যে ব্যক্তি সালামের উত্তর দেয় না তাকে সালাম করার বিধান।
প্রশ্নঃ ১৪৫৯০২. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি এক ব্যক্তিকে প্রতিনিয়ত সালাম দেই কিন্তু সে সালামের উত্তর নেয় না বা কোন কথা ও বলে না ইদানিং ওনার এই আচরণের কারণে আমি সালাম দেওয়া ও কুশল বিনিময় করা উভয়টাই বন্ধ করে দিয়েছি এটা কি হিংসার অন্তর্ভুক্ত হবে বা অহংকারের অন্তর্ভুক্ত হবে
২৩ মার্চ, ২০২৬
ঢাকা ১২০৯
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
সালাম করা সুন্নাত এবং এর উত্তর দেওয়া ওয়াজিব। তবে এমন কিছু ক্ষেত্র বা সময় আছে যখন সালাম দেওয়া উচিত নয়। যদি ওইসব অবস্থার কোনোটিতে নিয়োজিত ব্যক্তিকে কেউ সালাম দেয়, তবে তার ওপর উত্তর দেওয়া ওয়াজিব হয় না। কিন্তু যদি তেমন কোনো বিশেষ কারণ না থাকে, তবে সালাম করা সুন্নাত। আপনি সালাম করুন, আশা করা যায় এতে সামনের ব্যক্তির মন নরম হবে। হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে যে, এর মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি হয়।
আর কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে এমন জানা থাকে যে সে সালামের উত্তর দেয়ই না, তবুও তাকে সালাম করা সুন্নত এবং তার ওপর উত্তর দেওয়া ওয়াজিব। যদি ওই ব্যক্তি সালামের উত্তর না দেয়, তবে সে নিজেই গুনাহগার হবে।
সারকথা হলো, সালামের এই সুন্নতটি চালু রাখুন, চাই সে উত্তর দিক বা না দিক। সে উত্তর দিলে সওয়াব পাবে, অন্যথায় সে গুনাহগার হবে।
فتاوی شامی :
"وفي شرح الشرعة: صرح الفقهاء بعدم وجوب الرد في بعض المواضع: القاضي إذا سلم عليه الخصمان، والأستاذ الفقيه إذا سلم عليه تلميذه أو غيره أوان الدرس، وسلام السائل، والمشتغل بقراءة القرآن، والدعاء حال شغله، والجالسين في المسجد لتسبيح أو قراءة أو ذكر حال التذكير. اهـ. وفي البزازية: لا يجب الرد على الإمام والمؤذن والخطيب عند الثاني، وهو الصحيح اهـ وينبغي وجوب الرد على الفاسق لأن كراهة السلام عليه للزجر فلا تنافي الوجوب عليه تأمل. هذا، وقد نظم الجلال الأسيوطي المواضع التي لا يجب فيها رد السلام ونقلها عنه الشارح في هامش الخزائن فقال:
رد السلام واجب إلا على … من في الصلاة أو بأكل شغلا
أو شرب أو قراءة أو أدعيه … أو ذكر أو في خطبة أو تلبيه
أو في قضاء حاجة الإنسان … أو في إقامة أو الآذان
أو سلم الطفل أو السكران … أو شابة يخشى بها افتتان
أو فاسق أو ناعس أو نائم … أو حالة الجماع أو تحاكم
أو كان في الحمام أو مجنونا … فواحد من بعدها عشرونا."
(كتاب الصلاة،باب ما يفسد الصلاة وما يكره فيها،مطلب المواضع التي لا يجب فيها رد السلام،ج:1،ص:618،ط:سعيد)
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
জাওয়াদ তাহের
মুফতি ও মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর ঢাকা
মুফতি ও মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর ঢাকা
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১