মা'আরিফুল হাদীস

معارف الحديث

আখলাক অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৬২ টি

হাদীস নং: ১৮১
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নাজাত কি
১৮১. হযরত উকবা ইবন আমের (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী ﷺ-এর সাথে মুলাকাত করলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম, নাজাত কি? তিনি বললেন, তোমার জিহবাকে নিয়ন্ত্রণ কর, তোমার জন্য তোমার গৃহ যেন প্রশস্ত থাকে এবং নিজের গুনাহের জন্য ক্রন্দন কর। (মুসনাদে আহমদ ও তিরমিযী)
کتاب الاخلاق
عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ ، قَالَ : لَقِيتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَقُلْتُ : مَا النَّجَاةُ؟ قَالَ : امْلِكْ عَلَيْكَ لِسَانَكَ ، وَلْيَسَعْكَ بَيْتُكَ ، وَابْكِ عَلَى خَطِيئَتِكَ . (رواه احمد والترمذى)
হাদীস নং: ১৮২
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দীর্ঘ নীরবতা ও উত্তম আচরণ দুনিয়াতে হালকা, আখিরাতে ভারী
১৮২. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি ﷺ বললেনঃ হে আবু যর! আমি কি তোমাকে এমন দুটো অভ্যাস বলব না যা দুনিয়ার বুকে হালকা এবং আখিরাতের মীযানে ভারী? আবু যর বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! অবশ্যই বলুন। নবী ﷺ বললেন: দীর্ঘ নীরবতা ও উত্তম আচরণ। যার হাতে আমার জীবন তাঁর শপথ! মাখলূকের আমলের মধ্যে এ দুটো আমল বে-মিসাল বা অতুলনীয়। (বায়হাকীঃ শুয়াবুল ঈমান)
کتاب الاخلاق
عَنْ أَنَسٍ ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : " يَا أَبَا ذَرٍّ ، أَلَا أَدُلُّكَ عَلَى خَصْلَتَيْنِ هُمَا أَخَفُّ عَلَى الظَّهْرِ ، وَأَثْقَلُ فِي الْمِيزَانِ؟ " قُلْتُ : بَلَى ، قَالَ : " طُولُ الصَّمْتِ ، وَحُسْنُ الْخُلُقِ ، فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا عَمِلَ الْخَلَائِقُ بِمِثْلِهِمَا " (رواه البيهقى فى شعب الايمان)
হাদীস নং: ১৮৩
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মন্দ সাথীর চেয়ে একাকিত্ব এবং একাকিত্ব থেকে ভাল সাথী উত্তম
১৮৩. হযরত ইমরান ইবন হিত্তান (রা) বলেন, আমি আবু যর (রা)-এর খিদমতে হাযির হলাম এবং তাঁকে কাল চাদর আবৃত অবস্থায় মসজিদে একাকী পেলাম। আমি তাঁকে বললাম, হে আবু যর! কেন এ একাকী? তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি, মন্দ সাথীর সাথে থাকার চেয়ে একাকিত্ব উত্তম, এবং ভাল সাথীর সঙ্গে বসা একাকিত্ব থেকে উত্তম, উত্তম বচন নীরবতা থেকে উত্তম এবং নীরবতা মন্দ বচন থেকে উত্তম। (বায়হাকী : শুয়াবুল ঈমান)
کتاب الاخلاق
عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حِطَّانَ قَالَ : لَقِيتُ أَبَا ذَرٍّ فَوَجَدْتُهُ فِي الْمَسْجِدِ مُخْتَبِئًا بِكِسَاءٍ أَسْوَدَ وَحْدَهُ ، فَقَالَ : يَا أَبَا ذَرٍّ ، مَا هَذِهِ الْوَحْدَةُ؟ فَقَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : " الْوَحْدَةُ خَيْرٌ مِنْ جَلِيسِ السَّوْءِ ، وَالْجَلِيسُ الصَّالِحُ خَيْرٌ مِنَ الْوَحْدَةِ ، وَإِمْلَاءُ الْخَيْرِ خَيْرٌ مِنَ السُّكُوتِ ، وَالسُّكُوتُ خَيْرٌ مِنْ إِمْلَاءِ الشَّرِّ " (رواه البيهقى فى شعب الايمان)
হাদীস নং: ১৮৪
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অহেতুক কথা বর্জন
