অনলাইনে পুরুষের সাথে ক্রয় বিক্রয় করার বিধান
প্রশ্নঃ ১৩৫৭৮২. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি একটা পেইজের মোডেরেটর । সেখানে পুরুষ কাস্টমারদের সাথে লিখে মেসেজে কথা বলতে হয়।কখনো ভয়েজ ও বলতে হয় ।এটা গুনা কি না?
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
মহিলারা কামাই রোজগারে সময় ব্যয় করার চেয়ে ঘরের সন্তানাদী তরবিয়তে সময় ব্যয় করা উত্তম। কামাই রোজগারে পুরুষরা সময় ব্যয় করবে। তবুও শরীয়তের দৃষ্টিতে মহিলাদের জন্য ক্রয় বিক্রয় করা জায়েজ আছে। তবে কেনাবেচা করতে গিয়ে শরীয়তের খেলাফ কোনো কাজ করা যাবে না।
প্রশ্নে উল্লেখিত সূরতে অনলাইনে কেনাবেচার সময় পুরুষদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করতে হয় না। শুধু মেসেজ লিখতে হয় অথবা ভয়েস পাঠাতে হয়। যদিও অপ্রয়োজনে পুরুষদের সাথে মেসেজ লেখা ও ভয়েস শুনানো ঠিক নয়, কিন্তু এখানে প্রয়োজনের কারণে একান্ত জরুরত পরিমাণ কথা বলার অবকাশ আছে।
سوال
دکان داری میں عورتوں پر چیزیں بیچتے وقت ان کے ساتھ بات چیت کرنا جائز ہے یا نہیں؟
جواب
شرعی اعتبار سے عورت کےذمہ گھرکےامورکی انجام دہی ہے، باہر کے کام عورت کے نہیں مرد کے ذمہ لازم ہیں؛ اس لیے جب گھر میں مرد بھی موجودہیں تو آج کل کے ماحول میں عورت کا بازار جانادرست نہیں ہے۔ نیزعورت کے لیے بلاضرورتِ شرعیہ نامحرم مرد سے بات چیت کرنے کی شرعاً اجازت نہیں ہے۔
البتہ عورت کے لیے مجبوری کے وقت ضرورت کے مطابق گھر سے باہر نکلنا جائز ہے، اس لیے اگر واقعی مجبوری ہے تو عورت شرعی پردہ کے ساتھ بازار سے سامان خرید کر لا سکتی ہے، اس صورت میں عورت کے لیے بھی یہ حکم ہے بات مختصر کرے ،بے تکلف اور بے محابہ گفتگو کی ہرگز اجازت نہیں، جہاں تک ممکن ہو آواز پست رکھیں اور لہجہ میں کشش پیدا نہ ہونے دے۔ اسی طرح مرد کے لیے بھی یہی حکم ہے کہ وہ عورت سے مختصر بات کرے ، بات چیت کو طول نہ دے، ضرورت کے بقدر مقصد کی بات کرکے سودا سلف فروخت کرسکتا ہے۔
الدر المختار شرح تنوير الأبصار في فقه مذهب الإمام أبي حنيفة - (6 / 369):
" وفي الشرنبلالية معزيًا للجوهرة: ولايكلم الأجنبية إلا عجوزًا عطست أو سلمت فيشمتها لايرد السلام عليها وإلا لا، انتهى. وبه بان أن لفظة "لا" في نقل القهستاني ويكلمها بما لايحتاج إليه زائدة، فتنبه". فقط والله أعلم
فتویٰ نمبر : 144109200546
دارالافتاء : جامعہ علوم اسلامیہ علامہ محمد یوسف بنوری ٹاؤن
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
খতীব, বাইতুল মামুর জামে মসজিদ, মিরাশপাড়া গাজীপুর
রেফারেন্স উত্তর :
