রিয়াযুস সালিহীন-ইমাম নববী রহঃ
رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين
৬. সালাম-মুসাফাহার আদব - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৪৯ টি
হাদীস নং: ৮৬৪
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ :৭ নিজ স্ত্রী ও মাহরাম নারীকে সালাম দেওয়া এবং ফিতনার আশঙ্কা নেই এমন ক্ষেত্রে পরনারীকে সালাম দেওয়া, অনুরূপ শর্তে নারীদের কর্তৃক পুরুষদের সালাম দেওয়া
হাদীছ নং: ৮৬৪
হযরত আসমা বিনতে ইয়াযীদ রাযি. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের একদল মহিলাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আমাদেরকে সালাম দিলেন।
-আবু দাউদ ও তিরমিযী। এটা আবু দাউদের বর্ণনা।
(সুনানে আবু দাউদ: ৫২০৪; জামে তিরমিযী: ২৬৯৭; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ: ১০৪৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ : ৩৩০৮; সুনানে ইবন মাজাহ : ৩৭০০; মুসনাদুল হুমায়দী: ৩৭০; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৫৭৮০; মুসনাদে ইসহাক ইবন রাহূয়াহ : ২২৯৬; তাবারানী, আল মুজামুল কাবীর; ৪৩৬; বায়হাকী, শুআবুল ঈমান: ৮৫০৯)
তিরমিযীর বর্ণনা এরূপ- একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে যাচ্ছিলেন। একদল নারী বসা ছিল। তিনি হাত দ্বারা ইশারা করে সালাম দিলেন।
হযরত আসমা বিনতে ইয়াযীদ রাযি. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের একদল মহিলাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আমাদেরকে সালাম দিলেন।
-আবু দাউদ ও তিরমিযী। এটা আবু দাউদের বর্ণনা।
(সুনানে আবু দাউদ: ৫২০৪; জামে তিরমিযী: ২৬৯৭; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ: ১০৪৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ : ৩৩০৮; সুনানে ইবন মাজাহ : ৩৭০০; মুসনাদুল হুমায়দী: ৩৭০; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৫৭৮০; মুসনাদে ইসহাক ইবন রাহূয়াহ : ২২৯৬; তাবারানী, আল মুজামুল কাবীর; ৪৩৬; বায়হাকী, শুআবুল ঈমান: ৮৫০৯)
তিরমিযীর বর্ণনা এরূপ- একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে যাচ্ছিলেন। একদল নারী বসা ছিল। তিনি হাত দ্বারা ইশারা করে সালাম দিলেন।
كتاب السلام
باب سلام الرجل على زوجته والمرأة من محارمه، وعلى أجنبية وأجنبيات لا يخاف الفتنة بهن وسلامهن بهذا الشرط
864 - وعن أسماءَ بنتِ يزيدَ رضي الله عنها، قالت: مَرّ عَلَيْنَا النّبيُّ - صلى الله عليه وسلم - فِي نِسوَةٍ فَسَلَّمَ عَلَيْنَا. رواه أَبُو داود والترمذي، (1) وقال: «حديث حسن»، وهذا لفظ أَبي داود.
ولفظ الترمذي: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - مَرَّ في المَسْجِدِ يَوْمًا، وَعُصْبَةٌ مِنَ النِّسَاءِ قُعُودٌ، فَأَلْوَى بِيَدِهِ بالتَّسْلِيمِ.
ولفظ الترمذي: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - مَرَّ في المَسْجِدِ يَوْمًا، وَعُصْبَةٌ مِنَ النِّسَاءِ قُعُودٌ، فَأَلْوَى بِيَدِهِ بالتَّسْلِيمِ.
হাদীস নং: ৮৬৫
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ :৮ কাফের ব্যক্তিকে সালাম দেওয়া, কোনও কাফের সালাম দিলে তার জবাব দেওয়ার পদ্ধতি এবং যে মজলিসে মুসলিম ও কাফের উভয়প্রকার লোক থাকে, সেখানে সালাম দেওয়া প্রসঙ্গ
অমুসলিমদের সালাম দেওয়া যাবে কি
হাদীছ নং: ৮৬৫
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা ইহুদি ও নাসারাকে আগে সালাম দিয়ো না। পথে তাদের কারও সঙ্গে তোমাদের দেখা হলে তাকে পথের সংকীর্ণ স্থানের দিকে যেতে বাধ্য করো। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম : ২১৬৭; জামে তিরমিযী : ২৭০০; মুসনাদে আহমাদ: ৮৫৪০; মুসনাদুল বাযযার: ৯০৫২; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার: ৭২৬০; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান : ৮৫১২)
হাদীছ নং: ৮৬৫
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা ইহুদি ও নাসারাকে আগে সালাম দিয়ো না। পথে তাদের কারও সঙ্গে তোমাদের দেখা হলে তাকে পথের সংকীর্ণ স্থানের দিকে যেতে বাধ্য করো। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম : ২১৬৭; জামে তিরমিযী : ২৭০০; মুসনাদে আহমাদ: ৮৫৪০; মুসনাদুল বাযযার: ৯০৫২; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার: ৭২৬০; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান : ৮৫১২)
كتاب السلام
باب تحريم ابتدائنا الكافر بالسلام وكيفية الرد عليهم واستحباب السلام عَلَى أهل مجلسٍ فيهم مسلمون وكفار
865 - وعن أَبي هريرة - رضي الله عنه: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لاَ تَبْدَأُوا اليَهُودَ وَلاَ النَّصَارَى بالسَّلامِ، فَإِذَا لَقِيتُمْ أَحَدَهُمْ في طَرِيق فَاضطَرُّوهُ إِلَى أَضْيَقِهِ (1)». رواه مسلم. (2)
হাদীস নং: ৮৬৬
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ :৮ কাফের ব্যক্তিকে সালাম দেওয়া, কোনও কাফের সালাম দিলে তার জবাব দেওয়ার পদ্ধতি এবং যে মজলিসে মুসলিম ও কাফের উভয়প্রকার লোক থাকে, সেখানে সালাম দেওয়া প্রসঙ্গ
অমুসলিম ব্যক্তির অভিবাদনের উত্তর
হাদীছ নং: ৮৬৬
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, কিতাবীরা তোমাদেরকে সালাম দিলে তোমরা বলো- - وَعَلَيْكُمْ (তোমাদের প্রতিও)। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬২৫৮; সহীহ মুসলিম: ২১৬৩; সুনানে আবু দাউদ: ৫২০৬; সুনানে ইবন মাজাহ : ৩৬৯৬; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা; ১০১৪০; মুসনাদে আবূ দাউদ তয়ালিসী: ২১৮২; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৫৭৬০; মুসনাদে আহমাদ: ৪৫৬৩; মুসনাদুল বাযযার: ৬১২৩; মুসনাদে আবু ইয়া'লা: ২৯১৬; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার: ৭২৫৫)
হাদীছ নং: ৮৬৬
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, কিতাবীরা তোমাদেরকে সালাম দিলে তোমরা বলো- - وَعَلَيْكُمْ (তোমাদের প্রতিও)। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬২৫৮; সহীহ মুসলিম: ২১৬৩; সুনানে আবু দাউদ: ৫২০৬; সুনানে ইবন মাজাহ : ৩৬৯৬; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা; ১০১৪০; মুসনাদে আবূ দাউদ তয়ালিসী: ২১৮২; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৫৭৬০; মুসনাদে আহমাদ: ৪৫৬৩; মুসনাদুল বাযযার: ৬১২৩; মুসনাদে আবু ইয়া'লা: ২৯১৬; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার: ৭২৫৫)
كتاب السلام
باب تحريم ابتدائنا الكافر بالسلام وكيفية الرد عليهم واستحباب السلام عَلَى أهل مجلسٍ فيهم مسلمون وكفار
866 - وعن أنسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا سَلَّمَ عَلَيْكُمْ أهْلُ الكِتَابِ فَقُولُوا: وَعَلَيْكُمْ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৮৬৭
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ :৮ কাফের ব্যক্তিকে সালাম দেওয়া, কোনও কাফের সালাম দিলে তার জবাব দেওয়ার পদ্ধতি এবং যে মজলিসে মুসলিম ও কাফের উভয়প্রকার লোক থাকে, সেখানে সালাম দেওয়া প্রসঙ্গ