১৮৪. হযরত আলী ইবনে হুসাইন (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: মানুষের ইসলামী জিন্দেগীর একটি সৌন্দর্য ও বৈশিষ্ট্য এই যে, সে উদ্দেশ্যহীন ও অহেতুক কথাবার্তা পরিহার করে চলে। - মোয়াত্তা মালেক, মুসনাদে আহমাদ
کتاب الاخلاق
عَنْ عَلِيّ بْنِ حُسَيْنِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " مِنْ حُسْنِ إِسْلامِ الْمَرْءِ ، تَرْكُهُ مَا لَا يَعْنِيهِ " (رواه مالك واحمد ، ورواه ابن ماجة عن ابى هريرة والترمذى والبيهقى فى شعب الايمان عنهما)
হাদীস নং: ১৮৫
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরনিন্দা

যেসব বদভ্যাসের সম্পর্ক জিহ্বার সাথে হয়ে থাকে এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ যেগুলোকে মারাত্মক অপরাধ ও কবীরা গুনাহ্ বলে উল্লেখ করেছেন এবং যেগুলো থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি সবিশেষ তাকীদ করেছেন, এগুলোর মধ্যে পরনিন্দা অন্যতম। কারো এমন কোন বক্তব্য অন্যের গোচরীভূত করা, যার দ্বারা পারস্পরিক সম্পর্ক বিনষ্ট হয় এবং একজনের অপরজনের প্রতি কুধারণা সৃষ্টি হয়, এ মন্দ অভ্যাসের নাম হচ্ছে চোগলখোরী ও পরনিন্দা।
যেহেতু পারস্পরিক মধুর সম্পর্ক, সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান ও আন্তরিক ভালবাসা স্থাপন নববী শিক্ষার উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে অন্যতম, (এমনকি এক হাদীসে এটাকে কোন কোন দিক দিয়ে এবাদতের চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে।) এ জন্য যে জিনিসটি পারস্পরিক সম্পর্ক বিনষ্ট করে হিংসা-বিদ্বেষ, অবিশ্বাস ও ঘৃণা সৃষ্টি করে, সেটা অবশ্যই মারাত্মক পাপ হিসাবে গণ্য হবে। এ কারণেই রাসূলুল্লাহ ﷺ পরনিন্দাকে কঠিন গুনাহ্ হিসাবে উল্লেখ করেছেন এবং আখেরাতে এর যে মন্দ পরিণতি ভোগ করতে হবে, সে সম্পর্কে উম্মতকে সতর্ক করে দিয়েছেন।

চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করবে না
১৮৫. হযরত হুযায়ফা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী ﷺ-কে বলতে শুনেছি যে, চোগলখোর ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (বুখারী ও মুসলিম)
کتاب الاخلاق
عَنْ حُذَيْفَةُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : « لَا يَدْخُلُ الجَنَّةَ قَتَّاتٌ » (رواه البخارى وفى رواية مسلم نمام)
হাদীস নং: ১৮৬
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নিন্দাবাদকারী নিকৃষ্ট লোক
১৮৬. হযরত আবদুর রহমান ইবন গুনম (রা) এবং আসমা বিনতে ইয়াযিদ (রা) থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ বলেছেন: তারা আল্লাহর উৎকৃষ্ট বান্দা, যাদেরকে দর্শন করলে আল্লাহর স্মরণ হয়। তারা আল্লাহর নিকৃষ্ট বান্দা, যারা নিন্দাবাদ করে বন্ধুদের মধ্যে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করে এবং নেক বান্দাদেরকে বিপদে ফেলে। (মুসনাদে আহমদ ও বায়হাকী: শুয়াবুল ঈমান)
کتاب الاخلاق
عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غَنْمٍ ، وَاَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيْدَ اَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : " خِيَارُ عِبَادِ اللهِ الَّذِينَ إِذَا رُءُوا ، ذُكِرَ اللهُ ، وَشِرَارُ عِبَادِ اللهِ الْمَشَّاءُونَ بِالنَّمِيمَةِ ، الْمُفَرِّقُونَ بَيْنَ الْأَحِبَّةِ ، الْبَاغُونَ الْبُرَآءَ الْعَنَتَ . (رواه احمد والبيهقى فى شعب الايمان)