প্রশ্নঃ ৮১১৫. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মেয়ে দের চাকরি সংক্রান্ত :আমি পাবলিক university থেকে graduation complete করেছি. আমি বিবাহিত. আমার মা আমাকে চাকরি করার জন্য প্রচুর pressure দিচ্ছে. আমার মা ও সরকারী চাকরি জীবি. উনি মনে করেন মেয়েদের চাকরি ই জীবন এর সব কিছু. আর husband রা khubh খারাপ হয়, চাকরি থাকলে ই মেয়েদের মূল্য দেয়. আমার মা অসুস্থ, হার্ট এর patient. এজন্য আমরা সব ভাই বোন তাকে হাসি খুশি ভালো রাখার চেষ্টা করি. আমার full family ই prosondo দুনিয়াদার. আমি university তে গিয়ে তাবলীগ এর তালিম এ দ্বীন পাই.মা যখন আমাকে জব এর pressure দেয় তার অসুস্থ তা plus সে প্রচুর কষ্ট পাবে, কান্না করবে ভেব এ আমি তাকে বলি হ্যা হ্যা জব করবো. আমার বাবা নাই. ছোটো থেকে মা ই পড়াশোনা করাইসে. আর এখন যদি তাকে বলি জব করবো না, সে আমাকে আরো pressure দেওয়া আর বুজানো শুরু করবে. কিন্তু আমি কখনো ই জব করতে চাই না. জীবন এর অনেক সময় নষ্ট করসি, এখন একটু ঘরে বসে ইবাদাত করতে চাই. জব করার কথা আমি চিন্তা ই করতে পারি না. আমি মানসিক ভাব এ খুব খারাপ আছি. এমন অবস্থায় কি করবো?
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
মহিলারা ঘরের অভ্যন্তরে অবস্থান করবে, এটা’ই ইসলামের নির্দেশনা। সে অনুসারে ‘চাকরি না করে বাকি জীবনটা ঘরে ‘ইবাদতের মাধ্যমে কাটিয়ে দেয়া’ আপনার মানসিকভাবে নেয়া এই সিদ্ধান্তটি যথার্থ এবং সঠিক।
সুতরাং এ সিদ্ধান্তের উপর অটল থেকে আপনি আপনার মাকে বুঝানোর চেষ্টা করুন । আপনি যেভাবে দ্বীনের বুঝ পেয়েছেন, আপনার মাকেও সেভাবে দাওয়াত দিতে থাকুন। পরকালীন জীবনের কথা বলতে থাকুন, দুনিয়ার তুলনায় আখেরাতের জিন্দেগি প্রাধান্য দেয়ার বিষয়টি বুঝাতে থাকুন, সাথে সাথে আল্লাহ তা’য়ালার কাছে দোয়া করতে থাকুন।
এরপরও আপনার মায়ের অসুস্থতার দরুন তার মন রক্ষার্থে পরিস্থিতি যদি এমন হয়ে দাঁড়ায় যে, আপনাকে চাকরী করতে’ই হবে, তখন তাকে সান্তনার জন্য আপনার স্বামীর অনুমতিক্রমে সাময়িকভাবে এমন একটা চাকরি করতে পারেন, যেখানে পর্দাসহ দ্বীনের অন্যান্য বিধানগুলো লঙ্ঘিত হবে না। (তবে আমাদের দেশে মেয়েদের জন্য চাকরির এমন পরিবেশ খুব’ই কম)সাথে সাথে আপনার মাকে বুঝানো অব্যাহত রাখতে হবে এবং পরিস্থিতি ঠিক হয়ে গেলে আপনি চাকুরি ছেড়ে আপন সংসার এবং ইবাদতের দিকে মনোযোগী হতে পারেন।
তবে চাকুরীর ক্ষেত্রে যদি এমন কোন পরিবেশ পাওয়া না যায় যেখানে ‘পর্দাসহ দ্বীনের সকল বিধানগুলো’ ঠিক থাকবে, তাহলে দ্বীনের বিধান লঙ্ঘন করে চাকরি করা আপনার জন্য কোনোভাবে’ই জায়েয হবে না।
(সূরা আহযাব,আয়াত-৩১-৩২, তাফসীরে মা’রেফূল কোরআন-১০০৭, বুখারী শরীফ-৩/৯২পৃঃ, ইবনে মাজাহ-২/৯৫৫পৃঃ, মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-২/১৩৪পৃঃ, তিরমিযী, মেশকাত-২৬৯পৃঃ)
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন