ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
১৯. বিচার-আদালত সম্পর্কিত অধ্যায়
হাদীস নং: ২১০৯
বিচার-আদালত সম্পর্কিত অধ্যায়
বিচারপদ্ধতি, প্রশাসন ও বিচারের পরিচালনার নিয়মনীতি
(২১০৯) আলী রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বাদী-বিবাদী উভয়ের একজনকে বাদ দিয়ে অন্যকে দাওয়াত দিতে বা শুধু একজনের মেহমানদারি করতে নিষেধ করেছেন।
كتاب القضاء
علي رضي الله عنه قال: نهى النبي صلى الله عليه وسلم أن يضيف أحد الخصمين دون الآخر
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
(তাবারানি)।** (তাবারানি, আল মু'জামুল আওসাত, হাদীস-৩৯২২]
** [গ্রন্থকার টীকায় বলেন, হাইসামি বলেছেন, 'হাদীসটির সনদে হাইসাম ইবন গুসন রয়েছে, আমি তার বিষয়ে কোনো আলোচনা পাই নি। সনদের বাকি রাবীগণ নির্ভরযোগ্য'। গ্রন্থকার বলেন, তিনিও ইবন হিব্বানের মতানুযায়ী নির্ভরযোগ্য। আলবানি বলেন, “তাবারানি বলেছেন, 'হাদীসটি দাউদ ইবন আবু হিন্দ থেকে শুধু হাইসাম ইবন গুসন বর্ণনা করেছেন, তার থেকে শুধু মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল আযীয'। আলবানি বলেন, মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল আযীয বুখারির রাবী, সত্যনিষ্ঠ, কখনো সখনো ভুল করেন। আর কাসিম ইবন গুসন ছাড়া বাকি রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। কাসিম দুর্বল। তার কারণেই ইবন হাজার হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। তবে তাবারানির সনদে 'কাসিম ইবন গুসন'র পরিবর্তে 'হাইসাম ইবন শুসন' প্রতিস্থাপন হয়েছে। এটি কোনো রাবীর ভুল। একারণেই হাইসামি বলেছেন, 'আমি তার বিষয়ে কোনো আলোচনা পাই নি"। দেখুন: হাইসামি, মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৪/১৯৭; ইবন হাজার, আত তালখীসুল হাবীর ৪/৪৭০; আলবানি, ইরওয়াউল গালীল ৮/২৫১-২৫২। -সম্পাদক]
** [গ্রন্থকার টীকায় বলেন, হাইসামি বলেছেন, 'হাদীসটির সনদে হাইসাম ইবন গুসন রয়েছে, আমি তার বিষয়ে কোনো আলোচনা পাই নি। সনদের বাকি রাবীগণ নির্ভরযোগ্য'। গ্রন্থকার বলেন, তিনিও ইবন হিব্বানের মতানুযায়ী নির্ভরযোগ্য। আলবানি বলেন, “তাবারানি বলেছেন, 'হাদীসটি দাউদ ইবন আবু হিন্দ থেকে শুধু হাইসাম ইবন গুসন বর্ণনা করেছেন, তার থেকে শুধু মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল আযীয'। আলবানি বলেন, মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল আযীয বুখারির রাবী, সত্যনিষ্ঠ, কখনো সখনো ভুল করেন। আর কাসিম ইবন গুসন ছাড়া বাকি রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। কাসিম দুর্বল। তার কারণেই ইবন হাজার হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। তবে তাবারানির সনদে 'কাসিম ইবন গুসন'র পরিবর্তে 'হাইসাম ইবন শুসন' প্রতিস্থাপন হয়েছে। এটি কোনো রাবীর ভুল। একারণেই হাইসামি বলেছেন, 'আমি তার বিষয়ে কোনো আলোচনা পাই নি"। দেখুন: হাইসামি, মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৪/১৯৭; ইবন হাজার, আত তালখীসুল হাবীর ৪/৪৭০; আলবানি, ইরওয়াউল গালীল ৮/২৫১-২৫২। -সম্পাদক]