আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১২৪৮২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি যখন নবম শ্রেণিতে পড়ি এখজন শিক্ষক আমাকে পড়াত ২০০০ টাকার বিনিময় আমার মা বাবার সাথে চুক্তি করে কিন্তু ওই শিক্ষক আমার থেকে জোড় করে, নানা ধরনের কথা বলে যৌন হয়রানি করত। প্রতি মাসে ১০০০ টাকা বেশি নিত তবে শেষ এর তিন মাস আমি ওনাকে আর কোনো টাকা দেয়নি ওনার খারাপ আচরণ এর কারনে তবে উনি এখনো এই টাকা দাবি করে বলে দিতে নাহলে উনি দাবি রাখবে এটা সেটা,,, তবে উনি মা বাবার সাথে চুক্তি ২০০০ এর ই করেছিল,, এখন কি করনীয়?? আর উনাকে টাকা দিতে গেলে আবার উনার যৌন হয়রানি শিকার হতে হবে,, আর উনি কি এটি পাওনা হবে,,
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মুহাম্মাদ রাশেদুল ইসলাম
৮ জানুয়ারি, ২০২২
Brahmanbaria
৮৬ বার পড়া হয়েছে
১১৮৯৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম মুহতারাম,

বাবা মার কথা শোনা ওয়াজিব!

আচ্ছা, যদি তারা কাফির হয় বা নামে মুসলিম কিন্তু ইসলামী শরীয়তের কোনো তোয়াক্কা করেন না, তার ছেলে ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে ফলো করলে নিচু চোখে দেখে, বা আল্লাহর হারামকে হালাল বানিয়ে ফেলে, হারামের কথা স্মরণ করিয়ে দিলে এসব আইনকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে!
আবার এমন কোনো বাবা মা আছেন, যারা কবর পূজারী মুখে সব সময় তাদের ভন্ড বাবাদের জিকির থাকে!

প্রশ্ন ১: এসব করলেও তাদের কথা শুনা ওয়াজিব?

প্রশ্ন ২: বাবা ইসলাম পালন করতে বাধা দেয়, যেমন নামাজ, রোজা, পর্দা করতে বাধা দেয়, শিরক করতে বাধ্য করে, খারাপ ব্যাবহার করে!

এমতাবস্থায় সম্পর্ক ছিন্ন করা জায়েজ হবে?

সম্পূরক প্রশ্ন: বাবা যদি হারাম আয় করে, তাহলে আমি হালাল আয়ের পথ খুঁজে আব্বার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারবো?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২৭ ডিসেম্বর, ২০২১
ঢাকা
৪৩ বার পড়া হয়েছে
১১৭০৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আজেকে প্রথম আমি প্রশ্ন করছি, ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
বর্তমানে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভাড়াও বেড়ে গিয়েছে এবং সরকার বর্ধিত ভাড়াও ঠিক করে দিয়েছে। কিন্তু অনেক গাড়ি তাদের ইচ্ছা মত ভাড়া দাবি করছে। যেমন আমার সাথে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা, আগে ভাড়া ছিল ৫ টাকা, সরকার কর্তৃক ৩০% বর্ধিত করলে ৭ টাকা মত হয়। আমার কাছে ১০ টাকা চাওয়া হল অর্থাৎ ৭০% বেশি। আমি ১০ টাকা দিতে রাজি না হলে বলা হল, ১ টাকাও কম নিবে না, না হলে ভাড়া দেওয়া লাগবে না, পরকালে নিবে। ( এমন ঘটনা অবশ্য অনেক সময়ই চোখে পড়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ভাড়া না দিয়ে নিমে যাওয়া)

