আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২৫০৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

আমাদের ফ্যাক্টরির ভেতরই কর্মচারীদের থাকার ব্যবস্থা আছে। মুরগীর জন্য মহাক্ষতিকর ভাইরাসজনিত সমস্যার কারণে কর্মচারীদের বাইরে যাওয়া নিষেধ থাকে। ফলে সকলেই পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফ্যাক্টরির ওয়াক্তিয়া নামায ঘরেই আদায় করে থাকে। একই সমস্যার কারণে তাদেরকে জুমআর জন্যও বাইরের মসজিদে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। এখন তাদের জন্য ফ্যাক্টরির ওয়াক্তিয়া নামায ঘরে জুমআ পড়া জায়েয হবে কি না? না কি যোহর পড়তে হবে। নামায ঘরটি ওয়াকফিয়া মসজিদ নয়। অনেকের ধারণা, জুমআ আদায়ের জন্য জামে মসজিদে যেতে হবে। শুধু মসজিদ হলেও চলবে না। এটা ঠিক কি না?


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০
২১৫৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের গ্রাম ফেনী শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে। ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশে আমি গ্রামের বাড়ি থেকে ফেনী শহর পর্যন্ত আসি। তখন যোহরের সময় হলে দুই রাকাত কসর পড়ে গাড়িতে উঠি। কিছুদূর যাওয়ার পর বাড়ি থেকে একটি জরুরি ফোন আসে। ফলে সেখান থেকে বাড়ি চলে আসি। বাড়ি ফেরার পরও যোহরের সময় বাকি ছিল। এতে আমার মনে সংশয় সৃষ্টি হয় যে, আমি সফরের উদ্দেশে বের হলেও যেহেতু সফরসম দূরত্ব অতিক্রম করার আগেই যোহরের সময়ের মধ্যে বাড়ি ফিরে এসেছি তাই আমাকে পুনরায় ঐ যোহরের নামায পড়তে হবে কি? জানিয়ে বাধিত করবেন।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০
২১৩১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

ক) কোনো ব্যক্তি শরয়ী মুসাফির হবে কোন জায়গা থেকে? নিজ ইউনিয়ন অথবা ওয়ার্ড থেকে বের হলে, নাকি শহর থেকে বের হলে? উদাহরণ স্বরূপ আমার বাড়ি ঢাকার জুরাইনে ৮৯ নং ওয়ার্ডে। এখানে যাবতীয় নাগরিক সুবিধা পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান। যথা-বাজার-ঘাট, চেয়ারম্যান-মেম্বার, সালিশ ও বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসনিক সকল সুবিধা ইত্যাদি। এ অবস্থায় আমি জুরাইন থেকে বের হলেই মুসাফির হব, নাকি জুরাইন থেকে আবদুল্লাহপুর (উত্তর দিকে ঢাকার শেষ প্রান্ত) পর্যন্ত প্রায় ৩০ কি.মি. পার হওয়ার পর ঢাকার বাইরে বের হলে মুসাফির হব?

খ) আমরা তাবলীগ জামাতে যাই। কাকরাইল থেকে আমাদেরকে ১টি ইউনিয়নে রোখ দেয় এবং আমরা ঐ ইউনিয়নে পৌঁছার পর স্থানীয় যিম্মাদার সাথীরা ঐ ইউনিয়নের ১৩টি মসজিদে (৩ দিন ঢ ১৩ দিন = ৩৯ দিন) ঠিক করে দেন। তখন সকল সাথী পূর্ণ ইতমিনানের সাথে ঐ মসজিদগুলোতে ৪০ দিন পূর্ণ করেন। কখনো মনে আসে না যে, আমাদেরকে কাকরাইল থেকে ডেকে নিবে এবং আমাদেরকে এমন হেদায়াত দেওয়াও হয় না যে, যে কোনো মুহূর্তে ডেকে আনা হবে। আর কখনো এমন দেখা যায়নি যে, কাকরাইল কোনো জামাতকে ফিরিয়ে এনেছে। আর যদি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা ঘটেও যায় তাহলে তা ধর্তব্য নয়। সুতরাং এ অবস্থায় কি চিল্লার জামাতে কসর পড়তে হবে নাকি পূর্ণ নামায পড়তে হবে? দয়া করে সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০