মুসলিম-অমুসলিম সবরকম লোক একত্রে থাকলে তাদেরকে সালাম দেওয়া
হাদীছ নং: ৮৬৭
হযরত উসামা রাযি. থেকে বর্ণিত যে, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক মজলিসের নিকট দিয়ে গেলেন, যেখানে মুসলিম, মূর্তিপূজক মুশরিক ও ইহুদি বিভিন্ন রকমের লোক ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে সালাম দিলেন। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৪৫৬৬; সহীহ মুসলিম: ১৭৯৮; জামে' মা'মার ইবন রাশিদ : ১৯৪৬৩; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক : ৯৮৪৪; আল আদাবুল মুফরাদ: ১১০৮; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার: ৭২৫০; সহীহ ইবনে হিব্বান : ৬৫৮১; মুসনাদুল বাযযার: ২৫৬৭; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৬৮২৮; শু'আবুল ঈমান: ৮৫২২)
হাদীছ নং: ৮৬৭
হযরত উসামা রাযি. থেকে বর্ণিত যে, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক মজলিসের নিকট দিয়ে গেলেন, যেখানে মুসলিম, মূর্তিপূজক মুশরিক ও ইহুদি বিভিন্ন রকমের লোক ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে সালাম দিলেন। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৪৫৬৬; সহীহ মুসলিম: ১৭৯৮; জামে' মা'মার ইবন রাশিদ : ১৯৪৬৩; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক : ৯৮৪৪; আল আদাবুল মুফরাদ: ১১০৮; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার: ৭২৫০; সহীহ ইবনে হিব্বান : ৬৫৮১; মুসনাদুল বাযযার: ২৫৬৭; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৬৮২৮; শু'আবুল ঈমান: ৮৫২২)
كتاب السلام
باب تحريم ابتدائنا الكافر بالسلام وكيفية الرد عليهم واستحباب السلام عَلَى أهل مجلسٍ فيهم مسلمون وكفار
867 - وعن أُسَامَة - رضي الله عنه: أنَّ النَّبيَّ - صلى الله عليه وسلم - مَرَّ عَلَى مَجْلِسٍ فِيهِ أخْلاَطٌ مِنَ المُسْلِمِينَ وَالمُشْرِكينَ - عَبَدَة الأَوْثَانِ - واليَهُودِ فَسَلَّمَ عَلَيْهِم النبيُّ - صلى الله عليه وسلم. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৮৬৮
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ :৯ মজলিস ত্যাগকালে এবং সঙ্গী-সাথীদের থেকে বিদায় গ্রহণকালে সালাম দেওয়া
হাদীছ নং: ৮৬৮
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ যখন মজলিসে পৌঁছবে তখন সালাম দেবে। তারপর যখন মজলিস থেকে ওঠার ইচ্ছা করবে, তখনও সালাম দেবে। পরেরটি অপেক্ষা প্রথমটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়।
-আবূ দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবু দাউদ: ৫২০৮; জামে’ তিরমিযী: ২৭০৭; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা;১০১২৯; মুসনাদে আহমাদ : ৭১৪৩; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার : ১৩৫০; তাবারানী,আল মু'জামুল কাবীর: ৭১৯৭; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৪৯৩)
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ যখন মজলিসে পৌঁছবে তখন সালাম দেবে। তারপর যখন মজলিস থেকে ওঠার ইচ্ছা করবে, তখনও সালাম দেবে। পরেরটি অপেক্ষা প্রথমটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়।
-আবূ দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবু দাউদ: ৫২০৮; জামে’ তিরমিযী: ২৭০৭; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা;১০১২৯; মুসনাদে আহমাদ : ৭১৪৩; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার : ১৩৫০; তাবারানী,আল মু'জামুল কাবীর: ৭১৯৭; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৪৯৩)
كتاب السلام
باب استحباب السلام إِذَا قام من المجلس وفارق جلساءه أَوْ جليسه
868 - وعن أَبي هريرة - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا انْتَهى أَحَدُكُمْ إِلَى المَجْلِسِ فَلْيُسَلِّمْ، فَإذَا أَرَادَ أَنْ يَقُومَ فَلْيُسَلِّمْ، فَلَيْسَتِ الأُولَى بِأحَقّ مِنَ الآخِرَةِ». رواه أَبُو داود والترمذي، (1) وقال: «حديث حسن».
হাদীস নং: ৮৬৯
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১০ অনুমতি গ্রহণ ও তার নিয়ম-নীতি
'অনুমতি গ্রহণ ও তার নিয়ম-নীতি' সম্পর্কিত দু'টি আয়াত
• এক নং আয়াত
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّى تَسْتَأْنِسُوا وَ تُسَلِّمُوا عَلَى أَهْلِهَا
অর্থ : হে মুমিনগণ! নিজ গৃহ ছাড়া অন্যের গৃহে প্রবেশ করো না, যতক্ষণ না অনুমতি গ্রহণ কর ও তার বাসিন্দাদেরকে সালাম দাও। (সূরা নূর, আয়াত ২৭)
ব্যাখ্যা
এ আয়াতে অন্যের ঘরে প্রবেশকালে অনুমতি নেওয়া ও সালাম দেওয়ার হুকুম করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া এবং সালাম না দিয়ে অন্যের ঘরে প্রবেশ করা যাবে না। অন্যের ঘর বলতে এমন ঘর বোঝানো উদ্দেশ্য, যে ঘরে অন্য কেউ থাকে। তার মানে কেউ যদি নিজ ঘর অন্যকে ভাড়া দেয়, তবে যাকে ভাড়া দিল তার অনুমতি ছাড়া সে নিজেও ওই ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না।
অনুমতি গ্রহণ বোঝানোর জন্য আয়াতে শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে تستأنسوا (অনুমতি গ্রহণ কর)। শব্দটির উৎপত্তি الأنس থেকে। এর অর্থ প্রীতি, পসন্দ, পরিচিতি, সৌজন্য, বন্ধুত্ব ইত্যাদি। অনুমতি গ্রহণের অর্থে এই মূলধাতু থেকে উৎপন্ন تستأنسوا শব্দটির ব্যবহার খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা অন্যের গৃহে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করাটা সৌজন্য ও ভদ্রতার পরিপন্থি। গৃহবাসী এটা পসন্দ করে না। সে এতে বিরক্তি বোধ করে। অনুমতি চাইলে প্রথমে গৃহবাসী তাকে চিনতে পারে। সে তার ভদ্রতার পরিচয় পেয়ে তার প্রতি আগ্রহবোধ করে এবং খুশিমনে তাকে প্রবেশ করতে অনুমতি দেয়। ফলে উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক ও বন্ধুত্ব গড়ে ওঠার পথ তৈরি হয়।
আয়াতে অন্যের ঘরে প্রবেশকালে দু'টি কাজ করতে বলা হয়েছে। এক তো হল অনুমতি চাওয়া। আর দ্বিতীয় হল গৃহবাসীকে সালাম দেওয়া। বোঝা গেল কেবল অনুমতি চাওয়াই যথেষ্ট নয়, সালামও দিতে হবে। প্রশ্ন হচ্ছে, আগে কোনটি করবে? সলাম দেবে তারপর অনুমতি চাবে, নাকি আগে অনুমতি চেয়ে তারপর সালাম দেবে? আয়াতে আগে অনুমতি চাওয়ার উল্লেখ আছে। তাই কেউ কেউ বলেন, প্রথম কাজ অনুমতি চাওয়া। কিন্তু ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী আগে উল্লেখের দ্বারা আগে করার প্রতি নির্দেশ হয় না। সংযোজক অব্যয় 'و' (ওয়াও) এর দ্বারা কেবল দু'টি বিষয়কে একত্র করা হয়। এর দ্বারা তারতীব বা পর্যায়ক্রম বোঝানো উদ্দেশ্য হয় না। অধিকাংশ আলেমের মতে নিয়ম হল আগে সালাম দেওয়া, তারপর অনুমতি চাওয়া। এর সপক্ষে তারা হাদীছ উল্লেখ করেন যে, একবার এক সাহাবী নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশ করলেন। কিন্তু তিনি সালামও দিলেন না, অনুমতিও চাইলেন না। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন-
ارْجِعْ فَقُلْ : السَّلَامُ عَلَيْكُمْ، أَأَدْخُل ؟
'তুমি ফিরে যাও এবং বলো- আসসালামু আলাইকুম, আমি কি প্রবেশ করতে পারি?’
