আমাদের প্রিয় নবীজির সবকিছুই সুন্দর! তিনি নিজে সুন্দর! তার কথা সুন্দর! তার কাজ সুন্দর! তার মন সুন্দর!
ইস্তিখারা মানে ‘কল্যাণ চাওয়া’। সব সময়, সব বিষয়ে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাস নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়? ম
আমাদের ইসলামে দুই ধরনের ‘ইবাদত’ আছে। কিছু আছে আল্লাহ তা‘আলা ও তার রাসূল আমাদের জন্যে আবশ্যক করে দিয়ে
নবীজি সা.-এর হাদীস পড়ার সময় মাঝেমধ্যে একটা চিন্তা আমাদের খেয়াল থেকে ছুটে যায়: -আমি যা পড়ছি, সেটা নিছ
নবীজি সা.-এর সুন্নাত ও আদর্শ জীবনের প্রতিটি দিককে ছুঁয়ে আছে। এখানেই তার সাথে অন্য নেতাদের ফারাক। রাষ
উত্তম চরিত্র কী? নানাজন নানা ব্যখ্যা দিবেন। চিন্তা ও রুচিভেদে বক্তব্যও ভিন্নতা পায়। আমাদের কাছে নবীজ
কিছু সুন্নাত আছে, আদায় করলে সমাজে পারিবারিক অশান্তি বলে কিছু থাকবে না। চারদিকে সুখ আর সুখের নহর বইতে
দোকানে গিয়ে কাটারিভোগ, ছানাবালুশা, সন্দেশ, ক্ষীর, মোহনভোগসহ আরও নাম না জানা অসংখ্য নামজাদা মিষ্টি খা
আমাদের ওপর আল্লাহ তা‘আলার কতো নেয়ামত! রাশি রাশি নেয়ামত আর অনুগ্রহের মাঝে আমরা ডুবে আছি। এর বিনিময়ে প
কথা কম কাজ বেশি। কাজ কম লাভ বেশি। আমল কম সওয়াব বেশি। সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে পেলে একজন যা রুজি করে, আ
প্রতি সপ্তাহে একটা উট সাদাকা করা ক’জনের পক্ষেই বা সম্ভব? অথবা প্রতি সপ্তাহে একটা করে গরু বা ছাগল সাদ
সিওয়াক মানে মিসওয়াক করা একটি চমৎকার সুন্নাত। এটা এমন এক সুন্নাত, আদায় করলে, দ্বীন ও দুনিয়া উভয় দিকেই
বর্তমান হলো গতির যুগ। বেগের যুগ। বেগের ধাক্কায় আবেগ হারিয়ে যেতে বসেছে। সবকিছুর পেছনে স্বার্থ কাজ করে
বছরের সবদিন এক রকম নয়। পুরো সপ্তাহ কাজ করলেও জুমাবারে একটা ঝাড়া হাত-পা হওয়া ভাল। তনুমন একটু বিশ্রাম
আল্লাহ তা‘আলা বান্দার প্রতি অসম্ভব দয়াবান। তিনি বান্দার প্রতিটি নেকআমলের প্রতিদানকে দশগুণ বাড়িয়ে দেন
পেয়ারা নবীর প্রতিটি মুহূর্তই যিকিরে-ফিকিরে কাটতো। সারাক্ষণই তিনি তার রবকে স্মরণ করতেন। রবের শুকরিয়া
এক: নবিজী (সা.) বলেছেন: লোকেরা যতদিন পর্যন্ত দ্রুত ‘ইফতার’ করবে, ততদিন পর্যন্ত কল্যাণের মধ্যে থাকবে।
বছরের সব দিন এক নয়। কিছু কিছু দিনকে আল্লাহ তা‘আলা অন্য দিনের তুলনায় বেশি সম্মান দান করেছেন। লাইলাতুল
এক: নবিজী (সা.) প্রশ্ন করলেন: -আমি কি তোমাদেরকে রোযা, নামায ও সাদাকার চেয়েও মর্যাদায় উত্তম একটি ইবাদ
একজন ক্ষুধার্তকে খাবার দান করার ব্যাপারটাই অন্যরকম এক আবেগ জাগানিয়া বিষয়। তার ওপর যদি একজন রোযাদারকে