হাদীস নং: ১৮৭
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মুক্ত অন্তঃকরণ রাসূলের পসন্দকৃত
১৮৭. হযরত আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন: আমার কোন সাথী যেন অন্যের কোন কথা আমাকে না পৌছায়। কেননা আমি তোমাদের কাছে মুক্ত অন্তঃকরণসহ আসতে পসন্দ করি। (আবু দাউদ)
کتاب الاخلاق
عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « لَا يُبَلِّغُنِي أَحَدٌ مِنْ أَصْحَابِي عَنْ أَحَدٍ شَيْئًا ، فَإِنِّي أُحِبُّ أَنْ أَخْرُجَ إِلَيْكُمْ وَأَنَا سَلِيمُ الصَّدْرِ » (رواه ابو داؤد)
হাদীস নং: ১৮৮
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কারো অগোচরে নিন্দা ও অপবাদ প্রসঙ্গ

চোগলখোরী দ্বারা যে ধরনের বিপর্যয় ও ভয়াবহ ফলাফল সামনে আসে, এর চাইতেও মারাত্মক ফলাফল ও পরিণতি গীবত ও অপবাদের দ্বারা সৃষ্টি হয়ে থাকে। গীবত হচ্ছে কোন ভাইয়ের এমন কথা অথবা তার এমন কোন কর্ম ও অবস্থা অন্যের কাছে বলে দেওয়া, যার উল্লেখ সে অপছন্দ করে এবং এর দ্বারা সে মনে কষ্ট পায় এবং অপমানবোধ করে। যেহেতু গীবত দ্বারা একজন মানুষের অপমান ও বেইজ্জতি হয়, তার অন্তর আহত হয় এবং অন্তরে ফেতনা ও মনোমালিন্যের বীজ অংকুরিত হয়- যার ফল কখনো কখনো খুবই মারাত্মক ও সুদূরপ্রসারী হতে দেখা যায়, এ জন্য গীবতকে শরীঅতে খুবই কঠিন গুনাহ্ সাব্যস্ত করা হয়েছে। গীবতের ঘৃণ্যতা ও এর জঘন্যতা বুঝানোর জন্য কুরআন ও হাদীসে এটাকে "মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া"র সাথে তুলনা করা হয়েছে। যাহোক, গীবতকে রাসূলুল্লাহ ﷺ অত্যন্ত ঘৃণিত ও কদর্য চরিত্র এবং কবীরা গুনাহ্ বলে উল্লেখ করেছেন।

অপরদিকে অপবাদ এর চেয়েও মারাত্মক। অপবাদের অর্থ হচ্ছে আল্লাহ্ কোন বান্দার প্রতি এমন কোন খারাপ কর্ম অথবা মন্দ চরিত্রের কথা আরোপ করা, যা থেকে সে সম্পূর্ণ পবিত্র ও মুক্ত। এ কথা স্পষ্ট যে, এটা মানুষের দুর্ভাগ্য ডেকে আনে এবং এমন কাজে লিপ্ত ব্যক্তিরা আল্লাহর দরবারেও অপরাধী এবং মানুষের কাছেও অপরাধী। এ ভূমিকার পর এখন রাসূলুল্লাহ ﷺ এর এ কয়টি হাদীস পাঠ করুন:
১৮৮. হযরত আবূ বারযাহ আসলামী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: হে ঐ সকল লোকজন! যারা মুখে ইসলাম গ্রহণ করেছ এবং ঈমান এখনও তাহার অন্তরের গভীরে প্রবেশ করে নাই, তোমরা মুসলমানদের গীবত করো না এবং তাদের গোপন দোষের অনুসন্ধানে লেগে যেও না। কেননা, যে ব্যক্তি এমন করবে, আল্লাহ্ তা'আলাও তার সাথে এমন আচরণ করবেন। আর আল্লাহ্ যার দোষ অন্বেষণ করবেন, তিনি তাকে তার ঘরের মধ্যেই অপমানিত করে ছাড়বেন। -আবু দাউদ
کتاب الاخلاق
عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الْأَسْلَمِيِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « يَا مَعْشَرَ مَنْ آمَنَ بِلِسَانِهِ ، وَلَمْ يَدْخُلِ الْإِيمَانُ قَلْبَهُ ، لَا تَغْتَابُوا الْمُسْلِمِينَ، وَلَا تَتَّبِعُوا عَوْرَاتِهِمْ ، فَإِنَّهُ مَنِ اتَّبَعَ عَوْرَاتِهِمْ يَتَّبِعُ اللَّهُ عَوْرَتَهُ ، وَمَنْ يَتَّبِعِ اللَّهُ عَوْرَتَهُ يَفْضَحْهُ فِي بَيْتِهِ » (رواه ابو داؤد)
হাদীস নং: ১৮৯
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গীবতকারীর পরকালীন অবস্থা