(জামে' তিরমিযী : ২৭১০; সুনানে আবু দাউদ: ৫১৭৬; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ: ১০৮১; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা : ৬৭০২; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লা :৬৬৪; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১৭৬৬৬)
হযরত জাবির রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
لَا تَأْذَنُوا لِمَنْ لَمْ يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ
'তোমরা তাকে অনুমতি দেবে না, যে প্রথমে সালাম দেবে না।'
(বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান : ৮৪৩৩; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা : ১৮০৯)
মোটকথা, অন্যের ঘরে বা কক্ষে প্রবেশকালে অবশ্যই সালাম দিয়ে অনুমতি নিতে হবে, তাতে সে ব্যক্তি যতই কাছের বা যতই প্রিয় হোক, এমনকি নিজ পিতা-মাতা বা ছেলেমেয়েও যদি হয়।
• দুই নং আয়াত
وَإِذَا بَلَغَ الْأَطْفَالُ مِنْكُمُ الْحُلُمَ فَلْيَسْتَأْذِنُوا كَمَا اسْتَأْذَنَ الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِهِمْ
অর্থ: এবং তোমাদের শিশুরা সাবালকত্বে উপনীত হলে তারাও যেন অনুমতি গ্রহণ করে, যেমন তাদের আগে বয়ঃপ্রাপ্তগণ অনুমতি গ্রহণ করে আসছে। (সূরা নূর, আয়াত ৫৯)
ব্যাখ্যা
এ আয়াতটিতে সাধারণভাবে আদেশ করা হয়েছে যে, যারা বয়ঃপ্রাপ্ত তাদেরকে কারও ঘরে বা কক্ষে প্রবেশ করতে হলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করতে হবে। তা পুরুষ, নারী, মাহরাম, গায়রে মাহরাম যার কাছেই প্রবেশ করুক। এ বিষয়ে মানুষ খুবই অসচেতন। যে যার কক্ষে ইচ্ছা যখন-তখন ঢুকে পড়ে। অনুমতি নেওয়ার কোনও প্রয়োজন বোধ করে না। এটা অনেক সময়ই বিব্রত হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায় অনাকাঙ্ক্ষিতরূপে দেখতে পাওয়ায় প্রবেশকারী নিজেও লজ্জিত হয়। কাউকে যাতে এরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয়, সেজন্যই অনুমতি গ্রহণের বিধান দেওয়া হয়েছে। যে যার ঘরেই প্রবেশ করুক না কেন, অবশ্যই অনুমতি নিয়েই প্রবেশ করতে হবে। এমনকি মায়ের ঘরে প্রবেশ করতে চাইলেও অনুমতি নেওয়া জরুরি। একবার হযরত হুযায়ফা রাযি.-কে জিজ্ঞেস করা হল, মায়ের কাছে প্রবেশ করতে অনুমতি নিতে হবে কি? তিনি বললেন, হাঁ, অনুমতি নিতে হবে। অন্যথায় সে হয়তো এমন কিছু দেখবে, যা সে দেখতে পসন্দ করে না। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেই এরূপ বর্ণিত আছে। একবার এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার মায়ের নিকট প্রবেশ করার জন্য কি আমাকে অনুমতি নিতে হবে? তিনি বললেন, হাঁ। লোকটি বলল, আমি তো তার সঙ্গে একই ঘরে থাকি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবুও তার নিকট প্রবেশ করার জন্য তুমি অনুমতি চেয়ে নেবে। লোকটি বলল, আমি তো তার খেদমত করে থাকি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- أُتَّحِبُّ أَنْ تَرَاهَا عُرْيَانَةً؟ (তুমি কি তাকে নগ্ন দেখতে পসন্দ করবে)? লোকটি বলল, না। তিনি বললেন, তাহলে তার কাছে প্রবেশকালে অনুমতি গ্রহণ করবে।
(বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা : ১৩৫৫৮; খারাইতী, মাকারিমুল আখলাক : ৭৯৪; মুআত্তা মালিক (আব্দুল বাকী সম্পাদিত): ১; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ১৭৬০০)
সুতরাং শরী'আতের এ আদেশের বিষয়ে সকলেরই সচেতন হওয়া উচিত। ঘরে ঘরে এর উপর আমলের চর্চা থাকা চাই। বালেগ হওয়ার অনেক আগে থেকেই শিশুদেরকে এর তা'লীম দিতে হবে। যখন বালেগ হওয়ার কাছাকাছি বয়সে পৌঁছাবে, তখন বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে তাদেরকে দিয়ে এ হুকুম পালন করাতে হবে, যাতে কিছুতেই অনুমতি ছাড়া কারও কক্ষে প্রবেশ না করে। এ বয়সে অভ্যস্ত হয়ে গেলে বালেগ হওয়ার পর তারা যথারীতি এ নিয়ম পালন করবে। অন্যথায় তখনও তাদের দ্বারা গাফলাতি হবে। আর সে গাফলাতির দায় পিতা-মাতার উপরই বর্তাবে।
আয়াতটির শিক্ষা
ক. কারও ঘরে বা কক্ষে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করতে নেই।
খ. শিশুবয়স থেকেই অন্যের ঘরে প্রবেশের জন্য অনুমতি গ্রহণের তা'লীম দেওয়া উচিত।
'অনুমতি গ্রহণ ও তার নিয়ম-নীতি' সম্পর্কিত দু'টি আয়াত
• এক নং আয়াত
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّى تَسْتَأْنِسُوا وَ تُسَلِّمُوا عَلَى أَهْلِهَا
অর্থ : হে মুমিনগণ! নিজ গৃহ ছাড়া অন্যের গৃহে প্রবেশ করো না, যতক্ষণ না অনুমতি গ্রহণ কর ও তার বাসিন্দাদেরকে সালাম দাও। (সূরা নূর, আয়াত ২৭)
ব্যাখ্যা
এ আয়াতে অন্যের ঘরে প্রবেশকালে অনুমতি নেওয়া ও সালাম দেওয়ার হুকুম করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া এবং সালাম না দিয়ে অন্যের ঘরে প্রবেশ করা যাবে না। অন্যের ঘর বলতে এমন ঘর বোঝানো উদ্দেশ্য, যে ঘরে অন্য কেউ থাকে। তার মানে কেউ যদি নিজ ঘর অন্যকে ভাড়া দেয়, তবে যাকে ভাড়া দিল তার অনুমতি ছাড়া সে নিজেও ওই ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না।
অনুমতি গ্রহণ বোঝানোর জন্য আয়াতে শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে تستأنسوا (অনুমতি গ্রহণ কর)। শব্দটির উৎপত্তি الأنس থেকে। এর অর্থ প্রীতি, পসন্দ, পরিচিতি, সৌজন্য, বন্ধুত্ব ইত্যাদি। অনুমতি গ্রহণের অর্থে এই মূলধাতু থেকে উৎপন্ন تستأنسوا শব্দটির ব্যবহার খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা অন্যের গৃহে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করাটা সৌজন্য ও ভদ্রতার পরিপন্থি। গৃহবাসী এটা পসন্দ করে না। সে এতে বিরক্তি বোধ করে। অনুমতি চাইলে প্রথমে গৃহবাসী তাকে চিনতে পারে। সে তার ভদ্রতার পরিচয় পেয়ে তার প্রতি আগ্রহবোধ করে এবং খুশিমনে তাকে প্রবেশ করতে অনুমতি দেয়। ফলে উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক ও বন্ধুত্ব গড়ে ওঠার পথ তৈরি হয়।
আয়াতে অন্যের ঘরে প্রবেশকালে দু'টি কাজ করতে বলা হয়েছে। এক তো হল অনুমতি চাওয়া। আর দ্বিতীয় হল গৃহবাসীকে সালাম দেওয়া। বোঝা গেল কেবল অনুমতি চাওয়াই যথেষ্ট নয়, সালামও দিতে হবে। প্রশ্ন হচ্ছে, আগে কোনটি করবে? সলাম দেবে তারপর অনুমতি চাবে, নাকি আগে অনুমতি চেয়ে তারপর সালাম দেবে? আয়াতে আগে অনুমতি চাওয়ার উল্লেখ আছে। তাই কেউ কেউ বলেন, প্রথম কাজ অনুমতি চাওয়া। কিন্তু ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী আগে উল্লেখের দ্বারা আগে করার প্রতি নির্দেশ হয় না। সংযোজক অব্যয় 'و' (ওয়াও) এর দ্বারা কেবল দু'টি বিষয়কে একত্র করা হয়। এর দ্বারা তারতীব বা পর্যায়ক্রম বোঝানো উদ্দেশ্য হয় না। অধিকাংশ আলেমের মতে নিয়ম হল আগে সালাম দেওয়া, তারপর অনুমতি চাওয়া। এর সপক্ষে তারা হাদীছ উল্লেখ করেন যে, একবার এক সাহাবী নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশ করলেন। কিন্তু তিনি সালামও দিলেন না, অনুমতিও চাইলেন না। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন-
ارْجِعْ فَقُلْ : السَّلَامُ عَلَيْكُمْ، أَأَدْخُل ؟
'তুমি ফিরে যাও এবং বলো- আসসালামু আলাইকুম, আমি কি প্রবেশ করতে পারি?’