আমিও রাগ করে ভাড়া না দিয়ে নেমে গেলাম, পরে আমি ৭ টাকা একজন ভিক্ষুককে দিয়ে দিলাম এই ভেবে যে পাওনাদার না পাওয়া গেলে সওয়াবের নিয়ত ছাড়া দান করে দিতে হয়।
তবুও মনের দিক থেকে পুরাপুরি সন্তুষ্ট হতে পারছি না যেহুতু ব্যাপার টা বান্দর হক।
আমার কাজটা ঠিক হলো কিনা এবং এমন পরিস্থিতিতে আমার করণীয় কি হবে কুরআন সুন্নাহের আলোকে জানালে খুবই উপকৃত হব, ধন্যবাদ।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
দেবহাটা
২১ বার পড়া হয়েছে
১১৪৭০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমি মাসায়েল অংশে প্রশ্ন করেছিলাম ওয়াজ মাহফিলের বিকট আওয়াজ নিয়ে। আমাকে উত্তর দেয়া হয়েছে গান-বাদ্য ইত্যাদির আওয়াজের সাথে তুলনা করে। আমার প্রশ্ন হল গান-বাদ্য তো হারাম। ইসলামের নামে এগুলো তো কেউ করে না, করলেও ইসলাম সেটা সমর্থন করে না। কিন্তু ওয়াজ মাহফিলের বিকট আওয়াজ, সেটা তো ইসলামের নামে করা হয়। তাহলে ইসলাম কীভাবে এটা সমর্থন করে ? ইসলাম সমর্থন না করলে আলেম সমাজ কিভাবে সেখানে বয়ান করেন ? ইসলাম তো অনুকরণীয় আদর্শ। চাইলে ইনডোর সাউন্ড সিস্টেম করা যায়। না করা গেলে বন্ধ থাকবে। কিন্তু মানুষকে ঘন্টার পর ঘন্টা এভাবে কষ্ট দেওয়া কীভাবে শরীয়তে জায়েজ হতে পারে ?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
১৯ ডিসেম্বর, ২০২১
মৌলভীবাজার
৩২ বার পড়া হয়েছে
৯৯২৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার প্রশ্ন হল আমার বাবা যদি আমার সাথে বেপরোয়া আচরণ করে তাহলে আমার কি করনীয় উচিত, যেমন আমি বিদেশে আছি চার বছর ধরে এসেছি একেবারে অল্প বয়সে, এ সময় আমি অনেক টাকা দিয়েছি, এখন আমার একটাও সম্বল হয়নি, আমি আমার বাবার কাছে চাইলে তিনি একটা টাকাও আমাকে ফেরত দিতে পারবে না, এবং মানুষের কাছে শুধু বলে আমি তাকে কিছুই দেইনি, এখন আমি কি করতে পারি, আমি তাদেরকে অনেক ভালোবাসি, আমি চাই তারা যে কোনো মূল্যে সুখে থাকুক, সেঁজুতি শুধু আমার সাথে এমন আচরণ করতো তাহলে আমার কোন দুঃখ ছিল না, সে আমার বোনদের, কেও মানুষের কাছে ছোট করে, তাদের বদনাম বলে বেরায় এখন আমি কি করতে পারি
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২ নভেম্বর, ২০২১
Negeri Sembilan
২২ বার পড়া হয়েছে
৯৫৯৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
হুজুর আশা করি ভালো আছেন? হুজুর আমি অতীতে এক সময় এক ফার্ণিচার ব‍্যবসায়ীর কাছ থেকে কয়েকটি কাঠ নিয়েছিলাম কিন্তু মূল‍্য পরিশোধ করিনি। এরকম আরো কিছু ঘটনা আছে যা বান্দার হকের সাথে সম্পর্কিত। তখন আমি অন‍্যের হক সম্পর্কে সচেতন ছিলাম না। এখন আমি মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে তাদের হক আদায় করতে চাই। কিন্তু এখন ঐ ব‍্যাক্তিরা বা তাদের ওয়ারিশরা কেউই এখন আমার আশেপাশে নেই এবং তাদের সাথে যোগাযোগেরও উপায় নেই। এখন আমি তাদের নামে ঐ টাকা গুলো আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতে চাই। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমি কি টাকা গুলো মসজিদের নির্মাণ কাজের জন‍্য দান করতে পারব?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২২ অক্টোবর, ২০২১
ঢাকা
২৫ বার পড়া হয়েছে