আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৮১৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

জামান সাহেবের বাড়ি রংপুর। ব্যবসার উদ্দেশ্যে তিনি চট্টগ্রাম শহরে গেছেন। সেখানে তিনি বিশ দিন থাকবেন। কিন্তু দশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর হঠাৎ বাড়ি থেকে তার মেয়ের অসুস্থতার খবর আসে। তিনি সফর সংক্ষিপ্ত করে আরো একদিন থেকে বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্তনেন। পেছনের দশদিনের চার রাকাত বিশিষ্ট নামায তো তিনি মুকীম হিসেবে আদায় করেছেন কিন্তু এখন যেহেতু তার বিশ দিন থাকা হচ্ছে না বরং সামনের একদিনসহ মোট এগারো দিন থাকা হবে তাই এ অবস্থায় আগামী একদিনের নামায চট্টগ্রাম শহরে থাকা অবস্থায় কীভাবে পড়বেন? কসর, নাকি পূর্ণ নামায পড়বেন?


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০
৭৭৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

গত মাসে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সপরিবারে কলকাতা গিয়েছিলাম। যাওয়ার সময়ই পনের দিনের বেশি অবস্থানের ইচ্ছা ছিল। ভিসাও ছিল বিশ দিনের। কিন্তু আটদিনেই মোটামুটি কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় আর দুইদিন থেকে দেশে ফেরার ইচ্ছা করি। প্রথমে তো পনের দিন থাকব এই ভিত্তিতে মুকীম হিসেবে পূর্ণ নামাযই পড়েছি। কিন্তু আটদিন পর যখন স্পষ্ট হয়ে গেল, পনের দিন থাকা হচ্ছে না তখন দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যাই যে, এখন কসর করব নাকি আগের মতই পূর্ণ নামায পড়ব। পরে এ কথা ভেবে বাকি দু’দিনও পূর্ণ নামায পড়েছি যে, চার রাকাতের জায়গায় দুই রাকাত পড়লে তো নামাযই হবে না, তবে দুই রাকাতের জায়গায় চার রাকাত পড়লে অন্তত নামায হয়ে যাবে।

মুফতী সাহেবের কাছে আমার জিজ্ঞাসা হল, পরবর্তী দুই দিন কসর না করে পূর্ণ নামায পড়া কি ঠিক হয়েছে?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০
১৭৮১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 আবদুল্লাহ ও তার স্ত্রী মাঝেমধ্যেই ঝগড়া করে। স্ত্রী সর্বদা ঝগড়ার সময় বলে,আমাকে ছেড়ে দাও। এ কথাটি তার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। আবদুল্লাহ একবার রাগের মাথায় বলে ফেলে যে,এই কথা তুমি আর একবার বললে তুমি তালাক। এখন জানার বিষয় হল,

ক) স্ত্রী যদি আবার রাগের মাথায় ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় কথাটি বলে তবে তার কী হুকুম? তালাক হলে কয় তালাক হবে এবং সেক্ষেত্রে তারা একত্রিত হতে চাইলে কী করণীয়?

খ) স্বামীর জন্য তার উক্ত কথা থেকে ফিরে আসার কোনো উপায় আছে কি?

দয়া করে বিস্তারিত দলিল-প্রমাণসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২০ অক্টোবর, ২০২০
৭৫৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন পূর্বে আমার এক প্রতিবেশী ইন্তেকাল করেন। তার আট-দশ বছর বয়সী দুটি ছেলে আছে। উভয়ে মাদরাসায় পড়াশোনা করে। এছাড়া সংসারে কর্মক্ষম কোনো পুরুষ নেই। লোকটির স্ত্রী এক মহিলা মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। মাদরাসাটি বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে। মহিলাটি প্রতিদিন বিকেলে বাড়িতে চলে আসেন। আর বর্তমানে উক্ত মহিলার সংসারের খরচ চালানোর জন্য তার এ চাকরি ছাড়া আর কোনো ব্যবস্থা নেই।

প্রশ্ন হল, উক্ত মহিলার জন্য ইদ্দতের সময় এ চাকরি করা জায়েয হবে কি না?

