আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৩১৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মহিলারা মাহরাম ব্যতিরেকে আটচল্লিশ মাইল বা এর চেয়ে বেশি দূরত্বের সফর একাকী করতে পারে না- এ কথা আমি জনৈক আলেমের কাছ থেকে জেনেছি। যে পরিমাণ অর্থ থাকলে হজ্ব ফরয হয় তা আমার আছে। কিন্তু মাহরামকে সঙ্গে নেয়ার মতো পথ খরচ ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের মতো সামর্থ্য আমার নেই। এদিকে আমার পড়শী এক দম্পতি এ বছরই হজ্বে যাচ্ছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এই প্রতিবেশী মহিলার সাথে আমি কি হজ্বের সফরে যেতে পারি? কারণ আমার না হলেও তার তো মাহরাম আছে এবং এতে করে মাহরামের যে প্রয়োজনীয়তা, তথা নিরাপত্তার দিকটি নিশ্চিত হওয়া- তা তো হয়েই যাচ্ছে। আর যদি এভাবেও আমার যাওয়ার অনুমতি না থাকে শরীয়তে তাহলে ফরয হজ্ব আদায়ে আমার করণীয় কী?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৩৫০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

আমি এবং আমার স্ত্রী দুজনেই সরকারী কর্মচারী ছিলাম। ১৯৯৭ সালে আমি অবসরপ্রাপ্ত হই। আমার উপর হজ্ব ফরয। ২০০০ সালে আমি হজ্বের প্রস্ত্ততি গ্রহণ করি। কিন্তু ঐ সময় আমার স্ত্রীর উপর হজ্ব ফরয ছিল না। যে সময় আমার স্ত্রীর উপর হজ্ব ফরয হবে তখন সে কোনো মাহরাম না-ও পেতে পারে -এ আশঙ্কা করে আমি আমার টাকা দিয়ে আমার সাথে হজ্ব করিয়ে নিয়ে আসি। এবং তার হজ্ব করার খরচের টাকার দাবি আমি ছেড়ে দিয়েছি। পরবর্তীতে আমার স্ত্রীর নিকট হজ্ব ফরয হওয়ার মতো অর্থকড়ি জমা হয়। এখন আমি জানতে চাই, আমার সাথে আমার স্ত্রীর আদায় করা হজ্বটি কি ফরয হজ্ব হয়েছে? নাকি স্ত্রীকে পুনরায় ফরয হজ্ব আদায় করতে হবে।

 

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১০৬২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

চাচার কাছে শুনেছি দাদীর অনেক জায়গা-জমি ছিল। চাচার বর্ণনা অনুযায়ী বুঝলাম, দাদীর এ পরিমাণ প্রয়োজনাতিরিক্ত জমি ছিল যার একাংশও বিক্রি করে তিনি হজ্ব করতে পারতেন। কিন্তু সকল সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও তিনি হজ্ব করেননি। চাচাকে এ ব্যাপারে বুঝালে তিনি দাদীর পক্ষ থেকে হজ্ব করতে রাজি হলেন। পরে চাচা বললেন, আম্মা আমাকে তো এ ব্যাপারে কিছু বলে যায়নি। এখন কীভাবে কী করি। আর সামনে আমার ব্যস্ততা বাড়তে পারে তখন অন্য কাউকে দিয়ে মায়ের পক্ষ থেকে হজ্ব করালে হবে কি না? এ দুটি প্রশ্নের উত্তর আমার জানা ছিল না। তাই হুযুরের কাছে এর উত্তর জানতে চাচ্ছি।

 

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১০৫৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

এ বছর হজ্বের সময় ৯ যিলহজ্ব মাগরিবের পর আমরা আরাফা থেকে হেঁটে মুযদালিফার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। এক জায়গায় এসে আমীর সাহেব বললেন, রাতে আমরা এখানেই অবস্থান করব। আমরা মনে করেছিলাম মুযদালিফার সীমানায় চলে এসেছি। কিন্তু হজ্বের পরে জানতে পারলাম যে, রাতে আমরা যে জায়গায় অবস্থান করেছি তা মুযদালিফার বাইরে ছিল। আমীর সাহেবকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, রাতে মুযদালিফায় অবস্থান করা জরুরি নয়। সকালে ফজরের পর কিছু সময়ের জন্য মুযদালিফায় অবস্থান করাই যথেষ্ট।

মুফতী সাহেবের কাছে প্রশ্ন হল, আমীর সাহেবের এ কথা কি ঠিক? রাতে মুযদালিফার বাইরে অবস্থানের কারণে আমাদের উপর কোনো জরিমানা ওয়াজিব হবে কি ?

এছাড়া সকালেও আমরা মুযদালিফায় অবস্থান করিনি। বরং মুযদালিফার উপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে তা অতিক্রম করে গিয়েছি। এভাবে রাতে মুযদালিফার বাইরে অবস্থান করে সকালে হাঁটতে হাঁটতে মুযদালিফার সীমানা অতিক্রম করার দ্বারা মুযদালিফায় অবস্থানের ওয়াজিব আদায় হয়েছে কি? আর এ কারণে আমাদের উপর কোনো জরিমানা আসবে কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।

 

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০