আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৭১১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমরা জানি, রমযানের রোযা ওজর ছাড়া ইচ্ছাকৃত ভেঙ্গে ফেললে কাফফারার রোযা এক নাগাড়ে দু মাস  রাখতে হয়। মাঝখানে ছুটে গেলে তা আদায় হয় না। এখন জানার বিষয় হল, দুমাস রোযা রাখার সময় মাঝখানে ঈদ বা আইয়ামে তাশরীক তথা রোযার জন্য নিষিদ্ধ দিন যদি চলে আসে এবং নিষেধ থাকার পরও রোযা রাখা হয় তাহলে কাফফারা আদায় হবে কি? এতে মাঝখানে বিরতি হয় না। কারণ আমরা আরেকটা মাসআলা জানি যে, কেউ যদি নিষিদ্ধ দিনে রোযার মান্নত করে তাহলে নিষেধাজ্ঞার পরও কেউ যদি রোযা রাখে তাহলে মান্নত পুরো হয়ে যায়। যদিও তাতে গুনাহ হয়। সে হিসেবে কাফফারাও আদায় হয়ে যাবে কি না? সঠিক মাসআলাটি জানানোর অনুরোধ রইল।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২২১২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

ক) আমি ভবিষ্যতে একজন আইনজীবী (অ্যাডভোকেট) হতে ইচ্ছুক। কিন্তু কয়েকমাস যাবত আমি এ বিষয়ে মানসিক দুশ্চিন্তায় ভুগছি যে, এই পেশাটি কি হালাল না হরাম? আমাদের দেশের প্রচলিত আইন সম্পর্কে আশা করি  অবগত আছেন। এই আইনের বেশীরভাগই (দেওয়ানী, ফৌজদারীসহ অন্যান্য আইন) মানব রচিত এবং ইসলামী আইনের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। তাই আমার প্রশ্নটি হচ্ছে এই সব বিষয়সহ অন্যান্য বিষয়ও বিবেচনায় রেখে জানতে চাই যে, এই পেশাটি হালাল নাকি হারাম। যদি হালাল হয় তাহলে কীভাবে এই পেশায় নিয়োজিত থেকে অর্থ উপার্জন করা যাথাযথ হালাল হবে।

খ) বর্তমানে বাংলাদেশে যেসব ইসলামী ব্যাংক রয়েছে সেখানে চাকরি করা জায়েয কি না এবং ঐ সব ব্যাংকে বিশেষ একাউণ্ট যথা-হজ্ব একাউণ্ট করা জায়েয কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০