মুফতী সাহেবের কাছে বিনীত নিবেদন, উপরে বর্ণিত মহিলার সার্বিক অবস্থাকে সামনে রেখে শরীয়তের আলোকে সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন। যদি তার জন্য ইদ্দত অবস্থায় উক্ত চাকরি করা জায়েয না হয় তাহলে তার সংসারের খরচ নির্বাহ হবে কীভাবে? এ বিষয়ে শরীয়ত কী বলে?

দয়া করে জানিয়ে উপকৃত করবেন। আল্লাহ আপনাদেরকে উত্তম বিনিময় দান করুন।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২০ অক্টোবর, ২০২০
৯১৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন পূর্বে আমাদের প্রতিবেশী এক ব্যক্তি ইনতেকাল করেছেন। লোকটির বাড়ি কুমিল্লায়। তবে তার কুমিল্লার বাড়িতে বর্তমানে তার মেয়ে পরিবারসহ বসবাস করছে। লোকটি তার কর্মস্থল টাঙ্গাইলে জায়গা-জমি কিনে বাড়ি করেছিলেন। দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি পরিবারসহ টাঙ্গাইলেই বসবাস করছিলেন। তবে কখনো কখনো তারা দীর্ঘদিনের জন্য কুমিল্লায় মেয়েদের কাছেও থাকতেন। লোকটি তার বর্তমান বাড়ি টাঙ্গাইলেই মারা গিয়েছে। এখন তার স্ত্রী সে বাড়িতেই ইদ্দত পালন করছে। পনের দিন হয়েছে তার স্বামী মারা গিয়েছে। এখন মহিলাটি ইদ্দতের বাকি সময় কুমিল্লার বাড়িতে তার মেয়ের নিকট কাটাতে চাচ্ছে। তার জন্য কি কুমিল্লার বাড়িতে ইদ্দত পালন করা জায়েয হবে?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২০ অক্টোবর, ২০২০
২৪৭৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

পাঁচ বছর আগে মুহাম্মাদ আদনান নাজিবের সাথে আমার বিয়ে হয়। ইতিমধ্যে আমাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে হয়েছে। বিয়ের কাবিন নামার ১৮ নং ধারায় আমার স্বামী আমাকে তালাক গ্রহণের অধিকার দেয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে মৌখিকভাবে আমাকে এই বলে তালাক গ্রহণের অনুমতি দিয়েছে যে, আমি যদি কোনো দিন তোমার গায়ে হাত তুলি অর্থাৎ মারধর করি তাহলে তুমি স্বেচ্ছায় তালাক গ্রহণ করতে পারবে। গত বছর থেকে আমাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছিল না। সে ঠিকমতো ভরণ-পোষণ দেয় না। আমার ছেলে মেয়ের যত্ন নেয় না। আমি খরচ চাইলে রাগারাগি করে। বেশ কয়েকবার সে আমাকে খুব মারধরও করেছে। তাই আমি গত ২/১/২০১২ তারিখে আমাকে তালাক গ্রহণের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এক তালাকে বায়েন গ্রহণ করেছি। কিন্তু এখন সে আমার ও আমার পরিবারের কাছে কান্নাকাটি করে ও বার বার ক্ষমা চেয়ে আমাকে পুনরায় নিতে চাচ্ছে। জানার বিষয় হল, উল্লেখিত অবস্থায় আমার তালাক গ্রহণ সঠিক হয়েছে কি না? যদি হয়ে থাকে তাহলে আমার জন্য তার কাছে পুনরায় ফিরে যাওয়ার শরীয়তসম্মত কোনো পন্থা আছে কি না? জানালে উপকৃত হব।


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২০ অক্টোবর, ২০২০