১৮৯. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: যখন আমার মিরাজ হয়েছিল, তখন আমি কতিপয় লোকের নিকট দিয়ে গিয়েছিলাম যাদের নখ ছিল তামার এবং তারা তা দিয়ে নিজেদের চেহারা এবং বুক খামচিয়ে যখম করছিল। আমি বললাম, হে জিবরাঈল! এ লোকগুলো কারা? তিনি বললেনঃ তারা মানুষের গোশত খেত এবং তাদের ইযযতের উপর হামলা করত। (আবূ দাউদ)
کتاب الاخلاق
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " لَمَّا عُرِجَ بِي مَرَرْتُ بِقَوْمٍ لَهُمْ أَظْفَارٌ مِنْ نُحَاسٍ يَخْمُشُونَ وُجُوهَهُمْ وَصُدُورَهُمْ ، فَقُلْتُ : مَنْ هَؤُلَاءِ يَا جِبْرِيلُ ، قَالَ هَؤُلَاءِ الَّذِينَ يَأْكُلُونَ لُحُومَ النَّاسِ ، وَيَقَعُونَ فِي أَعْرَاضِهِمْ " (رواه ابو داؤد)
হাদীস নং: ১৯০
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গীবত যেনার চেয়েও নিকৃষ্ট
১৯০. আবু সাঈদ (রা) ও হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ বলেন: গীবত যেনা থেকে নিকৃষ্ট। রাসূল ﷺ-এর আসহাব বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! গীবত কিভাবে যেনা থেকে নিকৃষ্ট? তিনি বললেন: কোন ব্যক্তি যেনা করার পর তওবা করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করতে পারেন (অন্য রিওয়ায়াতে রয়েছে, সে তওবা করলে আল্লাহ তাকে মাফ করবেন) কিন্তু গীবতকারীকে ততক্ষণ মাফ করা হবে না যতক্ষণ না তার বন্ধু (অর্থাৎ যার বিরুদ্ধে গীবত করা হয়েছে) তাকে মাফ করবে। (বায়হাকী: শুয়াবুল ঈমান)
کتاب الاخلاق
عَنْ أَبِي سَعِيْدٍ ، وَجَابِرٍ ، قَالَا : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " الْغِيبَةُ أَشَدُّ مِنَ الزِّنَا " ، قَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ وَكَيْفَ الْغِيبَةُ أَشَدُّ مِنَ الزِّنَا؟ قَالَ : " إِنَّ الرَّجُلَ لَيَزْنِي فَيَتُوبُ فَيَتُوبُ اللهُ عَلَيْهِ " . (وَفِي رِوَايَةٍ " فَيَتُوبُ فَيَغْفِرُ اللهُ لَهُ) وَإِنَّ صَاحِبَ الْغِيبَةِ لَا يُغْفَرُ لَهُ حَتَّى يَغْفِرَهَا لَهُ صَاحِبُهُ " (رواه البيهقى فى شعب الايمان)
হাদীস নং: ১৯১
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গীবত ও বুহতানের সংজ্ঞা
১৯১. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তোমরা কি জান গীবত কাকে বলে? সাহাবীগণ বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল বেশি জানেন। তিনি বললেন: তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কথা বলা যা সে পসন্দ করে না। বলা হল, আমি যা বলি তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে, তাহলে কি তা গীবত হবে? আল্লাহর রাসূল ﷺ বললেন: যা তুমি বলেছ তা তার মধ্যে থাকলে তুমি গীবত করেছ এবং তা তার মধ্যে না থাকলে তুমি তার বুহতান (অপবাদ) দিচ্ছ। (মুসলিম)
کتاب الاخلاق
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : « أَتَدْرُونَ مَا الْغِيبَةُ؟ » قَالُوا : اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ ، قَالَ : « ذِكْرُكَ أَخَاكَ بِمَا يَكْرَهُ » قِيلَ أَفَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ فِي أَخِي مَا أَقُولُ؟ قَالَ : « إِنْ كَانَ فِيهِ مَا تَقُولُ ، فَقَدِ اغْتَبْتَهُ ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِيهِ مَا تَقُوْلُ فَقَدْ بَهَتَّهُ » (رواه مسلم)
হাদীস নং: ১৯২
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিমুখীপনার নিষিদ্ধতা