(জামে' তিরমিযী : ২৭১০; সুনানে আবু দাউদ: ৫১৭৬; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ: ১০৮১; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা : ৬৭০২; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লা :৬৬৪; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১৭৬৬৬)
হযরত জাবির রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
لَا تَأْذَنُوا لِمَنْ لَمْ يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ
'তোমরা তাকে অনুমতি দেবে না, যে প্রথমে সালাম দেবে না।'
(বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান : ৮৪৩৩; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা : ১৮০৯)
মোটকথা, অন্যের ঘরে বা কক্ষে প্রবেশকালে অবশ্যই সালাম দিয়ে অনুমতি নিতে হবে, তাতে সে ব্যক্তি যতই কাছের বা যতই প্রিয় হোক, এমনকি নিজ পিতা-মাতা বা ছেলেমেয়েও যদি হয়।
• দুই নং আয়াত
وَإِذَا بَلَغَ الْأَطْفَالُ مِنْكُمُ الْحُلُمَ فَلْيَسْتَأْذِنُوا كَمَا اسْتَأْذَنَ الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِهِمْ
অর্থ: এবং তোমাদের শিশুরা সাবালকত্বে উপনীত হলে তারাও যেন অনুমতি গ্রহণ করে, যেমন তাদের আগে বয়ঃপ্রাপ্তগণ অনুমতি গ্রহণ করে আসছে। (সূরা নূর, আয়াত ৫৯)
ব্যাখ্যা
এ আয়াতটিতে সাধারণভাবে আদেশ করা হয়েছে যে, যারা বয়ঃপ্রাপ্ত তাদেরকে কারও ঘরে বা কক্ষে প্রবেশ করতে হলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করতে হবে। তা পুরুষ, নারী, মাহরাম, গায়রে মাহরাম যার কাছেই প্রবেশ করুক। এ বিষয়ে মানুষ খুবই অসচেতন। যে যার কক্ষে ইচ্ছা যখন-তখন ঢুকে পড়ে। অনুমতি নেওয়ার কোনও প্রয়োজন বোধ করে না। এটা অনেক সময়ই বিব্রত হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায় অনাকাঙ্ক্ষিতরূপে দেখতে পাওয়ায় প্রবেশকারী নিজেও লজ্জিত হয়। কাউকে যাতে এরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয়, সেজন্যই অনুমতি গ্রহণের বিধান দেওয়া হয়েছে। যে যার ঘরেই প্রবেশ করুক না কেন, অবশ্যই অনুমতি নিয়েই প্রবেশ করতে হবে। এমনকি মায়ের ঘরে প্রবেশ করতে চাইলেও অনুমতি নেওয়া জরুরি। একবার হযরত হুযায়ফা রাযি.-কে জিজ্ঞেস করা হল, মায়ের কাছে প্রবেশ করতে অনুমতি নিতে হবে কি? তিনি বললেন, হাঁ, অনুমতি নিতে হবে। অন্যথায় সে হয়তো এমন কিছু দেখবে, যা সে দেখতে পসন্দ করে না। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেই এরূপ বর্ণিত আছে। একবার এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার মায়ের নিকট প্রবেশ করার জন্য কি আমাকে অনুমতি নিতে হবে? তিনি বললেন, হাঁ। লোকটি বলল, আমি তো তার সঙ্গে একই ঘরে থাকি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবুও তার নিকট প্রবেশ করার জন্য তুমি অনুমতি চেয়ে নেবে। লোকটি বলল, আমি তো তার খেদমত করে থাকি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- أُتَّحِبُّ أَنْ تَرَاهَا عُرْيَانَةً؟ (তুমি কি তাকে নগ্ন দেখতে পসন্দ করবে)? লোকটি বলল, না। তিনি বললেন, তাহলে তার কাছে প্রবেশকালে অনুমতি গ্রহণ করবে।
(বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা : ১৩৫৫৮; খারাইতী, মাকারিমুল আখলাক : ৭৯৪; মুআত্তা মালিক (আব্দুল বাকী সম্পাদিত): ১; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ১৭৬০০)
সুতরাং শরী'আতের এ আদেশের বিষয়ে সকলেরই সচেতন হওয়া উচিত। ঘরে ঘরে এর উপর আমলের চর্চা থাকা চাই। বালেগ হওয়ার অনেক আগে থেকেই শিশুদেরকে এর তা'লীম দিতে হবে। যখন বালেগ হওয়ার কাছাকাছি বয়সে পৌঁছাবে, তখন বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে তাদেরকে দিয়ে এ হুকুম পালন করাতে হবে, যাতে কিছুতেই অনুমতি ছাড়া কারও কক্ষে প্রবেশ না করে। এ বয়সে অভ্যস্ত হয়ে গেলে বালেগ হওয়ার পর তারা যথারীতি এ নিয়ম পালন করবে। অন্যথায় তখনও তাদের দ্বারা গাফলাতি হবে। আর সে গাফলাতির দায় পিতা-মাতার উপরই বর্তাবে।
আয়াতটির শিক্ষা
ক. কারও ঘরে বা কক্ষে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করতে নেই।
খ. শিশুবয়স থেকেই অন্যের ঘরে প্রবেশের জন্য অনুমতি গ্রহণের তা'লীম দেওয়া উচিত।
কারও সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য কতবার অনুমতি চাওয়া যাবে
হাদীছ নং: ৮৬৯
হযরত আবু মুসা আশ'আরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, অনুমতি চাওয়াটা তিনবার। তারপর তোমাকে অনুমতি দেওয়া হলে তো ভালো, অন্যথায় ফিরে যেয়ো। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬২৪৫; সহীহ মুসলিম: ২১৫৩; জামে’ তিরমিযী: ২৬৯০; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৫৯৭০; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার: ১৫৭৮; সহীহ ইবনে হিব্বান : ৫৮১০; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ৮৪৩৪)
হাদীছ নং: ৮৬৯
হযরত আবু মুসা আশ'আরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, অনুমতি চাওয়াটা তিনবার। তারপর তোমাকে অনুমতি দেওয়া হলে তো ভালো, অন্যথায় ফিরে যেয়ো। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬২৪৫; সহীহ মুসলিম: ২১৫৩; জামে’ তিরমিযী: ২৬৯০; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৫৯৭০; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার: ১৫৭৮; সহীহ ইবনে হিব্বান : ৫৮১০; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ৮৪৩৪)
كتاب السلام
باب الاستئذان وآدابه
قَالَ الله تَعَالَى: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّى تَسْتَأنِسُوا وَتُسَلِّمُوا عَلَى أَهْلِهَا} [النور: 27]، وقال تَعَالَى: {وَإِذَا بَلَغَ الأَطْفَالُ مِنْكُم الحُلُمَ فَلْيَسْتَأذِنُوا كَمَا اسْتَأْذَنَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ} [النور: 59].
قَالَ الله تَعَالَى: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّى تَسْتَأنِسُوا وَتُسَلِّمُوا عَلَى أَهْلِهَا} [النور: 27]، وقال تَعَالَى: {وَإِذَا بَلَغَ الأَطْفَالُ مِنْكُم الحُلُمَ فَلْيَسْتَأذِنُوا كَمَا اسْتَأْذَنَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ} [النور: 59].
