শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ

৬. হজ্বের অধ্যায়

হাদীস নং: ৩৯৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩৯৯০
হজ্বের অধ্যায়
কুরবানীর রাতে ফজর শুরুর পূর্বে জামরা আকাবায় কংকর নিক্ষেপ করা
৩৯৮৯-৯০। ইয়াযীদ ইব্ন সিনান (রাহঃ) ..... আয়েশা (রাযিঃ) ও ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাওয়াফে যিয়ারতকে রাত পর্যন্ত বিলম্বিত করেছেন।
كتاب مناسك الحج
90- 3989 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ سِنَانٍ , قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ , قَالَ: ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ , قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ طَارِقٍ , [ص:220] عَنْ طَاوُسٍ , وَأَبُو الزُّبَيْرِ , عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا , وَابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا «أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَخَّرَ طَوَافَ الزِّيَارةِ إِلَى اللَّيْلِ»

হাদীসের ব্যাখ্যা:

হাদীসটির মর্ম এই যে, তওয়াফে যিয়ারতের জন্য উত্তম দিন হচ্ছে কুরবানীর দিন, অর্থাৎ, ১০ই যিলহজ্ব। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অবকাশ দিয়েছেন যে, এ দিনটি শেষ হয়ে যাওয়ার পর রাতের বেলায়ও এটা করা যায়। আর এ রাতের তাওয়াফও ফযীলত হিসাবে ১০ই যিলহজ্বের তাওয়াফ হিসাবে গণ্য হবে।

সাধারণ আরবী হিসাবের নিয়ম অনুযায়ী রাতের তারিখটি পরবর্তী দিনের তারিখ হয় এবং প্রতিটি রাত পরের দিনের সাথে যুক্ত হয়। (যেমন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতটি পরবর্তী দিন অর্থাৎ, শুক্রবারের রাত ধরা হয়।) কিন্তু হজ্বের কার্যক্রম ও বিধি-বিধানের ক্ষেত্রে বান্দাদের সুবিধার জন্য এর বিপরীত নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক দিবাগত রাতকে ঐ দিনের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এরই ভিত্তিতে যে তাওয়াফটি ১০ই যিলহজ্ব দিন পার হয়ে যাওয়ার পর রাতের বেলায় করা হবে, সেটা ১০ই যিলহজ্বের তাওয়াফ হিসাবেই গণ্য হবে-যদিও সাধারণ নিয়ম হিসাবে এটা ১১ই যিলহজ্বের রাত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান
ত্বহাবী শরীফ - হাদীস নং ৩৯৮৯ | মুসলিম বাংলা