সৌদিআরব থেকে তাকে বাংলাদেশে এনে দাফন করা হয়।

এখন মুহতারামের নিকট প্রশ্ন হল, আমার ভগ্নিপতির ওসিয়তকৃত হজ্ব সৌদিআরবে অবস্থানরত তার বাবা/ভাই বা অন্য কারো মাধ্যমে করালে হবে, নাকি বাংলাদেশ থেকে কাউকে পাঠিয়ে তার ওসিয়তকৃত হজ্ব করাতে হবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৬১১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের মসজিদটি মুসল্লি বেশি হওয়ার কারণে আরো সম্প্রসারিত করা দরকার। তাই মসজিদেরই ওয়াকফকৃত জমি, যেখানে মসজিদ সম্প্রসারণ করা হবে, সেখানে তিনটি কবর রয়েছে। তিনটির মধ্য থেকে সবার শেষে যে কবরটি স্থাপন করা হয়েছে সেটার বয়স ৮ বছর। কবরওয়ালাদের পরিবার মসজিদ সম্প্রসারণের কথা শুনে তারা কবর থেকে মাটি ও হাড্ডি উঠিয়ে পাশে অন্যত্র নিয়ে তাদের কবরের চিহ্ন রাখার জন্য দাফন করেছে। জানার বিষয় হল, উক্ত কবরের জায়গায় মসজিদ সম্প্রসারণ করা যাবে কি না? অনেকে বলেন, কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে সেখানে নামায পড়া শিরক। কথাটি কতটুকু সঠিক? জানিয়ে বাধিত করবেন। আরো জানতে চাই, কবর কতদিনের পুরাতন হলে তার উপর প্রয়োজনে বাড়ি, মসজিদ বা সড়ক নির্মাণ করা যায়?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৫৯৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আসসালামু আলাইকুম, কোনো ভূমিকা ছাড়াই মূল বিষয় তুলে ধরছি। আমরা আমাদের বাড়ি-ঘর, মসজিদ-মাদরাসার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কুরআনের আয়াত ও হাদীস লিখিত ওয়ালমেট, ক্যালেন্ডার, শোপিছ ও বিভিন্ন আসবাবপত্র ব্যবহার করে থাকি। এগুলোর কোনোটির মধ্যে সরাসরি আরবী লেখা থাকে, কোনোটির মধ্যে তরজমা, কোনোটির মধ্যে কেলিওগ্রাফির মাধ্যমে আয়াত বা হাদীস লেখা থাকে। আমার প্রশ্ন হল, এগুলো ব্যবহার কি জায়েয, না নাজায়েয? এগুলোর হুকুম কী? এ ধরনের ক্যালেন্ডার দিয়ে দরসি গায়রে দরসি কিতাব বাঁধাই করার, পড়ার টেবিলে বিছিয়ে ব্যবহার করার এবং বিভিন্ন স্থানে সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে লাগানোর হুকুম কী?

বিষয়টি ছোট করে না দেখে উপযুক্ত দলিলসহকারে বিস্তারিত সমাধান পেশ করার জন্য আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি। বারাকাল্লাহু ফীকুম, ওয়াসসালামু আলাইকুম।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০