869 - عن أَبي موسى الأشعري - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «الاسْتِئْذَانُ ثَلاثٌ، فَإنْ أُذِنَ لَكَ وَإِلاَّ فَارْجِعْ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৮৭০
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১০ অনুমতি গ্রহণ ও তার নিয়ম-নীতি
যে কারণে অনুমতি গ্রহণের নিয়ম
হাদীছ নং: ৮৭০
হযরত সাহ্ল ইবন সা'দ রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, অনুমতি প্রার্থনার বিধান দেওয়া হয়েছে দৃষ্টির কারণে। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬২৪১; সহীহ মুসলিম: ২১৫৬; সুনানে আবু দাউদ: ৫১৭৪; জামে' তিরমিযী: ২৭০৯; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৬২৩২; মুসনাদে আবু ইয়া'লা: ৭৫১০; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার : ৯৩৩; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৫৬৬৩; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা : ১৭৬৫১; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লা : ৬৬০)
হাদীছ নং: ৮৭০
হযরত সাহ্ল ইবন সা'দ রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, অনুমতি প্রার্থনার বিধান দেওয়া হয়েছে দৃষ্টির কারণে। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬২৪১; সহীহ মুসলিম: ২১৫৬; সুনানে আবু দাউদ: ৫১৭৪; জামে' তিরমিযী: ২৭০৯; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৬২৩২; মুসনাদে আবু ইয়া'লা: ৭৫১০; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার : ৯৩৩; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৫৬৬৩; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা : ১৭৬৫১; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লা : ৬৬০)
كتاب السلام
باب الاستئذان وآدابه
870 - وعن سهلِ بنِ سعدٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «إنَّمَا جُعِلَ الاسْتِئذَانُ مِنْ أَجْلِ البَصَرِ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৮৭১
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১০ অনুমতি গ্রহণ ও তার নিয়ম-নীতি
অনুমতি চাওয়ার সঠিক পদ্ধতি
হাদীছ নং: ৮৭১
রিব'ঈ ইবন হিরাশ বলেন, আমাদের কাছে বনূ আমিরের এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিলেন। তখন তিনি ঘরের ভেতর। তিনি বলেছিলেন, প্রবেশ করব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর খাদেমকে বললেন, তুমি বের হয়ে এ ব্যক্তির কাছে যাও এবং তাকে অনুমতি চাওয়া শেখাও। তাকে বলবে যে, তুমি বলো- আসসালামু আলাইকুম, প্রবেশ করব? ওই ব্যক্তি তা শুনে বলল- আসসালামু আলাইকুম, প্রবেশ করব? তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে অনুমতি দিলেন। সে প্রবেশ করল। -আবু দাউদ
(সুনানে আবু দাউদ: ৫১৭৭; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা ২৫৬৭২; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১৭৬৬৭; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ: ১০৮৪; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ১০০৭৫)
হাদীছ নং: ৮৭১
রিব'ঈ ইবন হিরাশ বলেন, আমাদের কাছে বনূ আমিরের এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিলেন। তখন তিনি ঘরের ভেতর। তিনি বলেছিলেন, প্রবেশ করব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর খাদেমকে বললেন, তুমি বের হয়ে এ ব্যক্তির কাছে যাও এবং তাকে অনুমতি চাওয়া শেখাও। তাকে বলবে যে, তুমি বলো- আসসালামু আলাইকুম, প্রবেশ করব? ওই ব্যক্তি তা শুনে বলল- আসসালামু আলাইকুম, প্রবেশ করব? তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে অনুমতি দিলেন। সে প্রবেশ করল। -আবু দাউদ
(সুনানে আবু দাউদ: ৫১৭৭; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা ২৫৬৭২; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১৭৬৬৭; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ: ১০৮৪; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ১০০৭৫)
كتاب السلام
باب الاستئذان وآدابه
871 - وعن رِبْعِيِّ بن حِرَاشٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَجُلٌ مِنْ بَنِي عَامِرٍ أنَّهُ اسْتَأذَنَ عَلَى النَّبيِّ - صلى الله عليه وسلم - وَهُوَ في بيتٍ، فَقَالَ: أألِج؟ فَقَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - لِخَادِمِهِ: «أُخْرُجْ إِلَى هَذَا فَعَلِّمهُ الاسْتِئذَانَ، فَقُلْ لَهُ: قُلِ: السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، أأدْخُل؟» فَسَمِعَهُ الرَّجُلُ، فَقَالَ: السَّلامُ عَلَيْكُمْ، أَأَدْخُل؟ فَأذِنَ لَهُ النَّبيُّ - صلى الله عليه وسلم - فدخلَ. رواه أَبُو داود بإسناد صحيح. (1)
হাদীস নং: ৮৭২
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১০ অনুমতি গ্রহণ ও তার নিয়ম-নীতি
বিনাসালামে প্রবেশকারীকে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে প্রবেশের আদব শিক্ষা দিলেন
হাদীছ নং: ৮৭২
হযরত কালাদা ইবন হাম্বল রাযি. বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলাম এবং সালাম না দিয়েই তাঁর কাছে প্রবেশ করলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ফিরে যাও, তারপর বলো- 'আসসালামু আলাইকুম, প্রবেশ করব?'।
-আবু দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবু দাউদ: ৫১৭৬; জামে তিরমিযী: ২৭১০; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ: ১০৮১। নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা : ৬৭০২; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১৭৬৬৬; শু'আবুল ঈমান : ৮৪২৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩৩২০; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার: ১৫৮৩; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৪২১)
হাদীছ নং: ৮৭২
হযরত কালাদা ইবন হাম্বল রাযি. বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলাম এবং সালাম না দিয়েই তাঁর কাছে প্রবেশ করলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ফিরে যাও, তারপর বলো- 'আসসালামু আলাইকুম, প্রবেশ করব?'।
-আবু দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবু দাউদ: ৫১৭৬; জামে তিরমিযী: ২৭১০; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ: ১০৮১। নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা : ৬৭০২; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১৭৬৬৬; শু'আবুল ঈমান : ৮৪২৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩৩২০; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার: ১৫৮৩; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৪২১)
كتاب السلام
باب الاستئذان وآدابه
872 - عن كِلْدَةَ بن الحَنْبل - رضي الله عنه - قَالَ: أتَيْتُ النبيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَدَخَلْتُ عَلَيْهِ وَلَمْ أُسَلِّمْ، فَقَالَ النَّبيُّ - صلى الله عليه وسلم: «ارْجِعْ فَقُلْ: السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، أَأَدْخُل؟». رواه أَبُو داود والترمذي، (1) وقال: «حديث حسن».
হাদীস নং: ৮৭৩
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১১ অনুমতিপ্রার্থীকে 'তুমি কে' জিজ্ঞেস করা হলে 'আমি' বা এরূপ কিছু না বলে সে যে নামে পরিচিত তাই বলে জবাব দেওয়া
মি'রাজের সফরে প্রত্যেক আসমানে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম ও নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম-পরিচয় দেওয়া
হাদীছ নং: ৮৭৩
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত ইসরার বর্ণনা সম্বলিত প্রসিদ্ধ হাদীছে আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তারপর জিবরীল আমাকে নিয়ে নিকটবর্তী আকাশে উঠলেন। তারপর দরজা খুলতে বললেন। জিজ্ঞেস করা হল, কে? তিনি বললেন, জিবরীল। জিজ্ঞেস করা হল, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললেন, মুহাম্মাদ। তারপর জিবরীল আমাকে নিয়ে দ্বিতীয় আকাশে উঠলেন। তারপর দরজা খুলতে বললেন। জিজ্ঞেস করা হল, কে? তিনি বললেন, জিবরীল। জিজ্ঞেস করা হল, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললেন, মুহাম্মাদ। তারপর তিনি ততীয়, চতুর্থ এবং এভাবে একের পর এক আকাশসমূহে (উঠতে থাকলেন)। প্রত্যেক আকাশের দরজায় জিজ্ঞেস করা হচ্ছিল, কে? আর তিনি বলছিলেন, জিবরীল। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী : ৩৮৮৭; সহীহ মুসলিম: ১৬২; সুনানে নাসাঈ : ৪৪৮: সহীহ ইবনে হিব্বান; ৪৮; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর : ৫৯৯; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৩৬৫৭০; মুসনাদুল বাযযার : ৬৯৬৪; মুসনাদে আবু ইয়া'লা : ৩৪৯৯)
