আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৯৬৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

গ্রামে বা শহরে কোনো পুরুষ বা নারী মৃত্যুবরণ করলে লাশের কাফন-দাফনে অনেক ক্ষেত্রে বেশ বিলম্ব করা হয়। গ্রাম থেকে শহরে বা শহর থেকে গ্রামে আত্মীয়স্বজন আসার অপেক্ষা করা হয়। কিংবা শহর থেকে লাশকে গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রয়োজনে হিমাগারেও রাখা হয়। আর মৃত ব্যক্তি নামি-দামি বা বিশেষ ব্যক্তি হলে বিভিন্ন স্থানে লাশ রাখা হয়, কয়েক দফা জানাযার নামায আদায় করা হয়। আবার কেউ দেশের বাইরে মারা গেলে তাকে দেশে এনে দাফন করা হয়। এতে ২, ৪, ৬ মাসও বিলম্ব হয়ে যায়। তাই জানার বিষয় হল, লাশের প্রতি এরূপ আচরণ সম্পর্কে শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি কী? দয়া করে বিস্তারিত দলিল-প্রমাণের আলোকে জানিয়ে বাধিত করবেন।


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৭৫৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

গত বছর আমি হজ্বে গিয়েছিলাম। দেশ থেকে ইহরাম বেঁধে যাইনি। ইচ্ছা ছিল মীকাত অতিক্রম করার আগে ইহরাম বেঁধে নেব। কিন্তু পরে আর মনে ছিল না। ইহরাম না বেঁধে মীকাত অতিক্রম করেছি। জেদ্দা বিমান বন্দরে নামার পর আমার এক আত্মীয় জানতে পারলে বলেন, আগে মদীনায় আমার বাসায় চলে আসুন। পরে হজ্বের আগে মদীনা থেকে ইহরাম বেঁধে হজ্ব করতে পারবেন। তার পরামর্শ অনুযায়ী আমি প্রথমে হারামে প্রবেশ না করে অন্য পথে সরাসরি মদীনায় গিয়ে সেখান থেকে ইহরাম বেঁধে হজ্ব করেছি। দেশে আসার পর এক ব্যক্তি বললেন, ইহরাম না বেঁধে মীকাত অতিক্রম করার কারণে নাকি আমার উপর দম ওয়াজিব হয়েছে।

তাই জানার বিষয় হল, ইহরাম না বেঁধে মীকাত অতিক্রম করার কারণে কি আমার উপর দম ওয়াজিব হয়েছে?

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৮৩০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

ক) আমার স্বামী ২০০৭ সালে হজ্বে গিয়েছিলেন। তখন আমার নেসাব পরিমাণ সম্পদ ছিল। আমার স্বামী একজন মুফতী সাহেবের কাছে শুনে এসে বলেছেন যে, মহিলাদের মাহরামকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার মতো টাকা না থাকলে হজ্ব ফরয হয় না। কিন্তু মাহরাম এমনিতেই পেয়ে গেলে যে হজ্ব ফরয হবে সেটা তিনি বলেননি। এজন্য ২০০৭ সালে তিনি হজ্বে যাওয়ার সময় আমি বুঝিনি যে, আমার উপর হজ্ব ফরয এবং আমার স্বামীও তা খেয়াল করেননি। আমি হজ্ব ফরয না জেনেই তার সাথে হজ্বে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমার বাচ্চা ছোট বলে আমাকে হজ্বে নিতে রাজি হননি। আমার বাচ্চার বয়স তখন ২ বছর পুরা হয়নি। তবে বুকের দুধ স্বামী হজ্বে যাওয়ার ১ মাস আগেই ছাড়িয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমার বাচ্চা আমাদের দুজন ছাড়া আর কারো কাছে থাকত না। আমি ওকে রেখে হজ্বে যাওয়ার কথা চিন্তাও করতে পারিনি। তাই আমি ওকে নিয়েই হজ্বে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মুরববীরা এবং আমার স্বামী কেউ বাচ্চা নিয়ে যেতে রাজি হননি। আর বাচ্চা রেখে যাওয়ার কোনো উপায়ও ছিল না। কারণ শুধু ওর আববু হজ্বে যাওয়ার কারণেই ওর অবস্থা এমন হয়েছিল যে, আমি হাম্মামে (বাথরুমে) গেলেও সে কাঁদতে কাঁদতে বমি করে দিত। এখন এই (দুগ্ধপোষ্য) শিশু কি আমি  হজ্বে না যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ওজর হিসেবে গণ্য হবে?

উল্লেখ্য, আমি আমার উপর হজ্ব ফরয সেটা না জানার কারণে গত এক বছর আগে উমরা করে এসেছি। এই জন্য আমার কাছে এখন হজ্বে যাওয়ার মতো নেসাব পরিমাণ সম্পদ নেই। এখন আমি হজ্ব না করার কারণে কি আমার গুনাহ হচ্ছে? হয়ে থাকলে আমার কী করণীয়?

খ) আমার শ্বশুর প্রতি বছর হজ্বে যান। আমার যদি একা হজ্বে যাওয়ার মতো টাকা হয় তাহলে আমার উপর হজ্ব ফরয হবে কি? হজ্বের মতো কঠিন সফরে শ্বশুরের সাথে যাওয়া কি ঠিক হবে?

গ) কোনো মহিলা যদি বাচ্চা রেখে যাওয়ার মতো উপযুক্ত পরিবেশ না পায় আর তাকে হজ্বে নেওয়ার মতো সামর্থ্যও না থাকে তাহলে সে কী করবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০