ভিন্ন দেশ থেকে ৩০ রোযা রেখে বাংলাদেশে গেলে রোযা রাখতে হবে? রাখলে ৩১টা হয়ে যায়। করণীয় কি?
প্রশ্নঃ ৯০৫৮৩. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, দেশের বাইরের থাকার সমকালীন সময় যদি আমরা রোজা রেখে যাই, বাংলাদেশে আমাদের রোজার সংখা ৩১টা দাঁড়ায়,কয়টি রোজা রাখতে পারব
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
대한민국 경기도 파주시 파주읍 부곡리 ২১০-৭ (KR)
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই!
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনি যে দেশে অবস্থান করবেন সে দেশের মুসলমানদের সাথে রোজা রাখবেন এবং তাদের সাথে ঈদ করবেন। তাই ভ্রমণের কারণে যদি রোজা ৩০ দিনের বেশি হয়ে ৩১টি হয় তবুও রোজা চালিয়ে যেতে হবে; এতে কোনো সমস্যা নেই। কারণ, আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ রোযা হল যেদিন তোমরা রোযা পালন কর। ঈদুল ফিতর হল যেদিন তোমরা ইফতার কর। আর ঈদুল আযহা হল যেদিন তোমরা কুরবানী কর। -সুনানে তিরমিজি, হাদীস নং: ৬৯৭; সুনানে ইবনে মাজাহ ১৬৬০
তবে যদি ভ্রমণের কারণে মোট রোজা ২৯ দিনের কম হয়ে যায়, তাহলে পরে কাজা করে ২৯ দিন পূর্ণ করতে হবে। কেননা, ২৯ এর কম রোজা হয়না।
শরঈ দলীলঃ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الصَّوْمُ يَوْمَ تَصُومُونَ وَالْفِطْرُ يَوْمَ تُفْطِرُونَ وَالأَضْحَى يَوْمَ تُضَحُّونَ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ . وَفَسَّرَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ هَذَا الْحَدِيثَ فَقَالَ إِنَّمَا مَعْنَى هَذَا أَنَّ الصَّوْمَ وَالْفِطْرَ مَعَ الْجَمَاعَةِ وَعُظْمِ النَّاسِ .
سنن الترمذي ، رقم الحديث: ٦٩٧
"لأن الشهر لا يكون أكثر من ثلاثين يوما وعلى هذا روي عن محمد - رحمه الله تعالى - أنهم لو صاموا بشهادة الواحد على رؤية الهلال فصاموا ثلاثين يوما ثم لم يروا الهلال أفطروا؛ لأن الشهر لا يكون أكثر من ثلاثين يوما۔"
(المبسوط للسرخسي،كتاب الصوم،ج:٣، صفحة :78، ط: دار المعرفة، بيروت)
لو صام رائ ہلال رمضان واکمل العدة لم یفطر الا مع الامام لقولہ علیہ الصلاة والسلام: ”صومکم یوم تصومون وفطربکم یوم تفطرون“ ۔ رواہ الترمذی وغیرہ۔ والناس لم یفطروا فی مثل ہٰذا الیوم فوجب ان لا یفطر ( رد المحتار، أول کتاب الصوم ۳: ۳۵۱، ط: مکتبة زکریا دیوبند) ، ) لو اکمل ہٰذا الرجل ثلاثین یوماً لم یفطر إلا مع الإمام (الفتاوی الھندیة ۱: ۱۹۸، ط: مکتبة زکریا دیوبند، مجمع الأنھر ۱: ۲۳۸، ط: دار الکتب العلمیة بیروت) ۔
(فتاوی عثمانی ۲: ۱۷۶، ۱۷۷، مطبوعہ: مکتبہ معارف القرآن کراچی، احسن الفتاوی ۴: ۴۳۳، مطبوعہ: ایچ، ایم سعید کمپنی، کراچی، کتاب المسائل ۲: ۱۳۴- ۱۳۶، ۱۳۸، مطبوعہ: فرید بک ڈپو، دہلی، وغیرہ ، فتاوی قاسمیہ ۱۱: ۴۱۶، مطبوعہ: مکتب(فتاوی عثمانی ۲: ۱۷۶، ۱۷۷، مطبوعہ: مکتبہ معارف القرآن کراچی، احسن الفتاوی ۴: ۴۳۳، مطبوعہ: ایچ، ایم سعید کمپنی، کراچی، کتاب المسائل ۲: ۱۳۴- ۱۳۶، ۱۳۸، مطبوعہ: فرید بک ڈپو، دہلی، وغیرہ ، فتاوی قاسمیہ ۱۱: ۴۱۶، مطبوعہ: مکتبہ اشرفیہ دیوبند، وغیرہ
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
শাহাদাত হুসাইন ফরায়েজী
মুফতী, ফাতাওয়া বিভাগ, মুসলিম বাংলা
গবেষক, হাদীস বিভাগ, মুসলিম বাংলা
খতীব, রৌশন আলী মুন্সীবাড়ী জামে মসজিদ, ফেনী
মুফতী, ফাতাওয়া বিভাগ, মুসলিম বাংলা
গবেষক, হাদীস বিভাগ, মুসলিম বাংলা
খতীব, রৌশন আলী মুন্সীবাড়ী জামে মসজিদ, ফেনী
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১