হাদীছ নং: ৮৭৩
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত ইসরার বর্ণনা সম্বলিত প্রসিদ্ধ হাদীছে আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তারপর জিবরীল আমাকে নিয়ে নিকটবর্তী আকাশে উঠলেন। তারপর দরজা খুলতে বললেন। জিজ্ঞেস করা হল, কে? তিনি বললেন, জিবরীল। জিজ্ঞেস করা হল, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললেন, মুহাম্মাদ। তারপর জিবরীল আমাকে নিয়ে দ্বিতীয় আকাশে উঠলেন। তারপর দরজা খুলতে বললেন। জিজ্ঞেস করা হল, কে? তিনি বললেন, জিবরীল। জিজ্ঞেস করা হল, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললেন, মুহাম্মাদ। তারপর তিনি ততীয়, চতুর্থ এবং এভাবে একের পর এক আকাশসমূহে (উঠতে থাকলেন)। প্রত্যেক আকাশের দরজায় জিজ্ঞেস করা হচ্ছিল, কে? আর তিনি বলছিলেন, জিবরীল। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী : ৩৮৮৭; সহীহ মুসলিম: ১৬২; সুনানে নাসাঈ : ৪৪৮: সহীহ ইবনে হিব্বান; ৪৮; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর : ৫৯৯; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৩৬৫৭০; মুসনাদুল বাযযার : ৬৯৬৪; মুসনাদে আবু ইয়া'লা : ৩৪৯৯)
كتاب السلام
باب بيان أنَّ السنة إِذَا قيل للمستأذن: من أنت؟ أن يقول: فلان، فيسمي نفسه بما يعرف به من اسم أَوْ كنية وكراهة قوله: «أنا» ونحوها
873 - وعن أنس - رضي الله عنه - في حديثه المشهور في الإسراءِ، قَالَ: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «ثُمَّ صَعَدَ بي جِبْريلُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا فَاسْتَفْتَحَ، فقِيلَ: مَنْ هذَا؟ قَالَ: جِبْريلُ، قِيلَ: وَمَنْ مَعَكَ؟ قَالَ: مُحَمَّدٌ، ثُمَّ صَعَدَ إِلَى السَّمَاءِ الثَّانِيَةِ فاسْتَفْتَحَ، قِيلَ: مَنْ هَذَا؟ قَالَ: جِبْريل، قِيلَ: وَمَنْ مَعَكَ؟ قَالَ: مُحَمَّدٌ وَالثَّالِثَةِ وَالرَّابِعَةِ وَسَائِرِهنَّ وَيُقَالُ فِي بَابِ كُلِّ سَمَاءٍ: مَنْ هَذَا؟ فَيَقُولُ: جِبْريلُ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৮৭৪
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১১ অনুমতিপ্রার্থীকে 'তুমি কে' জিজ্ঞেস করা হলে 'আমি' বা এরূপ কিছু না বলে সে যে নামে পরিচিত তাই বলে জবাব দেওয়া
পরিচয় জিজ্ঞাসার জবাবে সরাসরি নিজের নাম বলা
হাদীছ নং: ৮৭৪
হযরত আবূ যার্র রাযি. বলেন, আমি কোনও এক রাতে বের হলাম। হঠাৎ দেখি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একা হাঁটছেন। আমি চাঁদের ছায়ায় (অর্থাৎ কোনও আড়ালের কারণে চাঁদের আলো যেখানে পড়ে না) হাঁটতে থাকলাম। তিনি জেনে তাকিয়ে আমাকে দেখতে পেলেন। জিজ্ঞেস করলেন, কে? বললাম, আবু যার্র।-বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬৪৪৩; সহীহ মুসলিম: ৯৪; মুসনাদুল বাযযার: ৩৯৮১)
হাদীছ নং: ৮৭৪
হযরত আবূ যার্র রাযি. বলেন, আমি কোনও এক রাতে বের হলাম। হঠাৎ দেখি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একা হাঁটছেন। আমি চাঁদের ছায়ায় (অর্থাৎ কোনও আড়ালের কারণে চাঁদের আলো যেখানে পড়ে না) হাঁটতে থাকলাম। তিনি জেনে তাকিয়ে আমাকে দেখতে পেলেন। জিজ্ঞেস করলেন, কে? বললাম, আবু যার্র।-বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬৪৪৩; সহীহ মুসলিম: ৯৪; মুসনাদুল বাযযার: ৩৯৮১)
كتاب السلام
باب بيان أنَّ السنة إِذَا قيل للمستأذن: من أنت؟ أن يقول: فلان، فيسمي نفسه بما يعرف به من اسم أَوْ كنية وكراهة قوله: «أنا» ونحوها
874 - وعن أَبي ذرٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: خَرَجْتُ لَيْلَةً مِنَ اللَّيَالِي، فَإذَا رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يَمْشِي وَحْدَهُ، فَجَعَلْتُ أمْشِي فِي ظلِّ القمَرِ، فَالْتَفَتَ فَرَآنِي، فَقَالَ: «مَنْ هَذَا؟» فقلتُ: أَبُو ذَرٍّ. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৮৭৫
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১১ অনুমতিপ্রার্থীকে 'তুমি কে' জিজ্ঞেস করা হলে 'আমি' বা এরূপ কিছু না বলে সে যে নামে পরিচিত তাই বলে জবাব দেওয়া
হাদীছ নং: ৮৭৫
হযরত উম্মু হানী রাযি. বলেন, আমি (মক্কাবিজয়ের দিন) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলাম। তিনি তখন গোসল করছিলেন আর ফাতিমা তাঁকে কাপড় দিয়ে আড়াল করে রাখছিলেন। জিজ্ঞেস করলেন, কে? বললাম, আমি উম্মু হানী। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৩৫৭; সহীহ মুসলিম: ৩৩৬; জামে তিরমিযী: ২৭৩৪; সুনানে নাসাঈ: ২২৫; সুনানে ইবন মাজাহ : ২৭৩৫; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ৪৮৬১; সুনানে দারিমী: ১৪৯৪; সহীহ ইবনে হিব্বান : ১১৮৮; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ১০১৭; বায়হাকী, সুনানুল কুবরা: ৯৫৪; শু'আবুল ঈমান: ৮৪৯৭)
হযরত উম্মু হানী রাযি. বলেন, আমি (মক্কাবিজয়ের দিন) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলাম। তিনি তখন গোসল করছিলেন আর ফাতিমা তাঁকে কাপড় দিয়ে আড়াল করে রাখছিলেন। জিজ্ঞেস করলেন, কে? বললাম, আমি উম্মু হানী। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৩৫৭; সহীহ মুসলিম: ৩৩৬; জামে তিরমিযী: ২৭৩৪; সুনানে নাসাঈ: ২২৫; সুনানে ইবন মাজাহ : ২৭৩৫; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ৪৮৬১; সুনানে দারিমী: ১৪৯৪; সহীহ ইবনে হিব্বান : ১১৮৮; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ১০১৭; বায়হাকী, সুনানুল কুবরা: ৯৫৪; শু'আবুল ঈমান: ৮৪৯৭)
كتاب السلام
باب بيان أنَّ السنة إِذَا قيل للمستأذن: من أنت؟ أن يقول: فلان، فيسمي نفسه بما يعرف به من اسم أَوْ كنية وكراهة قوله: «أنا» ونحوها
875 - وعن أُمِّ هانىءٍ رضي الله عنها، قالت: أتيتُ النَّبيَّ - صلى الله عليه وسلم - وَهُوَ يَغْتَسِلُ وَفَاطِمَةُ تَسْتُرُهُ، فَقَالَ: «مَنْ هذِهِ؟» فقلتُ: أنا أُمُّ هَانِىءٍ. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৮৭৬
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১১ অনুমতিপ্রার্থীকে 'তুমি কে' জিজ্ঞেস করা হলে 'আমি' বা এরূপ কিছু না বলে সে যে নামে পরিচিত তাই বলে জবাব দেওয়া
পরিচয়দানের ক্ষেত্রে 'আমি' না বলে নিজের নাম বলা
হাদীছ নং: ৮৭৬
হযরত জাবির রাযি. বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে দরজায় টোকা দিলাম। তিনি বললেন, কে? বললাম, আমি। তিনি বললেন, আমি, আমি! যেন তিনি এটা অপসন্দ করলেন। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬২৫০; সহীহ মুসলিম: ২১৫৫; সুনানে আবূ দাউদ: ৫১৮৭; জামে’ তিরমিযী: ২৭১১; সুনানে ইবন মাজাহ: ৩৭০৯; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫৮০৮; তাবারানী, আল মু'জামুল আওসাত: ২২৬৬; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১৭৬৭০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩৩২৩; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লা: ৬৬৫)
হাদীছ নং: ৮৭৬
হযরত জাবির রাযি. বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে দরজায় টোকা দিলাম। তিনি বললেন, কে? বললাম, আমি। তিনি বললেন, আমি, আমি! যেন তিনি এটা অপসন্দ করলেন। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬২৫০; সহীহ মুসলিম: ২১৫৫; সুনানে আবূ দাউদ: ৫১৮৭; জামে’ তিরমিযী: ২৭১১; সুনানে ইবন মাজাহ: ৩৭০৯; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫৮০৮; তাবারানী, আল মু'জামুল আওসাত: ২২৬৬; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১৭৬৭০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩৩২৩; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লা: ৬৬৫)
كتاب السلام
باب بيان أنَّ السنة إِذَا قيل للمستأذن: من أنت؟ أن يقول: فلان، فيسمي نفسه بما يعرف به من اسم أَوْ كنية وكراهة قوله: «أنا» ونحوها
876 - وعن جابر - رضي الله عنه - قَالَ: أتَيْتُ النبيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَدَقَقْتُ البَابَ، فَقَالَ: «مَنْ هَذَا؟» فَقُلتُ: أَنَا، فَقَالَ: «أنَا، أنَا!» كَأنَّهُ كَرِهَهَا (1). متفقٌ عَلَيْهِ. (2)
হাদীস নং: ৮৭৭
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১২ হাঁচিদাতা আলহামদুলিল্লাহ বললে শ্রোতা কর্তৃক ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা আলহামদুলিল্লাহ না বললে ইয়ারহামুকাল্লাহ না বলা এবং হাঁচি দেওয়া ও হাই তোলা সংক্রান্ত অন্যান্য আদব
হাঁচি দেওয়া ও হাই তোলার ক্ষেত্রে করণীয়
হাদীছ নং: ৮৭৭