অনেক মানুষের এ অভ্যাস থাকে যে, যখন দু'ব্যক্তি অথবা দু'গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ ও বিবাদ দেখা দেয়, তখন সে উভয় পক্ষের সাথে মিলে অন্যের বিরুদ্ধে কথা বলে। তেমনিভাবে অনেকের অবস্থা এই হয় যে, যখন কারো সাথে মিলিত হয়, তখন তার সাথে নিজের সুন্দর সম্পর্কের কথা প্রকাশ করে, কিন্তু পশ্চাতে তার দোষ ও সমালোচনামূলক কথাবার্তা বলে। এ ধরনের মানুষকে দুমুখা বলা হয়। এ বিষয়টি স্পষ্ট যে, এ কর্মনীতি এক ধরনের মুনাফেকী এবং এক প্রকার প্রতারণা যা থেকে বাঁচার জন্য রাসূলুল্লাহ ﷺ ঈমানদারদেরকে কঠোর তাকীদ করেছেন। তিনি বলে দিয়েছেন যে, এটা জঘন্য গুনাহ এবং এতে লিপ্ত ব্যক্তিরা কঠোরতর আযাবের সম্মুখীন হবে।

ব্যক্তিভেদে চেহারা পরিবর্তনকারী কিয়ামতে নিকৃষ্ট মর্যাদা পাবে
১৯২. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন কোন মানুষের কাছে এক চেহারায় আবির্ভূত হয় এবং অন্য মানুষের কাছে ভিন্ন চেহারা নিয়ে আসে, তাকে তোমরা কিয়ামতের দিন নিকৃষ্ট মানুষের অবস্থায় দেখতে পাবে। (বুখারী ও মুসলিম)
کتاب الاخلاق
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « تَجِدُوْنَ شَرَّ النَّاسِ يَوْمَ القِيَامَةِ ذَا الوَجْهَيْنِ ، الَّذِي يَأْتِي هَؤُلاَءِ بِوَجْهٍ ، وَهَؤُلاَءِ بِوَجْهٍ » (رواه البخارى ومسلم)
হাদীস নং: ১৯৩
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দুনিয়ায় দুই চেহারাওয়ালার কিয়ামতে আগুনের দুটো জিহ্বা থাকবে
১৯৩. হযরত আম্মার (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়ার যিন্দেগীতে দুই চেহারার অধিকারী, কিয়ামতের দিন তার আগুনের দুটো জিহ্বা থাকবে। (আবু দাউদ)
کتاب الاخلاق
عَنْ عَمَّارٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " مَنْ كَانَ ذَا الْوَجْهَيْنِ فِي الدُّنْيَا كَانَ لَهُ لِسَانَانِ مِنْ نَارِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ " (رواه ابو داؤد)
হাদীস নং: ১৯৪
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সততা ও আমানতদারী এবং মিথ্যা ও খিয়ানত প্রসঙ্গ

রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজের শিক্ষা ও আদর্শে যেসব সুন্দর চরিত্র ও সদগুণসমূহের উপর সবিশেষ জোর দিয়েছেন এবং যেগুলোকে ঈমানের অপরিহার্য অঙ্গ সাব্যস্ত করেছেন, এগুলোর মধ্যে সত্যবাদিতা ও আমানতদারীর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফের এ হাদীসটি "কিতাবুল ঈমানে" উল্লেখ করে আসা হয়েছে যে, মিথ্যা বলা, আমানতে খেয়ানত করা এবং প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করা মুনাফেকীর আলামতসমূহের মধ্যে অন্যতম এবং যার মধ্যে এ দোষগুলোর সমন্বয় ঘটে, সে মুনাফেক।

অনুরূপভাবে ঐ হাদীসটিও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “যার মধ্যে আমানতদারী ও বিশ্বস্ততা নেই, তার মধ্যে ঈমান নেই।" এ হাদীসটিও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে যে, "মু'মিন ব্যক্তি মিথ্যা বলায় অভ্যস্ত হতে পারে না।" এখন এখানে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর ঐসব বাণী লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে, যেগুলোর মধ্যে তিনি সত্যবাদিতা ও বিশ্বস্ততার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকতে এবং মিথ্যা ও প্রতারণা থেকে বেঁচে থাকতে সরাসরি নির্দেশ করেছেন।

সত্য জান্নাতের দিকে এবং মিথ্যা দোযখের দিকে পরিচালিত করে
