আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৬০৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

(ক) আমরা জানি, মৃত ব্যক্তিকে কবরে তিনটি সওয়াল করা হবে। কিন্তু এমনও লোক আছে যাদের মৃত্যু হয় আকাশে বা সাগরে যাদের লাশ মাটিতে দাফন করার সুযোগ হয় না। তাদেরকে কোথায় সুওয়াল করা হবে?

(খ) অনেক মানুষের লাশ সাগরে দাফন করা হয়ে থাকে সেটিই বা বৈধ কতটুকু?

(গ) সাধারণ মানুষ তো আছেই অনেক আলেমকেও দুআর সময় বলতে শুনি, হে আল্লাহ! অমুকের রূহের মাগফিরাত করুন। আসলে অমুকের রূহের মাগফিরাত করুন হবে, নাকি হে আল্লাহ! অমুককে মাফ করে দিনÑ কোনটি সঠিক?

(ঘ) কবর যিয়ারতের সময় কোন দিকে ফিরে দুআ-দরূদ পড়ব?

(ঙ) কবর সামনে রেখে কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করা যাবে কি?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৬৯৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

একটি বিষয়ে শরীয়তের আলোকে সমাধান জানানোর অনুরোধ করছি।

আমার ছোট ভাইয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছিল আমাদের এক মামাতো বোনের সাথে। কিন্তু তার মা অর্থাৎ আমাদের মামী বললেন, তিনি আমার বড় বোনকে ছোটবেলায় দুধ পান করিয়েছিলে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর মুরব্বীরা বলছেন, এ বিয়ে জায়েয হবে না।

মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, ঐ মামাতো বোনের সাথে আমার ছোট ভাইয়ের বিয়ে জায়েয হবে কি না? আর এ ব্যাপারে এতদিন পর্যন্ত কেউ জানতো না। এমনকি আমার আম্মাও জানতো না। এদিকে পরিবারের অনেকে মামীর এ দাবির সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠিয়েছে।

এ সব বিষয়কে সামনে রেখে বিষয়টির সমাধান জানিয়ে আমাদেরকে উপকৃত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৩৪১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকায় কয়েকদিন আগে একজন মহিলা মারা গেছেন। দূর-দূরান্ত থেকে তার আত্মীয়স্বজনরা জানাযায় শরিক হওয়ার জন্য এসেছিলেন। মৃতের পরিবার অনেক বড়। আত্মীয়-স্বজন অনেক বেশি। আর তারা সম্পদশালীও। আগত আত্মীয়দের খানা খাওয়ানোর জন্য ঐ মহিলার স্বামী একটি গরু জবাই করে খানার ব্যবস্থা করেন। আর অনেকেই এখন এভাবে আয়োজন করে খানার ব্যবস্থা করে থাকে। কিন্তু কেউ কেউ বলছেন, মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে ঐ দিন আগত আত্মীয়দের জন্য এভাবে খানার আয়োজন করাটা বেদআত। তাদের এ কথা কতটুকু সঠিক? কুরআন-হাদীসের আলোকে প্রমাণসহ জানালে কৃতজ্ঞ হব।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৯৪৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকায় একটি মাযার আছে। সেখানে কিছু সাধক আছেন যারা মাঝে মধ্যে বড় উদ্ভট কথাবার্তা বলে থাকেন। হক্কানী লোকদের ব্যাপারেও উদ্ভট মন্তব্য করে থাকেন। একদিন বললেন, মেরাজে গিয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নব্বই হাজার কালাম লাভ করেন। এর মধ্যে ত্রিশ হাজার কালাম জাহেরী আর বাকী ষাট হাজার বাতেনী। এসব কিছু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোপনে একমাত্র আলী রা.কে বলে গেছেন। তাঁর নিকট থেকে ক্রমান্বয়ে সূফী, ফকীর ও দরবেশদের নিকট ষাট হাজার কালাম রয়েছে। যেগুলো সম্পর্কে ওলামায়ে কেরাম অজ্ঞ। ফলে তারা ফকীর-দরবেশদের কিছু বিষয়াদি নিয়ে আপত্তি করেন। এ কথাগুলো সঠিক? বাস্তবেই কি ষাট হাজার কালাম বাতেনী আছে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৬৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আল্লাহর মেহেরবানিতে আমি এবছর আমার আম্মাকে নিয়ে হজ্ব করতে গিয়েছিলাম। প্রথম দুই দিন প্রচুর ভিড়ের ভেতর আম্মাকে সাথে নিয়ে আমরা কংকর মেরেছি। ১২ই যিলহজ্ব কাফেলার মুআল্লিম আমাকে বললেন, কংকর মারার সময় তো প্রচুর ভির থাকে তাই আজ আপনার মাকে কষ্ট না দিয়ে নিজেই তার পক্ষ থেকে কংকর মেরে দিন। এতে তার ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে। মুআল্লিমের কথা অনুযায়ী আমি নিজে সেদিন আম্মার পক্ষ থেকে কংকর মেরেছি। হজ্ব থেকে দেশে ফেরার পর একজন আলেমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘নিজে কংকর মারতে পারলে অন্যকে দিয়ে কংকর মারানো জায়েয নেই।তার কথা কি ঠিক? ঠিক হলে এখন করণীয় কী?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০