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আল্লাহ তা'আলা (বান্দার) হাঁচি পসন্দ করেন ও হাই তোলা অপসন্দ করেন। তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয় এবং আল্লাহর প্রশংসা করে, তখন তা শুনতে পায় এমন প্রত্যেক মুসলিমের অবশ্যকর্তব্য ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা। হাই তোলা সম্পর্কে কথা হল এটা শয়তানের পক্ষ থেকে হয়। তোমাদের কারও যখন হাই আসে, তখন যথাসম্ভব তা ফেরানোর চেষ্টা করবে। কেননা তোমাদের কেউ যখন হাই তোলে, তখন শয়তান তাকে নিয়ে হাস্য করে। -বুখারী
(সহীহ বুখারী: ৬২২৩; জামে' তিরমিযী: ২৭৪৭; সুনানে আবু দাউদ: ৫০২১; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ৯৯৭৩; সুনানে ইবন মাজাহ: ৯৬৮; মুসনাদে আহমাদ: ৭৫৯০; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা : ৬৬২৭; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা : ৩৫৭৫; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ২৪৩৪)
হাদীছ নং: ৮৭৭
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আল্লাহ তা'আলা (বান্দার) হাঁচি পসন্দ করেন ও হাই তোলা অপসন্দ করেন। তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয় এবং আল্লাহর প্রশংসা করে, তখন তা শুনতে পায় এমন প্রত্যেক মুসলিমের অবশ্যকর্তব্য ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা। হাই তোলা সম্পর্কে কথা হল এটা শয়তানের পক্ষ থেকে হয়। তোমাদের কারও যখন হাই আসে, তখন যথাসম্ভব তা ফেরানোর চেষ্টা করবে। কেননা তোমাদের কেউ যখন হাই তোলে, তখন শয়তান তাকে নিয়ে হাস্য করে। -বুখারী
(সহীহ বুখারী: ৬২২৩; জামে' তিরমিযী: ২৭৪৭; সুনানে আবু দাউদ: ৫০২১; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ৯৯৭৩; সুনানে ইবন মাজাহ: ৯৬৮; মুসনাদে আহমাদ: ৭৫৯০; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা : ৬৬২৭; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা : ৩৫৭৫; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ২৪৩৪)
كتاب السلام
باب استحباب تشميت العاطس إِذَا حمد الله تَعَالَى وكراهة تشميته إذا لَمْ يحمد الله تَعَالَى وبيان آداب التشميت والعطاس والتثاؤب
877 - عن أَبي هريرة - رضي الله عنه: أنَّ النبيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إنَّ الله يُحِبُّ العُطَاسَ، وَيَكْرَهُ التَّثَاؤُبَ، فَإذَا عَطَسَ أَحَدُكُمْ وَحَمِدَ الله تَعَالَى كَانَ حَقًّا عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ سَمِعَهُ أَنْ يَقُولَ لَهُ: يَرْحَمُكَ اللهُ، وَأَمَّا التَّثَاؤُبُ فَإنَّمَا هُوَ مِنَ الشَّيْطَانِ، فَإذَا تَثَاءبَ أحَدُكُمْ فَلْيَرُدَّهُ مَا اسْتَطَاعَ، فَإنَّ أحَدَكُمْ إِذَا تَثَاءبَ ضَحِكَ مِنْهُ الشَّيْطَانُ». رواه البخاري. (1)
হাদীস নং: ৮৭৮
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১২ হাঁচিদাতা আলহামদুলিল্লাহ বললে শ্রোতা কর্তৃক ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা আলহামদুলিল্লাহ না বললে ইয়ারহামুকাল্লাহ না বলা এবং হাঁচি দেওয়া ও হাই তোলা সংক্রান্ত অন্যান্য আদব
হাঁচির সঙ্গে সম্পৃক্ত দু'আসমূহ
হাদীছ নং: ৮৭৮
হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে সে যেন বলে الْحَمْدُ لِلَّهِ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর)। তার ভাই বা তার সঙ্গী যেন বলে يَرْحَمُكَ الله (আল্লাহ তোমার প্রতি রহমত করুন)। সে যখন তাকে লক্ষ্য করে يَرْحَمُكَ الله বলবে, তখন যেন বলে يَهْدِيكُمُ الله وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ (আল্লাহ তোমাদের হিদায়াত দান করুন এবং তোমাদের অবস্থা দুরস্ত করে দিন)। -বুখারী
(সহীহ বুখারী : ৬২২৪; সুনানে আবু দাউদ: ৫০৩৩; জামে তিরমিযী: ২৭৩৯; আল আদাবুল মুফরাদ: ৯২৭; সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭১৫; মুসনাদে আহমাদ: ৯৭২; মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা : ২৫৯৯৭; নাসাঈ, আস্ সুনানুল কুবরা: ৯৯৮৯; সহীহ ইবন হিব্বান: ৫৯৯)
হাদীছ নং: ৮৭৮
হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে সে যেন বলে الْحَمْدُ لِلَّهِ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর)। তার ভাই বা তার সঙ্গী যেন বলে يَرْحَمُكَ الله (আল্লাহ তোমার প্রতি রহমত করুন)। সে যখন তাকে লক্ষ্য করে يَرْحَمُكَ الله বলবে, তখন যেন বলে يَهْدِيكُمُ الله وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ (আল্লাহ তোমাদের হিদায়াত দান করুন এবং তোমাদের অবস্থা দুরস্ত করে দিন)। -বুখারী
(সহীহ বুখারী : ৬২২৪; সুনানে আবু দাউদ: ৫০৩৩; জামে তিরমিযী: ২৭৩৯; আল আদাবুল মুফরাদ: ৯২৭; সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭১৫; মুসনাদে আহমাদ: ৯৭২; মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা : ২৫৯৯৭; নাসাঈ, আস্ সুনানুল কুবরা: ৯৯৮৯; সহীহ ইবন হিব্বান: ৫৯৯)
كتاب السلام
باب استحباب تشميت العاطس إِذَا حمد الله تَعَالَى وكراهة تشميته إذا لَمْ يحمد الله تَعَالَى وبيان آداب التشميت والعطاس والتثاؤب
878 - وعنه، عن النبيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا عَطَسَ أحَدُكُمْ فَلْيَقُلْ: الحَمْدُ
للهِ، وَلْيَقُلْ لَهُ أخُوهُ أَوْ صَاحِبُهُ: يَرْحَمُكَ الله. فإذَا قَالَ لَهُ: يَرْحَمُكَ اللهُ، فَليَقُلْ: يَهْدِيكُمُ اللهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ». رواه البخاري. (1)
للهِ، وَلْيَقُلْ لَهُ أخُوهُ أَوْ صَاحِبُهُ: يَرْحَمُكَ الله. فإذَا قَالَ لَهُ: يَرْحَمُكَ اللهُ، فَليَقُلْ: يَهْدِيكُمُ اللهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ». رواه البخاري. (1)
হাদীস নং: ৮৭৯
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১২ হাঁচিদাতা আলহামদুলিল্লাহ বললে শ্রোতা কর্তৃক ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা আলহামদুলিল্লাহ না বললে ইয়ারহামুকাল্লাহ না বলা এবং হাঁচি দেওয়া ও হাই তোলা সংক্রান্ত অন্যান্য আদব
হাদীছ নং: ৮৭৯
হযরত আবূ মূসা রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলে, তখন তোমরা তার জবাবে ইয়াহামুকাল্লাহ বলো। সে যদি আলহামদুলিল্লাহ না বলে, তবে তোমরা ইয়ারহামুকাল্লাহ বলো না। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম : ২৯৯২; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ: ৯৪১; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা : ২৫৯৭৪; মুসনাদুল বাযযার : ৩১২৫; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭৬৯০; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ৮৮৮৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ : ৩৩৪৪;)
হযরত আবূ মূসা রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলে, তখন তোমরা তার জবাবে ইয়াহামুকাল্লাহ বলো। সে যদি আলহামদুলিল্লাহ না বলে, তবে তোমরা ইয়ারহামুকাল্লাহ বলো না। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম : ২৯৯২; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ: ৯৪১; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা : ২৫৯৭৪; মুসনাদুল বাযযার : ৩১২৫; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭৬৯০; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ৮৮৮৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ : ৩৩৪৪;)
كتاب السلام
باب استحباب تشميت العاطس إِذَا حمد الله تَعَالَى وكراهة تشميته إذا لَمْ يحمد الله تَعَالَى وبيان آداب التشميت والعطاس والتثاؤب
879 - وعن أَبي موسى - رضي الله عنه - قَالَ: سَمِعْتُ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقولُ: «إِذَا عَطَسَ أحَدُكُمْ فَحَمِدَ اللهَ فَشَمِّتُوهُ (1)، فَإنْ لَمْ يَحْمَدِ الله فَلاَ تُشَمِّتُوهُ». رواه مسلم. (2)
হাদীস নং: ৮৮০
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১২ হাঁচিদাতা আলহামদুলিল্লাহ বললে শ্রোতা কর্তৃক ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা আলহামদুলিল্লাহ না বললে ইয়ারহামুকাল্লাহ না বলা এবং হাঁচি দেওয়া ও হাই তোলা সংক্রান্ত অন্যান্য আদব
হাদীছ নং: ৮৮০
হযরত আনাস রাযি. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে দুই ব্যক্তি হাঁচি দিল। তিনি তাদের একজনকে লক্ষ্য করে ইয়াহামুকাল্লাহ বললেন, অন্যজনকে লক্ষ্য করে তা বললেন না। যাকে লক্ষ্য করে ইয়ারহামুকাল্লাহ বললেন না সে বলল, অমুকে হাঁচি দিল আর আপনি তাকে লক্ষ্য করে ইয়ারহামুকাল্লাহ বললেন, অথচ আমি হাঁচি দিলে আপনি আমাকে লক্ষ্য করে ইয়ারহামুকাল্লাহ বললেন না? তিনি বললেন, এ ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেছে (আলহামদুলিল্লাহ বলেছে), কিন্তু তুমি আল্লাহর প্রশংসা করনি। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬২২৫; সহীহ মুসলিম: ২৯৯১; জামে তিরমিযী: ২৭৪২; মুসনাদে আহমাদ: ৮৩২৭; মুসনাদে আবু ইয়া'লা : ৬৫৯২; সহীহ ইবনে হিব্বান : ৬০২; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭৬৮৯; শু'আবুল ঈমান : ৮৮৮৯; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩৩৪৩; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ২১৭৮)