১৯৪. হযরত আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেনঃ সত্য কথা বলা তোমাদের কর্তব্য। কেননা সিদক বা সত্য নেকীর দিকে পরিচালিত করে এবং নেকী জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়। যখন মানুষ সত্য বলে এবং সত্য গ্রহণ করে, তখন আল্লাহর দরবারে তার নাম সিদ্দীক বা সত্যবাদী হিসেবে লেখা হয়। মিথ্যার ব্যাপারে তোমরা সতর্ক থাক। কেননা মিথ্যা বদকর্মের দিকে নিয়ে যায় এবং বদকর্ম জাহান্নামে নিয়ে যায়। যখন মানুষ মিথ্যা বলে এবং মিথ্যা গ্রহণ করে, তখন আল্লাহর কাছে তার নাম মিথ্যাবাদী হিসেবে লিখিত হয়। (বুখারী ও মুসলিম)
کتاب الاخلاق
عَنْ عَبْدِ اللهِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ ، فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ ، وَإِنَّ الْبِرَّ يَهْدِي إِلَى الْجَنَّةِ ، وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَصْدُقُ وَيَتَحَرَّى الصِّدْقَ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللهِ صِدِّيقًا ، وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ ، فَإِنَّ الْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ ، وَإِنَّ الْفُجُورَ يَهْدِي إِلَى النَّارِ ، وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَكْذِبُ وَيَتَحَرَّى الْكَذِبَ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللهِ كَذَّابًا » (رواه البخارى ومسلم)
হাদীস নং: ১৯৫
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ রাসূল ﷺ-এর হাবীবদের সত্যবাদী, আমানতদার ও সৎ প্রতিবেশী হওয়া উচিত
১৯৫. হযরত আবদুর রহমান ইবন আবূ কুরাদ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ একদিন উযূ করলেন। তাঁর সাহাবীগণ তাঁর উযূর পানির দ্বারা নিজেদের শরীরে মাসেহ করতে লাগলেন। নবী ﷺ তাদেরকে বললেন: এরূপ করতে তোমাদেরকে কি জিনিস উদ্বুদ্ধ করেছে? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের মহব্বত। নবী ﷺ বললেনঃ যে খুশি হয় আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের মহব্বত করার জন্য বা পসন্দ করে যে, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল তাঁকে ভালবাসুন, সে যেন সত্য কথা বলে, আমানত রাখা হলে তা যেন ফিরিয়ে দেয় এবং তার প্রতিবেশীদের সাথে যেন ভাল আচরণ করে। (বায়হাকীঃ শুয়াবুল ঈমান)
کتاب الاخلاق
عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي قُرَادٍ ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ يَوْمًا فَجَعَلَ أَصْحَابُهُ يَتَمَسَّحُونَ بِوَضُوئِهِ ، فَقَالَ لَهُمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " مَا يَحْمِلُكُمْ عَلَى هَذَا؟ " قَالُوا : حُبُّ اللهِ وَرَسُولِهِ ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُحِبَّ اللهَ وَرَسُولَهُ ، أَوْ يُحِبَّهُ اللهُ وَرَسُولُهُ فَلْيَصْدُقْ حَدِيثَهُ إِذَا حَدَّثَ ، وَلْيُؤَدِّ أَمَانَتَهُ إِذَا ائْتُمِنَ ، وَلْيُحْسِنْ جِوَارَ مَنْ جَاوَرَهُ " (رواه البيهقى فى شعب الايمان)
হাদীস নং: ১৯৬
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ছয়টি জিনিসের বিনিময়ে জান্নাতের ওয়াদা
