আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য করতে লগইন করুন

এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

৭৯৬২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, "আসসালামু আলাইকুম"
হুজুর আমাদের মাসজিদে ফজরের জামাত শুরু হয় ৫:০০ টায় এখন আমি মাসজিদে উপস্থিত হয়েছি ৫:০৫ তম মিনটে গিয়ে দেখি জামাত চলতেছে প্রথম রাকাতের সুরা কেরাত প্রায় শেষ এইরোকম অবস্থা এখন আমি ফজরের ২ রাকাত সুন্নাত না পড়েই জামাতে অংশ গ্রহণ করি এতে করে সুন্নত পড়া হলো না । এখন আমার জানার বিষয় হলো এই সুন্নাত নামাযটা কখন কোন সময়ে পড়ব কি নিয়তে পড়ব কাজা নিয়তে না কি ফরজ নামাজের পূর্বেকার নিয়ম নিয়তে....???

অসুস্থতার কারণে অথবা হঠাৎ কোনো কারণে খালি গায়ে নামায পড়া যাবে কি...??

মাসজিদে লাইভ নয় রেকর্ড করা ভিডিও ওয়াজ শোনা যাবে কি...?

গ্রাম গঞ্জে এমন কিছু প্রথা চালু হয়ে গিয়েছে যে এখনকার মা-চাচি-ভাবীরা এদেরকেও সঠিক/উচিৎ কথা বলতে গেলে দোষ হয় যাইহোক যেটা বলতেছিলাম মা-চাচি-ভাবীরা তাদের মোবাইলে মহিলা বক্তার তালিম ও ওয়াজ রেকর্ড করে উচ্চ আওয়াজে রাস্তাঘাটে অথবা কয়েকজন মহিলা একত্র হয়ে সেগুলো শুনতে থাকে ফলে ভিন্ন ছেলে-সন্তান অথবা বাব চাচা ভাই যারা আছে তারাও শুনতে পায় এতে কোনো সমস্যা আছে কি...? মহিলা বক্তার ওয়াজ শোনা যাবে কি...??

কোনো একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখি সূর্য উঠতে আর মাত্র ১৫ মিনিট বাকি আছে এমতাবস্থায় আমি তাড়াহুড়া করে দাত ব্রাশ করে অযু শেষ করে দেখি ৭ মিনিট সময় আছে তাই আমি সুন্নত না পড়ে আগে ফরজ ২ রাকাত পড়া শেষ করে দেখি ঘরিতে সূর্য উদয়ের সময় হয়েছে তথা ৫:২৬ বেজে গেছে ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এই সময় সূর্য উঠে ফলে নামায হয়েছে কি নাকি সেই দিনের নামাযটা পূনরায় কাযা আদায় করা লাগবে..??
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
৭ আগস্ট, ২০২১
চৌহালি
৩ বার পড়া হয়েছে
প্রশ্ন: ৬৬৫৫ - আস্সালামু ওয়ালাইকুম<br/><br/>১) আমি এখন নিয়মিত নামাজ পড়ার চেষ্টা করছি। বলতে গেলে ৫ ওয়াক্তই পড়ছি। আমি কিছুদিন হলো জেনেছি সুন্নত মুয়াক্কাদা না পড়লে গুনাহ হয়। আবার ফরজ বাদ গেলে তার কাযা পড়ে নিতে হয়। এখন বিষয়টা হচ্ছে আমার নামাজের প্রাপ্ত বয়স হওয়ার পর আমি ঠিকমতোন নামাজ পড়তাম না পড়লেও ৫ ওয়াক্ত না। এখন আমি চাচ্ছি আগের নামাজ গুলোর কাযা পড়তে। কিন্তু বুঝতেছি না কোন সময়ের নামাজ থেকে কাযা হবে আমার নামায? আবার মাসিক ও হয়। আমি কিভাবে কোন সময়কে কেন্দ্র করে কাযা নামাজ আদায় করা শুরু করবো? আর কিভাবে বুঝবো আমার জিবনের সব কা্যা নামাজ আদায় করা হয়ে গেছে?<br/><br/>২) যদি কোনো দিনের ইশার নামাজ + বিতরের নামাজ এবং তার পরের দিবসের ফজরের নামাজ মিস হয়ে যায় তাহলে কিভাবে কাযা আদায় করতে হবে? নিয়ম টা জানতে চাচ্ছি কবে এবং কখন।<br/><br/>৩) কেউ যদি কুরআন শরীফের অনুবাদ পড়ে জানার জন্যে সেটাও কি কুরআন খতম বলে গন্য হবে? কুরআন খতমের পর যে দুয়া করতে হয় সেখানে কি আল্লাহর কাছে জীবিত বাবা মা এর জন্যে কিছু চাওয়া যাবে?<br/><br/>৪) কাউকে পছন্দ করলে এবং তাকে হালাল উপায়ে পাওয়ার জন্যে কোনো আমল করা যায়? করা গেলে তা কি তা জানতে চাই। <br/><br/>৫) অনেকে বিপদের সময় বলে ৫/১০/১৫ বার দুয়া ইউনুস অথবা যে কোনো দুয়া পড়ে দিতে এটা কি বিদ'আত বলে গন্য হয়?<br/><br/>৬) বাবা মা ছাড়া অন্য কারো জন্যে দুয়া করা কি ইসলামে নিষিদ্ধ? এমনকি নিজের ভাই বোনের জন্যে ও? আমার চাচু এক মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিল সেখানে নামাজ শেষে এটাই বলা হয়েছিল যে আমরা সন্তানরা বাবা মা ছাড়া কারো জন্যে দুয়া করবো না, দুয়া করলে তা বিদআত হিসেবে গন্য হবে।তাই জানতে চাচ্ছি কথাটা কতোটুকু সত্য।<br/><br/>আশা করি আমার সব গুলো প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আমার জ্ঞানের বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করবেন। | মুসলিম বাংলা