হযরত আনাস রাযি. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে দুই ব্যক্তি হাঁচি দিল। তিনি তাদের একজনকে লক্ষ্য করে ইয়াহামুকাল্লাহ বললেন, অন্যজনকে লক্ষ্য করে তা বললেন না। যাকে লক্ষ্য করে ইয়ারহামুকাল্লাহ বললেন না সে বলল, অমুকে হাঁচি দিল আর আপনি তাকে লক্ষ্য করে ইয়ারহামুকাল্লাহ বললেন, অথচ আমি হাঁচি দিলে আপনি আমাকে লক্ষ্য করে ইয়ারহামুকাল্লাহ বললেন না? তিনি বললেন, এ ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেছে (আলহামদুলিল্লাহ বলেছে), কিন্তু তুমি আল্লাহর প্রশংসা করনি। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৬২২৫; সহীহ মুসলিম: ২৯৯১; জামে তিরমিযী: ২৭৪২; মুসনাদে আহমাদ: ৮৩২৭; মুসনাদে আবু ইয়া'লা : ৬৫৯২; সহীহ ইবনে হিব্বান : ৬০২; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭৬৮৯; শু'আবুল ঈমান : ৮৮৮৯; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩৩৪৩; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ২১৭৮)
كتاب السلام
باب استحباب تشميت العاطس إِذَا حمد الله تَعَالَى وكراهة تشميته إذا لَمْ يحمد الله تَعَالَى وبيان آداب التشميت والعطاس والتثاؤب
880 - وعن أنس - رضي الله عنه - قَالَ: عَطَسَ رَجُلانِ عِنْدَ النبيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَشَمَّتَ أَحَدَهُمَا وَلَمْ يُشَمِّتِ الآخَرَ، فَقَالَ الَّذِي لَمْ يُشَمِّتْهُ: عَطَسَ فُلانٌ فَشَمَّتَّهُ، وَعَطَسْتُ فَلَمْ تُشَمِّتْنِي؟ فَقَالَ: «هَذَا حَمِدَ الله، وَإنَّكَ لَمْ تَحْمَدِ الله». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৮৮১
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১২ হাঁচিদাতা আলহামদুলিল্লাহ বললে শ্রোতা কর্তৃক ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা আলহামদুলিল্লাহ না বললে ইয়ারহামুকাল্লাহ না বলা এবং হাঁচি দেওয়া ও হাই তোলা সংক্রান্ত অন্যান্য আদব
হাঁচির কয়েকটি আদব
হাদীস নং: ৮৮১
হযরত আবু হুরায়রা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাঁচি দিতেন, তখন তাঁর মুখে নিজের হাত বা কাপড় রাখতেন এবং তাতে নিজ আওয়াজ নিচু বা সংযত করতেন।
-আবু দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবূ দাউদ : ৫০২৯; জামে তিরমিযী: ২৭৪৬; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ : ৩৩৪৬; মুসনাদুল বাযযার: ৮৯৫০)
হাদীস নং: ৮৮১
হযরত আবু হুরায়রা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাঁচি দিতেন, তখন তাঁর মুখে নিজের হাত বা কাপড় রাখতেন এবং তাতে নিজ আওয়াজ নিচু বা সংযত করতেন।
-আবু দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবূ দাউদ : ৫০২৯; জামে তিরমিযী: ২৭৪৬; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ : ৩৩৪৬; মুসনাদুল বাযযার: ৮৯৫০)
كتاب السلام
باب استحباب تشميت العاطس إِذَا حمد الله تَعَالَى وكراهة تشميته إذا لَمْ يحمد الله تَعَالَى وبيان آداب التشميت والعطاس والتثاؤب
881 - وعن أَبي هريرة - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - إِذَا عَطَسَ وَضَعَ يَدَهُ أَوْ ثَوْبَهُ عَلَى فِيهِ، وَخَفَضَ - أَوْ غَضَّ - بِهَا صَوْتَهُ. شك الراوي. رواه أَبُو داود والترمذي، (1) وقال: «حديث حسن صحيح».
হাদীস নং: ৮৮২
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১২ হাঁচিদাতা আলহামদুলিল্লাহ বললে শ্রোতা কর্তৃক ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা আলহামদুলিল্লাহ না বললে ইয়ারহামুকাল্লাহ না বলা এবং হাঁচি দেওয়া ও হাই তোলা সংক্রান্ত অন্যান্য আদব
দু'আ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে ইহুদিদের হাঁচি দেওয়া
হাদীছ নং: ৮৮২
হযরত আবূ মূসা রাযি. বলেন, ইহুদিরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে এই আশায় হাঁচি দিত যে, তিনি তাদেরকে লক্ষ্য করে يَرْحَمُكُم الله (আল্লাহ তোমাদের উপর রহম করুন) বলবেন। কিন্তু তিনি বলতেন- يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ (আল্লাহ তোমাদের হিদায়াত দান করুন এবং তোমাদের অবস্থা দুরস্ত করে দিন)।-আবু দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবূ দাউদ: ৫০৩৮; জামে তিরমিযী: ২৭৩৯; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ : ১১১৪; মুসনাদুল বাযযার: ৩১৪৫; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার ৭০২৬; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লা ২৬২; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭৬৯৯; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ৮৯০৮)
হাদীছ নং: ৮৮২
হযরত আবূ মূসা রাযি. বলেন, ইহুদিরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে এই আশায় হাঁচি দিত যে, তিনি তাদেরকে লক্ষ্য করে يَرْحَمُكُم الله (আল্লাহ তোমাদের উপর রহম করুন) বলবেন। কিন্তু তিনি বলতেন- يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ (আল্লাহ তোমাদের হিদায়াত দান করুন এবং তোমাদের অবস্থা দুরস্ত করে দিন)।-আবু দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবূ দাউদ: ৫০৩৮; জামে তিরমিযী: ২৭৩৯; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ : ১১১৪; মুসনাদুল বাযযার: ৩১৪৫; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার ৭০২৬; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লা ২৬২; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭৬৯৯; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ৮৯০৮)
كتاب السلام
باب استحباب تشميت العاطس إِذَا حمد الله تَعَالَى وكراهة تشميته إذا لَمْ يحمد الله تَعَالَى وبيان آداب التشميت والعطاس والتثاؤب
882 - وعن أَبي موسى - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ اليَهُودُ يَتَعَاطَسُونَ عِنْدَ رسول اللهِ - صلى الله عليه وسلم - يَرْجُونَ أَنْ يَقُولَ لَهُمْ: يَرْحَمُكُم الله، فَيَقُولُ: «يَهْدِيكُم اللهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ». رواه أَبُو داود والترمذي، (1) وقال: «حديث حسن صحيح».
হাদীস নং: ৮৮৩
সালাম-মুসাফাহার আদব
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১২ হাঁচিদাতা আলহামদুলিল্লাহ বললে শ্রোতা কর্তৃক ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা আলহামদুলিল্লাহ না বললে ইয়ারহামুকাল্লাহ না বলা এবং হাঁচি দেওয়া ও হাই তোলা সংক্রান্ত অন্যান্য আদব
হাই তোলার সময় ভেতরে শয়তানের প্রবেশ করতে চাওয়া
হাদীছ নং: ৮৮৩
হযরত আবূ সা'ঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয়, তখন যেন হাত দিয়ে তার মুখ বন্ধ করে। কেননা শয়তান (তখন) তার ভেতর প্রবেশ করে। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম : ২৯৯৫; সুনানে আবু দাউদ: ৫০২৬; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৭৯৮১; সুনানে দারিমী : ১৪২২; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ:৯৪৯; মুসনাদে আবূ ইয়া’লা: ১১৬২; সহীহ ইবনে খুযায়মা : ৯১৯; সহীহ ইবনে হিব্বান: ২৩৬০; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান : ৮৯২৩; )
হাদীছ নং: ৮৮৩
হযরত আবূ সা'ঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয়, তখন যেন হাত দিয়ে তার মুখ বন্ধ করে। কেননা শয়তান (তখন) তার ভেতর প্রবেশ করে। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম : ২৯৯৫; সুনানে আবু দাউদ: ৫০২৬; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৭৯৮১; সুনানে দারিমী : ১৪২২; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ:৯৪৯; মুসনাদে আবূ ইয়া’লা: ১১৬২; সহীহ ইবনে খুযায়মা : ৯১৯; সহীহ ইবনে হিব্বান: ২৩৬০; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান : ৮৯২৩; )
كتاب السلام
باب استحباب تشميت العاطس إِذَا حمد الله تَعَالَى وكراهة تشميته إذا لَمْ يحمد الله تَعَالَى وبيان آداب التشميت والعطاس والتثاؤب
883 - وعن أَبي سعيد الخدري - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا تَثَاءبَ أحَدُكُمْ فَلْيُمْسِكْ بِيَدِهِ عَلَى فِيهِ؛ فَإنَّ الشَّيْطَانَ يَدْخُلُ». رواه مسلم. (1)