আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৩৯৩৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি একটা কোম্পানিতে চাকরি রত আছি আমার মার্কেটিং করতে হয় কিন্তু অন্যরা মার্কেটিং করে ধরেন তারা একটি মাল ক্রয় করে দিচ্ছে 100 টাকায় কিন্তু তার মূল্য 60 টাকা তারা 40 টাকা বেশি বিল করেছে
কিন্তু আমিও সেম একটি মাল ক্রয় করেছি কিন্তু তার ক্রয় মূল্য 60 টাকা তার আগেরটা 100 টাকা কোম্পানিকে দিয়ে দিয়েছে এখন আমি যদি ৬০ টাকায় কোম্পানিকে
ওই মালটা দি তবে আমার সমস্যা হতে পারে তাই আমি 100 টাকায় দিয়েছি বকেয়া 40 টাকা আমার কাছে ছিল আমি অন্য মাল ক্রয় করে কোম্পানিতে ফ্রিতে দিয়েছি কোম্পানিকে দেখাইনি না দেখেয় ডুকানো হয়েছে
এতে কোন গুনা কারন আমি হারাম খাইতে যাচ্ছি না আর
কার সাথে জোরগা করতে চাচ্ছি না
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ, মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
১২ ডিসেম্বর, ২০২০
নারায়ণগঞ্জ
২ বার পড়া হয়েছে
৩৫২৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হযরত, আমি কুমিল্লা থেকে সিয়াম প্রশ্ন করছি।

আমি সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। কোন টিউশনি না পাওয়ায় আমার আয়ের কোন ব্যবস্থা নেই। বাবার পাঠানো টাকাতেই চলি। যখন থেকে মাসজিদের সাথে সম্পর্ক হয়, তালিমে বসি, তখন থেকেই আল'হামদুলিল্লাহ সুন্নাতের উপর চলার চেষ্টা করছি। আমার বাবা-মা নামাজি হলেও আমার পোশাক পছন্দ করেন না এবং ঈদ আসলে তারা আমাকে শার্ট-প্যান্ট কেনার জন্য চাপ দেন। কিন্তু আমি আমার পুরনো পাঞ্জাবি-পাজামাই পড়ি। এমতাবস্থায় আমার মামা আমাকে পাঞ্জাবি-পাজামার জন্য কাপড় হাদিয়া দেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমার মামা ক্রিমিনাল কেসের দক্ষ আইনজীবী, তার আয়ের ব্যাপারে সন্দেহ আছে, হারাম হবার সম্ভাবনাই বেশি।

আমার প্রশ্নটা হচ্ছে, যেহেতু আমার বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা নেই এবং আমি সুন্নাতি পোশাক পরিধানে আগ্রহী সেহেতু আমি কি আমার মামার হাদিয়ার কাপড় গ্রহণ করতে পারি? জানালে উপকৃত হবো। জাযাকাল্লাহ খাইর।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ, মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
১১ নভেম্বর, ২০২০
কুমিল্লা
১ বার পড়া হয়েছে
২৫৯২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের একটি সমিতি আছে। কিছুদিন পূর্বে এক লোক একটি গরু ক্রয়ের জন্য আমাদের সমিতির কাছ থেকে দশ হাজার টাকা ঋণ চাইলে সমিতির পরিচালক সাহেব তাকে বলেন যে, আমরা আপনাকে ঋণ দিতে পারব না। তবে আপনার সাথে শরীকানায় গরুটি কিনতে পারি। পরে আমাদের অংশটা আপনার কাছে বাকিতে বিক্রি করে দিব। তবে এখনই বিক্রির চুক্তি নয় কেবল ওয়াদা করছি। এতে ঐ লোক রাজি হয়ে গেল। ফলে গরুটি শরীকানায় ক্রয় করে কিছুদিন পর আমাদের অংশটা কিছু লাভে ঐ লোকের কাছে বিক্রি করে দেই। জানার বিষয় হল, উল্লেখিত অবস্থায় আমাদের কারবারটি সহীহ হয়েছে কি?


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
২ বার পড়া হয়েছে
৯৮৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

ছ’মাস আগে আমি একজন কৃষক থেকে ৬০০/- টাকা দরে ১০ মণ ইরি ধান ক্রয় করি। চুক্তিটি এমন ছিল, আমি তাকে নগদ ৬০০০/- টাকা দিবো। ছ’মাস পর সে দশ মণ ধান দিবে। কিন্তু এখন ধান দেওয়ার সময় সে আমাকে আট মণ ধান দিয়ে বাকি দু’মণের টাকা ফেরত দিতে চাচ্ছে। এবং বলছে, এবার ধান কম হয়েছে। আমি তাকে বললাম, দু’মণ ধান কম এ শর্তে নিতে পারি, যদি সে বাকি  ধানগুলো সেদ্ধ করে শুকিয়ে দেয়। এবং এর বিনিময় হিসেবে বাকি দু’মণের টাকা সে রেখে দিবে। আমাকে ফেরত দিতে হবে না। সে এতে সম্মত হয়।

প্রশ্ন হল, ধান সেদ্ধ করে দেওয়ার এই চুক্তিটা বৈধ হয়েছে কি? হুযুরের কাছে জানতে চাই।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
১ বার পড়া হয়েছে
আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর | মুসলিম বাংলা