ফজরের জামাত কখন করা উত্তম!
প্রশ্নঃ ১৪৬১৬৫. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, ফজরের জামাত কখন করা উত্তম,, হাদিস সহ বলেন
২৪ মার্চ, ২০২৬
Nanupur
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
হানাফী মাযহাবের ওলামাদের মতে, ফজর কিছুটা বিলম্ব করে আকাশ যখন পরিষ্কার বা ফর্সা হয়, তখন পড়া উত্তম। এতে বেশি সওয়াব পাওয়া যায় এবং বেশি মানুষের জামাতে শরিক হওয়ার সুযোগ থাকে।
তবে বিলম্বটা এমন পরিমাপে হতে হবে যে, যদি কোনো কারণে নামায ফাসেদ (নষ্ট) হয়ে যায়, তবে যেন সূর্যোদয়ের আগেই পুনরায় পবিত্রতা অর্জন করে সুন্নাত মোতাবেক কিরাআত পড়ে দ্বিতীয়বার নামাযটি আদায় করার মতো সময় অবশিষ্ট থাকে।
হযরত রাফে ইবনে খাদীজ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন,
أَسْفِرُوا بِالْفَجْرِ فَإِنَّهُ أَعْظَمُ لِلأَجْرِ . قَالَ وَقَدْ رَوَى شُعْبَةُ وَالثَّوْرِيُّ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ . قَالَ وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلاَنَ أَيْضًا عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ وَجَابِرٍ وَبِلاَلٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَدْ رَأَى غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ الإِسْفَارَ بِصَلاَةِ الْفَجْرِ . وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ . وَقَالَ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ مَعْنَى الإِسْفَارِ أَنْ يَضِحَ الْفَجْرُ فَلاَ يُشَكَّ فِيهِ وَلَمْ يَرَوْا أَنَّ مَعْنَى الإِسْفَارِ تَأْخِيرُ الصَّلاَةِ .
তোমরা ইসফার অর্থাৎ চতুর্দিক ফর্সা হয়ে এলে ফজর আদায় করবে। কেননা এতে রয়েছে বিরাট সাওয়াব।
জামে' তিরমিযী
হাদীস নংঃ ১৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৪
হাদীসের লিংক:https://muslimbangla.com/hadith/29786
তাই হানাফী মাযহাবের মতে ইসফার বা ফর্সা হওয়ার সময়টি উত্তম একারণে যে, এতে মানুষের জামাতে আসা সহজ হয় এবং ভুলের অবকাশ থাকে না।
তবে রমজান মাসে সাহরী খেয়ে মানুষ মসজিদে উপস্থিত থাকে বিধায় অনেক সময় একটু তাড়াতাড়ি জামাত করা হয়, যা সুন্নাহ বিরোধী নয়।
فتاوی هندیه :
"يستحب تأخير الفجر ولا يؤخرها بحيث يقع الشك في طلوع الشمس بل يسفر بها بحيث لو ظهر فساد صلاته يمكنه أن يعيدها في الوقت بقراءة مستحبة. كذا في التبيين."
(کتاب الصلاۃ،الفصل الثاني في بيان فضيلة الأوقات،ج1،ص52،ط؛دار الفکر)
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
জাওয়াদ তাহের
মুফতি ও মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর ঢাকা
মুফতি ও মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর ঢাকা
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১