আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১১১৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

প্রতি বছর আমি লুঙ্গি, শাড়ি ইত্যাদির মাধ্যমে যাকাত আদায় করি। বছরও যাকাতের নিয়তে ঢাকা ইসলামপুর থেকে ৪০০টি লুঙ্গি ৩০০টি শাড়ি ক্রয় করে কুড়িগ্রামগামী একটি বাসের ছাদে এগুলো উঠিয়ে দেই। বাস কর্তৃপক্ষ কুড়িগ্রাম জেলা বাস টার্মিনালে এগুলো নামিয়ে দেয়। কিন্তু সেখানে আমার পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হয়ে যায়। গিয়ে দেখি, কাপড়ের গাঁটরিটি খুলে পড়ে আছে। তাতে ৬০/৭০টি লুঙ্গি, শাড়িও নেই।

প্রশ্ন হল, আমাকে এখন আবার নতুন করে ক্রয় করে যাকাত দিতে হবে, নাকি প্রথমবার যাকাতের নিয়তে ক্রয় করার দ্বারাই যাকাত আদায় হয়ে গেছে? 

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
১০২১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

জনাব, নি¤œলিখিত মাসআলার শরয়ী ফায়সালা দানকরে বাধিত করিবেন।

ক. আমার ব্যবসা থেকে খরচাদি বাদে উদ্বৃত্ত টাকা জমা করা হয় পরবর্তীতে বড় কোন একটি বিনিয়োগের জন্য। অর্থাৎ ব্যবসায়িক কাজে অথবা কোনো বাড়ি করার জন্য। বিনিয়োগের সুযোগ আসার আগ পর্যন্ত উক্ত টাকা আমি আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকে এফডিআর করে রাখি। যা ২/১ বছর পর ভাঙ্গিয়ে মূল টাকা বিনিয়োগ করি এবং ব্যাংক কর্তৃক প্রদেয় মুনাফার টাকা আলাদা একটি একাউন্টে রেখে দেই, যা গরীবদের মধ্যে প্রয়োজনমত বিতরণ করা হয়। এবং অতীতে এ ধরনের টাকা দিয়ে জনকল্যাণার্থে রাস্তা তৈরিতে এবং পাবলিক টয়লেট তৈরিতে খরচ করা হয়েছে।

খ. এ ছাড়া সরকারী আধা-সরকারী সংস্থার  সাথে ব্যবসা করতে হলে এবং কোনো লাইসেন্স নিতে হলে সেখানেও কিছু টাকা জামানত অত্যাবশ্যক হয়। উক্ত জামানতের নগদ অর্থ না দিয়ে এফডিআর আকারে জমা করা হয় এবং মেয়াদান্তে তাতেও কিছু টাকা মুনাফা আসে যা (ক) এর পদ্ধতিতে খরচ করি।

আমার এই পদ্ধতি ঠিক আছে কি না? যদি সহীহ না হয় তাহলে অন্য কোনো সহীহ পথ আছে কি না?

উল্লেখ থাকে যে, উক্ত (ক) এবং (খ) -এ বর্ণিত এফ ডি আর ভাঙ্গানোর আগ পর্যন্ত উক্ত টাকার নিয়মিত যাকাত দিয়ে থাকি।

প্রকাশ থাকে যে, আমি নিজে ব্যবসায়িক অথবা কোন বিনিয়োগের কাজে ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ গ্রহণ করি না।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৯৭৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার উপর বেশ কিছু টাকা যাকাত এসেছে। কয়েকজন মাদরাসার ছাত্র ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয় আছে। কথা প্রসঙ্গে তাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম, বর্তমানে মাদরাসার পাঠ্যপুস্তকগুলোর দাম অনেক বেশি। বিশেষত এ কিতাবগুলোর যে সকল ব্যাখ্যাগ্রন্থ বৈরুত, মিশর, পাকিস্তান, হিন্দুস্তান ইত্যাদি রাষ্ট্র থেকে ছেপে আসে সেগুলো ক্রয় করে উপকৃত হওয়া অর্থের অভাবে অনেক মেধাবী ছাত্রের পক্ষেই সম্ভব হয় না। তাই আমি চাচ্ছি আমার উক্ত যাকাতের টাকা দিয়ে এ ধরনের প্রয়োজনীয় কিছু কিতাব কিনে গরীব মেধাবী ছাত্রদের দিব। জানতে চাচ্ছি, এভাবে কিতাব কিনে দেওয়ার দ্বারা আমার যাকাত আদায় হবে কী?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০