আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৫১১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার ফুফাতো ভাই একটি দোকান দিয়েছে। সে এতে ৬ লক্ষ টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করেছে। কিছুদিন পর তার টাকার প্রয়োজন হলে সে আমার কাছে ঋণ চায়। আমি তাকে ঋণ দেওয়ার পরিবর্তে আলোচনাক্রমে তার ব্যবসায় বিনিয়োগ করি। বিনিয়োগকৃত টাকার পরিমাণ ছিল ৪ লক্ষ। এক্ষেত্রে আমাদের মাঝে এভাবে চুক্তি হয় যে, ব্যবসা সে দেখাশোনা করবে। আর দোকানের সব খরচ বাদ দিয়ে যা লাভ হবে তা দু’জনের মাঝে অর্ধার্ধি হারে বণ্টন হবে। আর লোকসান হলে উভয়ে মূলধন অনুপাতে বহন করবে।

এখন মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমাদের উক্ত চুক্তিটি শরীয়তসম্মত হয়েছে কি না? দয়া করে জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৭৮৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক আত্মীয়ের একটি রাইসমিল আছে। তাতে নতুন কিছু মেশিনারিজ কেনার জন্য ১,৩০,০০০/- টাকার প্রয়োজন। সে আমার সাথে এভাবে চুক্তি করতে চাচ্ছে যে, আমি তাকে ঐ টাকা দিলে সে প্রতি মাসে আমাকে ১৭০০/- টাকা লাভ দিবে। এর পর বাকি লাভ যা থাকবে ছয়মাস পর পর হিসাব করে বণ্টন হবে। তখন লাভের পরিমাণ দেখে ইনসাফের ভিত্তিতে শতকরা হারে একটি পরিমাণ নির্ধারণ করে বাকি লাভ নেওয়া হবে।

একজন বললেন, এভাবে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট আকারে লাভ নেওয়া হলে বাকি বিনিয়োগটি জায়েয হবে না। কিন্তু আমার আত্মীয়ের কথা হল প্রতি মাসে একটি অংক নিলেও ৬ মাস পর বাকি লাভ যেহেতু শতকরা হারে বণ্টিত হচ্ছে তাই কোনো সমস্যা নেই।

মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি, উপরে বর্ণিত নিয়মে কি আমি  বিনিয়োগটি করতে পারব?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৭৫৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের দুই ভাইয়ের একটি আমবাগান আছে। আমি ঢাকায় থাকি বিধায় সেটি দেখাশোনা করা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই আমি আমার ভাইয়ের সাথে এভাবে চুক্তি করতে চাচ্ছি যে, সে এটি দেখাশোনা করবে। যা খরচ হবে তা আমাদের সম্মিলিত বলে গণ্য হবে। আর মোট লাভ থেকে তাকে নিচের দুই পদ্ধতির কোনো এক পদ্ধতিতে লাভ দেওয়া হবে।

১. ফল বিক্রয় বাবদ প্রাপ্ত লাভ থেকে ২০% তাকে দিয়ে বাকিটা আমরা দুই ভাগে ভাগ করে নেব।

২. সারা বছরের জন্য তাকে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হবে। ফল বিক্রয় বাবদ প্রাপ্ত অর্থ থেকে তার পারিশ্রমিক প্রথমে প্রদান করা হবে। এরপর খরচ বাদে অবশিষ্ট টাকা দু’জন ভাগ করে নেব।

শরীয়তের দৃষ্টিতে উভয় পদ্ধতির বিধান কী? দয়া করে জানালে উপকৃত হব।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৮৬৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একজন অটো চালক। গ্রামে ভাড়ায় অটো চালাই। ভাড়া বাবদ মালিককে ৩০০ টাকা করে দৈনিক দিতে হয়। গরমের মৌসুমে আমাদের এলাকায় ঘন ঘন বিদ্যুত চলে যায়। যার কারণে অটোতে ভালভাবে চার্জ হয় না। তাই গ্রামের অটোচালকরা সকলে মিলে জেনারেটরের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।

জেনারেটরের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার কারণে বিদ্যুতের তুলনায় অনেক বেশি খরচ হয়। এতে মালিকের ভাড়ার টাকা ও চার্জ-বিল পরিশোধের পর কামাই বলতে তেমন কিছু থাকে না।

তাই আমি আমার মালিকের সাথে এভাবে চুক্তি করেছি যে, জেনারেটরের চার্জ-বিল বাদ দিয়ে সারাদিনের কামাইয়ের যা অবশিষ্ট থাকবে তা আমরা সমান দুই ভাগে বণ্টন করে নিব। আমার প্রতি মালিকের আস্থা থাকায় তিনি এতে সম্মত হয়েছেন।

হুযুরের নিকট জানতে চাচ্ছি উক্ত পদ্ধতিটি কি বৈধ হবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৯৪৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে কুরবানীর ঈদের সময় চামড়ার ব্যবসা করি। ব্যবসার প্রক্রিয়াটা এই হয় যে, আমরা প্রথমে ট্যানারিতে যোগাযোগ করে চামড়ার একটা মূল্য নির্ধারণ করি। এরপর ঈদের এক-দুদিন আগ থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত যারা কুরবানী করবে তাদের বাড়ি বাড়ি যাই। তাদের সাথে চামড়া ক্রয়ের চুক্তি করে আমাদের নির্ধারণকৃত মূল্য তাদের হাতে অগ্রিম দিয়ে আসি। এতে দেখা যায়, অধিকাংশ চামড়াই আমরা কিনতে পারি। কেননা এভাবে অগ্রিম না কিনলে অন্য গ্রুপ এসে কিনে ফেলার আশংকা থাকে।

অতপর ঈদের দিন সকালে কুরবানী হওয়ার পর চামড়া ছিলা হলে আমরা সেগুলো ট্যানারিতে নিয়ে বিক্রি করি। জানতে চাচ্ছি, আমাদের উক্ত ব্যবসা শরীয়তসম্মত কি না? কোনো সমস্যা থাকলে তা সমাধানের উপায়সহ জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০