১৯৬. হযরত উবাদা ইবন সামিত (রা) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ বলেছেন: আমাকে ছয়টি জিনিসের জামানত দাও, আমি তোমাদেরকে জান্নাতের জামানত দান করব। যখন কথা বলবে সত্য বলবে, যখন ওয়াদা করবে তা পূরণ করবে, আমানত রাখলে তা ফিরিয়ে দিবে, তোমাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করবে, তোমাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখবে এবং হাতকে সংযত রাখবে। (মুসনাদে আহমদ ও বায়হাকীঃ শুয়াবুল ঈমান)
کتاب الاخلاق
عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : " اضْمَنُوا لِي سِتًّا مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَضْمَنْ لَكُمُ الْجَنَّةَ : اصْدُقُوا إِذَا حَدَّثْتُمْ ، وَأَوْفُوا إِذَا وَعَدْتُمْ ، وَأَدُّوا إِذَا اؤْتُمِنْتُمْ ، وَاحْفَظُوا فُرُوجَكُمْ ، وَغُضُّوا أَبْصَارَكُمْ ، وَكُفُّوا أَيْدِيَكُمْ " (رواه احمد والبيهقى فى شعب الايمان)
হাদীস নং: ১৯৭
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সত্যবাদী আমানতদার ব্যবসায়ী আম্বিয়া, সিদ্দিকীন ও শহীদদের সাথী
১৯৭. হযরত আবু সাইদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: সত্যবাদী আমানতদার ব্যবসায়ী আম্বিয়া, সিদ্দিকীন ও শহীদদের সাথে থাকবেন। (তিরমিযী , দারেমী ও দারাকুতনী)
کتاب الاخلاق
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : التَّاجِرُالصَّدُوقُ الأَمِينُ مَعَ النَّبِيِّينَ ، وَالصِّدِّيقِينَ ، وَالشُّهَدَاءِ . (رواه الترمذى والدار قطنى)
হাদীস নং: ১৯৮
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ-ভীরু ব্যবসায়ী ছাড়া সবাইকে বদকার হিসেবে কিয়ামতে উঠান হবে
১৯৮. হযরত উবায়দ ইবন রিফায়া (র) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা হযরত রিফায়া (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি নবী ﷺ থেকে রিওয়ায়াত করেছেন, নবী ﷺ বলেছেন: আল্লাহ-ভীরু নেক্কার ও সৎ ব্যবসায়ী ছাড়া সকল ব্যবসায়ীকে বদকার হিসেবে কিয়ামতের দিন উঠান হবে। (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও দারেমী)
کتاب الاخلاق
عَنْ عُبَيْدِ بْنِ رِفَاعَةَ عَنْ اَبِيْهِ عَنِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : « التُّجَّارُ يُحْشَرُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فُجَّارًا ، إِلَّا مَنِ اتَّقَى اللَّهَ وَبَرَّ وَصَدَقَ » (رواه الترمذى وابن ماجة والدارمى)
হাদীস নং: ১৯৯
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খিয়ানত ও মিথ্যা মু'মিনের স্বভাব বহির্ভূত
১৯৯. হযরত আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: খিয়ানত ও মিথ্যা ছাড়া মু'মিন ব্যক্তির স্বভাবে প্রত্যেক অভ্যাস থাকতে পারে। (আহমদ ও বায়হাকী: শুয়াবুল ঈমান)
کتاب الاخلاق
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " يُطْبَعُ الْمُؤْمِنُ عَلَى الْخِلَالِ كُلِّهَا إِلَّا الْخِيَانَةَ وَالْكَذِبَ "
হাদীস নং: ২০০
আখলাক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মিথ্যার দুর্গন্ধে ফেরেশতা দূরে চলে যান
২০০. হযরত আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: যখন বান্দা মিথ্যা বলে, তখন মিথ্যার দুর্গন্ধে ফেরেশতা তার কাছ থেকে এক মাইল দূরে চলে যান। (তিরমিযী)
کتاب الاخلاق
عَنْ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « إِذَا كَذَبَ العَبْدُ تَبَاعَدَ عَنْهُ المَلَكُ مِيلًا مِنْ نَتْنِ مَا جَاءَ بِهِ؟ » (رواه الترمذى)